নভেম্বরের শেষের দিকে বিষমদ পান করে শান্তিপুরে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছিল।
মদ তৈরির ক্ষেত্রে পরিশুদ্ধ পানীয় জল ব্যবহার করতে হবে। পাশাপাশি খুব ভালো মানের বিয়ার ব্যবহার করতে হবে।
"আমি চোরদের ভয় পায় না। প্রত্যেকেই জানে পশ্চিমবঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কী করছে।"
"সরকারি মদ বিক্রির টাকা যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে। আর বেআইনি মদ বিক্রির টাকা যায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘরে।"
বিষমদ কাণ্ডে নিহতদের পরিবারের হাতে শুক্রবার ক্ষতিপূরণের চেক তুলে দিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। নদীয়ার শান্তিপুরে বিষমদ কাণ্ডে ইতিমধ্যেই ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এখনও বহু মানুষ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি।
বিষমদ কাণ্ডে ইতিমধ্যেই চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বমি, পেট ব্যাথা, গলা শুকিয়ে আসা, মুখ দিয়ে গ্যাঁজলা বেরনো- মঙ্গলবার রাতে শান্তিপুরের চৌধুরী পাড়ার বেশ কয়েক জন যুবকের মধ্যে একই ধরনের উপসর্গ দেখা দেয়।
নোদাখালিতে বিষমদ কাণ্ডে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়ল। আজ সকালে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এই নিয়ে মারা গেলেন মোট ছ জন। হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি পনের জন। গ্রেফতার করা হয়েছে অভিযুক্ত মদ বিক্রেতা মুজিবর রহমানকে। এদিকে উত্তেজিত জনতা মুজিবরের বাড়ি ও মদের ঠেকে ভাঙচুর চালায়, আগুন ধরিয়ে দেয়।
ফের দক্ষিণ চব্বিশপরগনায় বিষমদে মৃত্যু। কুলতলিতে গত শুক্রবার থেকে এপর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে পাঁচজনের।
সংগ্রামপুর থেকে মাত্র কুড়ি কিলোমিটার দূর। জয়নগর। বিষমদ খেয়ে ফের মৃত্যুর ঘটনা ঘটল। জয়নগরের নয়াপুকুরিয়াতে চোলাইমদ খেয়ে মৃত্যু হয়েছে দুই জন ইটভাটার শ্রমিকের। অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আর তিনজন। মৃত্যুর পর পুলিস প্রথামত তল্লাশি চালাল এলাকায়। ভাঙা হল বেশ কটি চোলাই মদের দোকান।
সংগ্রামপুরের পর এবার চাঁপদানি। বিষমদের কারণে শনিবার গৌরহাটি ইএমআই হাসপাতালে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তিনজনকে স্থানান্তরিত করা হয় চন্দননগর হাসপাতালে। এই নিয়ে গত চারদিনে বিষমদে দশ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ। প্রতিবাদে হাসপাতালের সামনে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বাসিন্দারা। পরে পুলিস গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।