Midnapur: যার বিরুদ্ধে চোলাই মদের ব্যবসার অভিযোগ সেই অসিত ভূঁইয়া অবশ্য অদ্ভুত দাবি করেছেন, তার বাড়িতে কোনো চোলাই মদ বিক্রি হয় না
প্রশাসন ও আবগারি দফতরের ভূমিকায় ক্ষোভ স্থানীয়দের।
নভেম্বরের শেষের দিকে বিষমদ পান করে শান্তিপুরে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছিল।
এবার থেকে প্রত্যেকে জেলার প্রত্যন্ত গ্রামগুলিতে চোলাই বিক্রির উপর নজর রাখবে সেই এলাকার স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলি
নভেম্বরেই নদিয়ার শান্তিপুরে চোলাই মদে বিষক্রিয়ার ফলে নদিয়ার শান্তিপুরে বিষমদ কাণ্ডে ইতিমধ্যেই ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে।
"আমি চোরদের ভয় পায় না। প্রত্যেকেই জানে পশ্চিমবঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কী করছে।"
"সরকারি মদ বিক্রির টাকা যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে। আর বেআইনি মদ বিক্রির টাকা যায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘরে।"
বিষমদ কাণ্ডে নিহতদের পরিবারের হাতে শুক্রবার ক্ষতিপূরণের চেক তুলে দিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। নদীয়ার শান্তিপুরে বিষমদ কাণ্ডে ইতিমধ্যেই ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এখনও বহু মানুষ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি।
বমি, পেট ব্যাথা, গলা শুকিয়ে আসা, মুখ দিয়ে গ্যাঁজলা বেরনো- মঙ্গলবার রাতে শান্তিপুরের চৌধুরী পাড়ার বেশ কয়েক জন যুবকের মধ্যে একই ধরনের উপসর্গ দেখা দেয়।
বমি, পেট ব্যাথা, গলা শুকিয়ে আসা, মুখ দিয়ে গ্যাঁজলা বেরনো- মঙ্গলবার রাতে শান্তিপুরের চৌধুরী পাড়ার বেশ কয়েক জন যুবকের মধ্যে একই ধরনের উপসর্গ দেখা দেয়।
২০১১ সালের ডিসেম্বর মাসে সংগ্রামপুর বিষমদ কাণ্ড ঘটে। বিষমদ খেয়ে মৃত্যু হয় মগরাহাট, উস্তি-সহ ডায়মন্ড হারবার মহকুমার বিস্তীর্ণ এলাকায় ১৭৩ জনের।
প্রথমে ঝুপড়িতে যাওয়া মাত্রই, পুলিসকে দেখে স্থানীয়দের মধ্যে গুঞ্জন শুরু হয়। স্থানীয়দের মধ্যেই চলতে থাকে নিজেকে আড়াল চরম প্রয়াস। তাতেই আরও ভালোভাবে নিশ্চিত হয় পুলিস। একটি ঝুপড়িতে হানা দিতেই ফাঁস হয় সব কিছু।
বেআইনি মদের বিরুদ্ধে অভিযানে পুলিসকে সাহায্যের শাস্তি। বিবস্ত্র করে মহিলাকে রাস্তায় ঘোরাল দুষ্কৃতীরা। নারী নির্যাতনে ফের উঠে এল দিল্লির নাম। মহিলা কমিশন চেয়ারপার্সন স্বাতী মালিওয়ালকেও দুষ্কৃতীরা। হেনস্থার হুমকি দেয় বলে নির্যাতিতা মহিলার অভিযোগ।
ফের দক্ষিণ চব্বিশপরগনায় বিষমদে মৃত্যু। কুলতলিতে গত শুক্রবার থেকে এপর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে পাঁচজনের।
গতকাল ফের বিষ মদে মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনায়। এবার জয়নগরে। জয়নগরের বেলিয়াচণ্ডী এলাকায় মৃত্যু হয়েছে ছয় জনের। অসুস্থ চারজন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
কেটে গেছে গোটা একটা বছর। একবছর আগের এই দিনটাতেই বিষাক্ত মদ কেড়ে নিয়েছিল ১৭৩ জনের প্রাণ। দক্ষিণ ২৪ পরগনার সংগ্রামপুর, মগরাহাট, মন্দিরবাজার এলাকাগুলি গ্রাস করেছিল স্বজনহারানোর বেদনা। গ্রেফতার হয়েছে বিষ মদ তৈরির পাণ্ডা খোঁড়া বাদশা সহ বেশ কয়েকজন।
সংগ্রামপুর বিষমদ কাণ্ডে হাইকোর্টের নির্দেশে, ক্ষতিপূরণে স্থগিতাদেশের মেয়াদ আরও ৬ সপ্তাহ বাড়ল। গত ৬ ফেব্রুয়ারি রাজ্য সরকারের ঘোষিত ক্ষতিপূরণের ওপর স্থগিতাদেশ জারি করে আদালত। বিষমদ কাণ্ডে সরকার ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করার পর হাইকোর্টে দুটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়। একটি মামলায় ক্ষতিপূরণের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়।
সংগ্রামপুর বিষমদকাণ্ডে চার্জশিট পেশ করল সিআইডি। মূল অভিযুক্ত খোঁড়া বাদশাসহ মোট ২৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে চার্জশিটে। শনিবার ডায়মণ্ডহারবার মহকুমা আদালতে চার্জশিট জমা পড়ে।
সংগ্রামপুর বিষমদ কাণ্ডে মূল অভিযুক্ত খোঁড়া বাদশাকে আড়াল করতে,সাক্ষীদের ভয় দেখানো হচ্ছে।এই মর্মেইতিমধ্যেই মগরাহাট থানায় লিখিত অভিযোগদায়ের করা হয়েছে।
সংগ্রামপুর বিষমদ কাণ্ডে নিহতদের পরিবার পিছু ক্ষতিপূরণের সরকারি সিদ্ধান্তের উপর স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। প্রধান বিচারপতি জে এন প্যাটেল ও বিচারপতি সম্বুদ্ধ চক্রবর্তীর বেঞ্চ এই নির্দেশ দিয়েছে। বিষমদ কাণ্ড নিয়ে তাদের নীতি স্পষ্ট করতে বলে, রাজ্য সরকারকে ৪ সপ্তাহ সময় দিয়েছে হাইকোর্ট। রিপোর্ট তলব করা হয়েছে আবগারি দফতর এবং সিআইডির কাছ থেকেও।
আগের সরকারই রাজ্যের প্রায় প্রতিটি ব্লকে চোলাইয়ের ঠেক খোলার ব্যাপারে সরকারিভাবে মদত জুগিয়েছে। এই অভিযোগ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিষমদকাণ্ডের বিরুদ্ধে জনচেতনা গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে আজ এক পদযাত্রায় সামিল হন মুখ্যমন্ত্রী।
বিষমদ কাণ্ডে অভিযুক্ত খোঁড়া বাদশার মূল সহযোগী আবু বক্কর সহ চারজনকে গ্রেফতার করল সিআইডি। ধৃতদের মধ্যে খোঁড়া বাদশার স্ত্রী নুরজাহানও রয়েছে। গতকাল ক্যানিংয়ের বিদ্যাধরী কলোনী থেকে সিআইডি তাদের গ্রেফতার করে।