১৫ বছর ভারতীয় ক্রিকেটের একনিষ্ঠ সেবক হিসাবে দেশের সেবা করেছেন ধোনি। টিম ইন্ডিয়ার সর্বকালের অন্যতম সেরা অধিনায়ক ২০২০ সালের ১৫ অগস্টই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছিলেন।
গতবছর টি-২০ বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে সেমি-ফাইনালে তোলার অন্যতম কারিগর ছিলেন রউফ।
রোহিত দেশের প্রথম অধিনায়ক হিসাবে ইংল্যান্ডের মাটিতে ওয়ানডে ও টি-২০ সিরিজ জেতার নজির গড়লেন।
এমএস ধোনি ও ঋষভ পন্থেরপ্রশংসা লুঙ্গি এনগিডির মুখে।
'কিং কোহলি'র অধিনায়ক হিসাবে দেশের জার্সিতে টি-২০ ফরম্যাটে ১০০০ রান করতে লেগেছিল ৩০ ইনিংস।
ইঞ্জিনিয়ারের পর দ্বিতীয় ভারতীয় উইকেটকিপার-ব্যাটার হিসাবে একই টেস্টে সেঞ্চুরি ও হাফ-সেঞ্চুরির রেকর্ড করেছেন পন্থ।
১১১ বলে ১৪৬ রানের ভয়ডরহীন ইনিংস খেলেলেন পন্থ। ৮৯ বলে সেঞ্চুরি এসেছে পন্থের। আর এর সঙ্গেই পন্থ ভেঙে দিলেন কিংবদন্তি এমএস ধোনির (MS Dhoni) রেকর্ড।
এক স্পোর্টস ওয়েবসাইটে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন যে, চারিত্রিক ভাবে ধোনি-মর্গ্যানের মধ্যে তেমন কোনও ফারাক দেখেননি তিনি।
চলতি বছরের শেষের দিকে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টি-২০ বিশ্বকাপ খেলতে যাবে ভারত। চলতি আইপিএলে টিম ইন্ডিয়ার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি হার্দিকের প্রত্যাবর্তন। এই নিয়ে কোনও সন্দেহের অবকাশ নেই।
ভারত জিতলেও এই সিরিজের পন্থের ব্যাটিং রীতিমতো মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অফ-স্টাম্পের বাইরের বলে বারবার খোঁচা দিয়ে আউট হচ্ছেন দেশের তরুণ উইকেটকিপার-ব্যাটার।
প্রবীণতম ভারতীয় ক্রিকেটার হিসাবে এতদিন দেশের হয়ে টি-২০ হাফ-সেঞ্চুরির রেকর্ড ছিল ধোনির। ২০১৮ সালে তিনি যখন দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ফিফটি করেছিলেন, তখন তাঁর বয়স ছিল ৩৬ বছর ২২৯ দিন।
কুকুর দিয়ে শুরু করেছিলেন। একে একে কাকাতুয়া ও ঘোড়াও নিয়ে এসেছেন বাড়িতে। এবার পশুভক্ত এমএস ধোনি (MS Dhoni) পুষতে শুরু করলেন সাদা রঙের জোড়া ছাগল।
২০১৯ সালের পর কটক ফের আন্তর্জাতিক ম্যাচ পেয়েছে। শেষবার ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজ ওয়ানডে ম্যাচ হয়েছিল এই মাঠে। বিরাট কোহলির ৮৫ রানের সুবাদে ভারত চার উইকেটে ম্যাচ জিতেছিল। এই ম্যাচ ঘিরে কটকের ক্রিকেট ফ্যানদের উচ্ছ্বাস অন্য পর্যায়ে। এমনকী গতকাল ভারতের অনুশীলন দেখার জন্যই গ্যালারি ভরান অনুরাগীরা।
ভারতীয় দলের উইকেটকিপার-ব্যাটারের কাছে প্রশ্ন রাখা হয়েছিল, যদি তিনি কারোর মন পড়তে পারেন, তাহলে কার মন পড়বেন? কার্তিক এর উত্তরে বলেন, "এই ক্ষমতা যদি আমি পেতাম, তাহলে অবশ্যই এমএস ধোনির মাথার মধ্য়ে কী চলছে তা জানার চেষ্টা করতাম।"
