এবারের পুরভোটে মেদিনীপুরে তৃণমূলের জয়জয়কার হয়েছে। ২৫টি আসনের মধ্যে তৃণমূল পেয়েছে ২০টি আসন, সিপিএম তিনটি, কংগ্রেস একটি এবং নির্দল পেয়েছে একটি আসন।
২৩ জানুয়ারি মূর্তিটি উন্মোচন করেন প্রধানমন্ত্রী।
এক আলাপচারিতায় Zee Media-কে অনিতা পাফ জানান, ভারত সরকার ইন্ডিয়া গেটে তাঁর বাবার মূর্তি বসাচ্ছে শুনে ভালো লাগছে তাঁর।
সুভাষের হৃদয়ও তো ছিল শ্মশানের মতোই নিস্পৃহ, নির্মোহ, পিছুটানহীন, আত্মনিবেদিত!
স্বাধীনতা সংগ্রামে বাংলার অবদানের কথা চিঠিতেউল্লেখ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী
এবার বাংলার থিম ছিলনেতাজি এবং আজাদ হিন্দ ফৌজ
কমিটিতে থাকছেন দুই নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অর্মত্য সেন ও অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়ও
সুভাষচন্দ্র বসুর অফিসিয়াল ডেথ সার্টিফিকেট কেন জাপান সরকার আজও জনৈক ইচিরো ওকুরার নাম থেকে তার নামে পরিবর্তন করতে পারল না সেই সঙ্গত প্রশ্নও ভারত সরকারের পক্ষ থেকে কাম্য ছিল
বন্ধ হয়ে যেতে বসেছে Zee বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক 'করুণাময়ী রাণী রাসমণি' ও 'নেতাজি'। এখবরটা কি আদৌ সত্যি?
এদিন সকাল থেকে আজকের দিনটিকে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর 'পুণ্যতিথি' হিসেবে উল্লেখ করে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করতে দেখা যায় অনেক বিজেপি নেতাকে।
নেতাজির সম্পর্কে বিভিন্ন বিষয় পড়াশোনাও করতে হয়েছে অঙ্কিতকে।
হাতিবাগানের কাছে একশো বছর পুরনো তেলেভাজার দোকানে এলেই আজ বিনে পয়সায় পাওয়া যাবে গরমাগরম তেলেভাজা। ছোটদের জন্য বরাদ্দ দুটো করে চপ। আর পরিবারের জন্য চারটে।
সুভাষ চন্দ্রের ছবির সঙ্গেই উল্লেখ রয়েছে ১৮ অগাস্ট ১৯৪৫ তারিখটির কথা। এই পোস্টের পর ওয়াকিফহাল মহল মনে করছে, নেতাজির মৃত্যু নিয়ে কংগ্রেস তাদের অফিসিয়াল স্ট্যান্ড স্পষ্ট করল।
নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ছবির নীচে মৃত্যুদিন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে ১৮ অগাস্ট ১৯৪৫ তারিখটি।
দিন কয়েক আগেই স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিন পালন করেছে গোটা বিশ্ব। সামনেই আসছে বাংলার গর্ব স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিন। এরই মধ্যে এই দুই মণীষীর জন্মদিনকে জাতীয় ছুটি ঘোষণার দাবিতে কেন্দ্রকে চিঠি দিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। টুইট করে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীকে লেখা ওই চিঠিতে দুই মণীষীর জন্মদিনকে জাতীয় ছুটি ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন তিনি।
নেতাজি অন্তর্ধান রহস্য সমাধানে তদন্ত দাবি করে কেন্দ্রের ওপর চাপ বাড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী। নাম না করে সমালোচনা করলেন প্রধানমন্ত্রীর। পাহাড়ে নেতাজি জন্মজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে মমতার গলায় শোনা গেল রাজ্যের অখণ্ডতার বার্তাও।
