অভিযোগ, গোপন মুহূর্তের ভিডিও দিদির এক বান্ধবীকে পাঠিয়েছিল ভাই।
অভিযোগ, প্রায় ১২ ভরি সোনার গয়না এবং প্রায় দেড় কোটি টাকা নিয়ে পালিয়েছে তাঁর স্ত্রী।
৫৩ বছর পর দাদাকে ফিরে পেলেন ভাই, সৌজন্যে হ্যাম রেডিয়ো
পুলিসি মধ্যস্থতাতেও মীমাংসা হল না। উলুবেড়িয়ার নির্যাতিতা মহিলার ওপর এখন তাঁর মা ও ভাই অত্যাচার চালিয়ে যাচ্ছেন বলেই অভিযোগ জানা যাচ্ছে।
জমি নিয়ে পারিবারিক বিবাদের জের। ভাইকে পিটিয়ে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল দাদা এবং ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে। গতরাতে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগরের বহড়ু-ক্ষেত্র গ্রামপঞ্চায়েত এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। জানা গেছে পারিবারিক একটি জমিকে ঘিরে মিঠানি গ্রামের বাসিন্দা সমরেন্দ্র জলুয়ার সঙ্গে দাদা অমরেন্দ্র জলুয়া এবং ছোট ভাই চন্দ্রনাথ জলুয়ার বিবাদ দীর্ঘদিনের। রবিবার তা চরমে পৌছয়। অভিযোগ দুই পরিবারের লোকজন সমরেন্দ্র জলুয়াকে ব্যাপক মারধর করে। তাতেই সম্ভবত মারা যান ৪৫ বছরের ওই ব্যক্তি। এরপর দেহ ঘরের মধ্যেই ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। প্রতিবেশীদের থেকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় জয়নগর থানার পুলিস। দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্তরা পলাতক।
আকাঙ্ক্ষা হত্যারহস্যের তদন্তে, অসহযোগিতার অভিযোগ ভোপাল পুলিসের বিরুদ্ধে। আকাঙ্ক্ষার পরিবার ও রাজ্য পুলিস, দুপক্ষের তরফ থেকেই উঠেছে এই এক অভিযোগ। আকাঙ্ক্ষার পরিবারের দাবি, মেয়ের কোনও খোঁজখবর না পেয়ে ডিসেম্বরেই ভোপালে যান তাঁর বাবা ও ভাই। ভোপাল পুলিসকে জানানো হয়, আকাঙ্ক্ষা নিখোঁজ। কিন্তু অভিযোগ, ভোপাল পুলিস তাঁদের ফিরিয়ে দেয়। কোনওরকম সহযোগিতা করা হয়নি। পরে উদয়নের বাড়ি গেলেও কোনও সাড়া পাননি তাঁরা। সেযাত্রা তাই ফিরে আসতে বাধ্য হন।
আপনি কি সলমন খানের খুব বড় ভক্ত? তাহলে পরের খবরটা পড়ে আপনাকে চমকাতেই হবে। কারণ, আপনার পছন্দের ভাইজান হয়তো কোনওদিন অভিনেতাই হতেন না। অন্তত তাঁর বাবা সেলিম খান চাননি তেমনটা। বরং, কথাটা বলা ভালো এরকমভাবে যে, সেলিম খান চেয়েছিলেন, তাঁর ছেলেদের মধ্যে অন্তত একজন বড় হয়ে ক্রিকেটার হন। কিন্তু, সলমন, আরবাজ কিংবা সোহেল, সবাই বড় হয়ে হলেন সেই অভিনেতাই। এই কথা জানিয়েছেন স্বয়ং সলমন খানের ভাই সোহেল খান। একটি সাক্ষাত্কার দিতে গিয়ে সোহেল খান জানিয়েছেন, তাঁর বাবা ছেলেবেলায় তিন ভাইকে নিয়ে বিকেলবেলায় জিমখানা মাঠে নিয়ে যেতেন। খুব ইচ্ছে ছিল তাঁর যে, কোনও এক ছেলে যেন বড় ক্রিকেটার হয়ে ওঠে।
৮ মাসের পাকিস্তানি শিশুটা বাঁচিয়ে দিল তার ২ বছরের দিদিকে। নিজের অস্থিমজ্জা দান করে দিদি জিনিয়ার প্রাণ ফেরাল রায়ান। ভারতের কনিষ্ঠতম স্টেম সেল ডোনার পাকিস্তানের এই ছোট্ট শিশু। পাকিস্তানের ছোট্ট শিশুটা প্রাণ ফিরে পেল ভারতে। দুই দেশের সম্পর্কের রসায়ন যাই হোক, পাকিস্তানি শিশুটার প্রাণ ফিরিয়ে দিতে চেষ্টার কসুর করলেন না ভারতীয় চিকিত্সকরা। হেমোফাগোসাইটিক লিম্ফোহিস্টিওসাইটোসিস ধরা পড়ে পাকিস্তানি এই