হাসপাতালে গিয়ে বিষমদকাণ্ডে অসুস্থদের সঙ্গে কথা বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।
পুলিশ এবং আবগারি দফতরের বিরুদ্ধে নিস্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলছেন খাগড়াগরের বাসিন্দারা। সঠিক নজরদারী থাকলে এমনটা হত না বলে অভিযোগ তাঁদের। খাবারের হোটেলে কী ভাবে মদ বিক্রি হয় এই নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন এলাকার মানুষজন।
সূত্রের খবর ওইসব অসুস্থরা সবাই একসঙ্গে বসে মদ খায়নি। ফলে কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল খোঁজ খবর নিয়ে দেখছে পুলিস
সংগ্রামপুর বিষ মদকাণ্ডে খোঁড়া বাদশাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা শোনালেন বিচারপতি।
সংগ্রামপুর, মগরাহায় সহ সন্নিহিত এলাকায় বিষমদ খেয়ে মৃত্যু হয় মোট ১৭৩ জনের
উত্তরপ্রদেশের একটি জেলাতেই বিষমদ খেয়ে মারা গিয়েছেন কমপক্ষে ৫৯ জন।
মদ তৈরির ক্ষেত্রে পরিশুদ্ধ পানীয় জল ব্যবহার করতে হবে। পাশাপাশি খুব ভালো মানের বিয়ার ব্যবহার করতে হবে।
"আমি চোরদের ভয় পায় না। প্রত্যেকেই জানে পশ্চিমবঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কী করছে।"
"সরকারি মদ বিক্রির টাকা যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে। আর বেআইনি মদ বিক্রির টাকা যায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘরে।"
বিষমদ কাণ্ডে নিহতদের পরিবারের হাতে শুক্রবার ক্ষতিপূরণের চেক তুলে দিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। নদীয়ার শান্তিপুরে বিষমদ কাণ্ডে ইতিমধ্যেই ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এখনও বহু মানুষ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি।
বিষমদ কাণ্ডে ইতিমধ্যেই চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বর্ধমানের গলসির রেশ কাটার আগেই ফের ধাক্কা। রাজ্যে আবারও বিষমদে মৃত্যুমিছিল। এবার দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার নোদাখালিতে। এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে পাঁচ জনের। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে আরও ১৫ জন। ঘটনার পর থেকেই ফেরার মদের দোকানের মালিক।
পূর্ব মেদিনীপুরের ময়নার বিষমদকাণ্ডে গ্রেফতার হল মূল অভিযুক্ত মানিক রুই দাস এবং চন্দন সাঁতরা। বারাসত থেকে তাদের গ্রেফতার করেছে পুলিস। এ নিয়ে মোট ৩২ জনকে গ্রেফতার করল পুলিস। ইতিমধ্যেই বিষমদ কাণ্ডে ২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এখনও অসুস্থ প্রায় ৫০জন।
ফের দক্ষিণ চব্বিশপরগনায় বিষমদে মৃত্যু। কুলতলিতে গত শুক্রবার থেকে এপর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে পাঁচজনের।
তারাপিঠে বিষ মদ খেয়ে মৃত্যু হল ৭ জনের। আশঙ্কাজনক ৫০ জনেরও বেশি। গতকাল রাতে কুতুবপুর থেকে তারাপিঠ শ্মশানে দেহ সত্কারে এসে মদ্যপান করেন তাঁরা। এরপরেই অসুস্থ হয়ে পড়েন প্রত্যেকেই। স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে মৃত্যু হয় চারজনের।