নেতাজি স্মরণে বামেরা। ওয়েলিংটন থেকে নেতাজি মূর্তি পর্যন্ত মিছিল করলেন বাম নেতৃত্ব। পা মেলালেন সীতারাম ইয়েচুরি, বিমান বসুরা। CPM সাধারণ সম্পাদকের দাবি, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির নিরিখে এই মুহুর্তে নেতাজির আর্দশ আরও বেশি প্রাসঙ্গিক।উপলক্ষ্য নেতাজির জন্মদিবস পালন। মিছিলে সীতারাম ইয়েচুরি-বিমান বসুরা। বাম নেতাদের পাশে নিয়ে ওয়েলিংটন থেকে ধর্মতলায় নেতাজি মূর্তি পর্যন্ত পথ হাঁটলেন CPM সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি। মিছিল শেষে নেতাজি মূর্তিতে মালা দিলেন। ভোটের বিপর্যয়ের পর থেকে বদলানোর চেষ্টা শুরু করেছে CPM। রক্ষণশীলতা ঝেড়ে ফেলতে চায় দল। আরও বেশি জনসংযোগই এখন বাম নেতৃত্বের পাখির চোখ।
"মৃত্যুবার্ষিকীতে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে শ্রদ্ধা।" কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলির টুইটে তোলপাড় দেশজুড়ে। ব্যক্তিগত টুইট হ্যান্ডেলে অরুণ জেটলি নেতাজিকে শ্রদ্ধা জানান। লিখেছেন, "নেতাজি বীরত্ব ও বলিদানের প্রতীক ছিলেন। মৃত্যুবার্ষিকীতে তিনি নেতাজিকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছেন" বলেও জানান অরুণ জেটলি।
রহস্য। রহস্য। কেবলই রহস্য। এমন এক রাষ্ট্রনায়ক যার মৃত্যু নিয়ে রহস্যের কোনও শেষ নেই। প্রতি পরতে পরতে যেন নয়া মোড় আর নতুন নতুন তথ্য। নেতাজি জীবিত না মৃত? মৃত হলে, কীভাবে হল তাঁর মৃত্যু? কেনই বা লুকিয়ে রাখা হল নেতাজির মৃত্যুর রহস্য! নেতাজির ১১৯ বছরের জন্মজয়ন্তীতে নেতাজি নিয়ে ১৬,৬০০ পাতার একটি নথি প্রকাশ করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। সেখানে নেতাজি সম্পর্কে ১০০টি গোপন তথ্য জনসমক্ষে আনা হয় এবং দাবি করা হয়, ১৯৪৫ সালে তাইপেইয়ের বিমান দূর্ঘটনাতেই মৃত্যু হয় নেতাজির। এবার সেই দাবিকে আরও জোড়ালো করল তাইপেইতে নেতাজির দোভাষী, ৯৮ বছরের কাজুনরি কুনিজুকা। ১৯৪৩ থেকে ১৯৪৫, নেতাজির দোভাষী হিসেবে সবসময় নেতাজির সঙ্গে থাকতেন কুনিজুকা। ব্রিটেনের একটি সংবাদপত্রে কুনিজুকার সাক্ষাৎকারে দাবি করা হয়, ১৮ অগাস্ট ১৯৪৫ সালে তাইপেইয়ের বিমান দূর্ঘটনার পর সেখানেরই একটি হাসপাতালে মৃত্যু হয় নেতাজির।
নেতাজি যুদ্ধপরাধী! ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী এটলিকে লেখা চিঠিতে এমনটাই নাকি লিখেছিলেন জওহরলাল নেহরু! আর এই নথি সামনে আসতেই শুরু হয়েছে বিতর্ক। কংগ্রেসের দাবি চিঠিটি জাল! চিঠিতে নেই নেহরুর কোনও সইও। তাইহোকু বিমান দুর্ঘটনাতেই কী নেতাজির মৃত্যু হয়েছিল? পঁয়তাল্লিশের আঠারোই অগাস্টের পরও কী জীবিত ছিলেন সুভাষচন্দ্র বসু? বিমান দুর্ঘটনায় সুভাষচন্দ্রের মৃত্যু হয়েছে এমনটা সম্ভবত বিশ্বাস করতে পারেননি নেহরু। আর তাই চিঠি লিখে বসেছিলেন তত্কালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ক্লেমেন্স এটলিকে। নেতাজি ফাইল প্রকাশ্যে আসায় সামনে এসছে এমনই একটি চিঠি। আর সেই চিঠি ঘিরেই উত্তাল জাতীয় রাজনীতি। পয়তাল্লিশেরই ডিসেম্বরে এটলিকে নেহরু লিখছেন , বিশ্বস্ত সূত্রে তিনি জানতে পেরেছেন, এটলির চোখে যুদ্ধপরাধী সুভাষ চন্দ্র বসু কে রাশিয়ায় ঢোকার অনুমতি দিয়েছেন স্টালিন।আর এ চিঠি সামনে আসতেই উঠছে একের পর এক প্রশ্ন?