শিশুটির। শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেলে এই রোগটি বাসা বাঁধে। এই রোগ হলে অস্থিমজ্জা শরীরে অস্বাভাবিক কোষ তৈরি করে। এই অস্বাভাবিক কোষ মজ্জার স্বাভাবিক কোষকে খেয়ে ফেলে। বোন ম্যারো প্রতিস্থাপন ছাড়া তখন আর কোনও উপায় থাকে না। পাকিস্তানি পরিবারটি বহু হাসপাতাল ঘুরেছেন। দেখিয়েছেন বহু ডাক্তার। কিন্তু ফল মেলেনি। অবশেষে বেঙ্গালুরু। দক্ষিণ ভারতের চিকিত্সা ব্যবস্থা নিয়ে কারও কোনও সংশয় নেই। কিন্তু চিকিত্সকদের কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ দাতা ও গ্রহীতার বয়স।
বাবা ও ভাইয়ের হাতে খুন হলেন যুবক। তাও যাঁকে মারা হল, তিনিও কিনা সেই বাবারই সন্তান! এরকমই ঘটনা ঘটেছে উত্তর চব্বিশ পরগনার দেগঙ্গায় । পানীয় জল আনাকে কেন্দ্র করে বিবাদের শুরু হয়। আবু সালাম মণ্ডল নামে ওই ব্যক্তি নিজের বাবা শওকত আলি মণ্ডলের গায়ে হাত তোলেন বলে অভিযোগ। সেটা দেখে তাঁর ছোট ভাই শওকত এসে তখন আবু সালামের মাথায় মারে।
সদ্য চিকুনগুনিয়া থেকে সেরে উঠে, আগামিকাল থেকে রাজকোটে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট খেলতে নামবেন ভারতীয় পেস বোলার ইশান্ত শর্মা। আর তার ঠিক এক মাস বাদে ৯ ডিসেম্বর বিয়ে করবেন তিনি। তাই তাঁর আগে বেশ কিছু তথ্য জেনে নিন ইশান্তের স্ত্রীর সম্পর্কে।
মালদহের কালিয়াচকে ফের সালিশি সভার মাতব্বরী। দুই প্রতিবেশীর বাড়ির সীমানা নিয়ে ঝামেলা মেটাতে সালিশ বসে। সভার নিদান না মানায় মারধর করা হয়।গুরতর জখম হয়ে হাসপাতালে ভর্তি তিনজন।
দিদিকে কটূক্তির প্রতিবাদ করায় আক্রান্ত হলেন ভাই। মদ্যপ যুবকদের হাত থেকে ছেলেকে বাঁচাতে গেলে বাবাকেও মারধর করে তারা। ইংরেজবাজারের থানার যদুপুরের নাগারপাড়া এলাকার ঘটনা।
দাদা বেআইনি মদ বিক্রি করেন। প্রতিবাদ করায় আক্রান্ত হলেন মদ ব্যবসায়ীর ভাই। নিজের ভাইয়ের চোখ উপড়ে নেওয়ার চেষ্টা করলেন অভিযুক্ত দাদা। ঘটনাটি ঘটেছে মালদের কালিয়াচকের বাঙ্গিটোলা গ্রামে।
নাবালিকাকে অপহরণ করে বিয়ে করার অভিযোগ উঠল তৃণমূল কাউন্সিলরের ভাইয়ের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে মেদিনীপুর শহরের হর্ষণদিঘি পাড় এলাকায়।
ওঁরা দুই ভাই। ওঁরা দুজনই ফুটবলার। ভাবছেন, এ আর এমনটা কী! এটা তো এই প্রথম নয়। ঠিক কথা। কিন্তু ওঁরা দুই ভাই দুই দেশের হয়ে খেলেন। সেটাই বা নতুন কী! সেটাও তো এই পৃথিবীতে এর আগেও হয়েছে বেশ কয়েকবার।
দুই ভাই। দু’জনকে ঠিক একইরকম দেখতে। যমজ যে! তবে শুধু দেখাতেই নয়। মিল আরও অনেক কিছুতেই। দুজনের নামই জেমস। ছোটোবেলায় দুজনেই কুকুর পুষত। নাম ছিল টয়। এরপর দুই জেমসই বড় হয়। দুজনেই দুবার বিয়ে করেন। চমক সেখানেও...
দুহাজার তেরোর সাতই জুন থেকে দুহাজার ষোলর আঠাশে জানুয়ারি। দুবছর সাত মাস একুশ দিনের মাথায় বিচার পেতে চলেছে কামদুনি। মাঝের এই সময়টায় ঘাত-প্রতিঘাত এসেছে বারবার। শাস্তি চাই। বারবার গর্জে উঠেছে কামদুনি। সেই প্রথম দিন থেকে। তাড়াতাড়ি বিচারের আশ্বাস দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তবু বিচারের বাণী ঘোষণা হতে লেগে গেল প্রায় দুবছর আট মাস। মাঝের এই সময়টা নানা ভাবে দীর্ঘায়িত হয়েছে বিচার প্রক্রিয়া।