কৃষিকাজে ব্যবহৃত একটি সারের বিজ্ঞাপনে চেন্নাই সুপার কিংসের ক্যাপ্টেনের নাম ব্যবহার করা হয়েছিল। জানা যাচ্ছে ঘটনার সঙ্গে ধোনির প্রত্যক্ষ যোগাযোগ নেই। কিন্তু দুই সংস্থা-নিউ গ্লোবাল প্রডিউস ইন্ডিয়া লিমিটেড ও এসকে এন্টারপ্রাইজের মধ্যে ব্যবসায়িক সংঘাতের জন্যই ধোনিকে জড়িয়ে এই মামলা করা হয়েছে।
২০০৮ সালে ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রথম চার ম্যাচে শেহওয়াগ যথাক্রমে ৬, ৩৩, ১১ ও ১৪ রান করেছিলেন। সিবি সিরিজে বেস্ট অফ থ্রি ফাইনালের বিচারে ভারত ঐতিহাসিক জয় পেয়েছিল অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে। কিন্তু প্রথম চার ম্যাচের পর শেহওয়াগ আর প্রথম একাদশে জায়গা পাননি।
ধোনির জুতোয় পা গলানোর পর থেকেই পন্থের সঙ্গে কিংবদন্তি উইকেটকিপার-ব্যাটারের তুলনা টানা হচ্ছে। যদিও পন্থ অল্প সময়ের মধ্যেই তিন ফরম্যাটে নিজের যোগ্য়তা প্রমাণ করেছেন। পন্থ নিজেকে ধোনির শিষ্যই মনে করেন।
ধোনি (Dhoni) চমকেছেন তাঁর ব্য়াটে। ১৪ ম্যাচে ২৩২ রান করেছেন ৩০-এর গড়ে। চল্লিশেও ধোনির ব্যাটিং ও কিপিং দক্ষতায় কোনও মরচে পড়েনি। তবে ধোনির এই ফিটনেস দেখে চমকাননি তাঁর প্রাক্তন গুরু। ভারতীয় দলের প্রাক্তন হেডস্যার রবি শাস্ত্রী (Ravi Shastri) বলে দিলেন কেন ধোনি এখনও ফিট।
এই ম্যাচে সিএসকে ক্যাপ্টেন এমএস ধোনির (MS Dhoni) জন্য় মাঠে দেখা গেল একপ্রস্থ নাটক। এক ফ্যান ধোনিকে ছুঁয়ে দেখার জন্য় ঢুকে পড়েন মাঠের মধ্যে। যদিও সেই ফ্যান ধোনির নাগাল পাননি। আম্পায়ারই কার্যত নিরাপত্তারক্ষীর ভূমিকায় উত্তীর্ণ হয়েছিলেন। ফ্যানের সঙ্গে ধোনির দূরত্ব বজায় রাখেন তিনি।
আইপিএল (IPL 2022) শুরুর আগেই ধোনি জানিয়ে দেন যে, তিনি আর 'ইয়েলো আর্মি'কে নেতৃত্ব দেবেন না। রবীন্দ্র জাদেজাকেই (Ravindra Jadeja) গুরুদায়িত্ব তুলে দিচ্ছেন তিনি। কিন্তু অধিনায়কত্বের চাপ সামলাতে রীতিমতো হিমশিম খেয়েছেন জাদেজা। রীতিমতো সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি।
ম্য়াচের পর এদিন এক নস্ট্যালজিক মুহূর্তের জন্ম হয়। ২০১১ বিশ্বকাপ জয়ী ভারতীয় দলের তিন সদস্যের দেখা হয়ে যায়। এমএস ধোনি (MS Dhoni), গ্যারি কার্স্টেন (Gary Kirsten) ও আশিস নেহরা (Ashish Nehra) চুটিয়ে আড্ডা মারেন। গুজরাত অধিনায়ক হার্দিক পাণ্ডিয়া এসে ধোনি-গ্য়ারির ছবিও তুলে দেন।
জটিল সমীকরণের প্রাথমিক শর্তই ছিল মুম্বই ম্যাচ সহ-লিগের বাকি দুই ম্যাচ বড় ব্যবধানে জেতা। কিন্তু মুম্বইয়ের কাছে হেরেই গতবারের ও চারবারের চ্যাম্পিয়ন ফ্র্যাঞ্চাইজির ক্রোড়পতি লিগের যবনিকা পড়ে গেল।