এক্সিট পোলের হিসেব মেলেনি। লোকসভা ভোটে বাংলার ৪২ আসনে মধ্যে ২৯টিতেই জিতেছে তৃণমূল। বিজেপির হাত থেকে বেশ কয়েকটি আসন ছিনিয়েও নিয়েছেন তারা। যেমন, কোচবিহার। এদিন কোচবিহারে ভালো ফলের জন্য মন্ত্রী উদয়ন গুহের প্রশংসা করেন মুখ্য়মন্ত্রী।
'যাঁরা বলছেন সরকার বেশিদিন চলবে না, তাঁদের দল কতদিন স্থায়ী থাকে, সেটাই দেখার দরকার। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী যিনি ভোটের পর জোট বুঝে নেবেন বলেছিলেন তিনি তো দায়িত্ব নিতে পারেন, তার তো গ্রহণযোগ্যতা আছে। তিনিই একমাত্র প্রতিষ্ঠিত মুখ, যিনি এবার ২৯-১২ ফলাফল করে দিয়েছেন। তিনি দায়িত্ব নিয়ে অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে আনুন কেন্দ্রে। নরেন্দ্র মোদী সরকারকে ফেলার ব্যবস্থা করুন। আমাদের দলের পক্ষ থেকে পশ্চিমবঙ্গ শাখার পক্ষ থেকে বলছি'।
বাংলায় যখন ৪২ আসনে একাই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল তৃণমূল, তখন জোট বেঁধেছিল কংগ্রেস ও সিপিএম। কিন্তু সেই জোটে ছিল না ISF। একতরফাভাবেঅ ১২ আসনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করে দিয়েছিল তারা। নওশাদের দাবি, 'প্রথমে তো অধীরবাবু বেরিয়ে গিয়েছিল, তারপর বামেরা আমাদের সঙ্গে জোট করেনি। অনেকে হয়তো তৃণমূলের ২৯টা পাইয়ে দেওয়ার জন্য় রাজনীতি করেছে। যাঁরা জোট করতে চায়নি। কারণটা কী , সেটা তো পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে'।
এ রাজ্যে লোকসভা ভোটে বেনজির সবুজ ঝড়। ঘাসফুল ফুটেছে হুগলি লোকসভা কেন্দ্রেও। এই কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় ৭৬,৮৫৩ ভোটে হারিয়ে দিয়েছেন বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়কে। গতবার হুগলিতে জিতেছিলেন লকেট।
জিতেছেন বেশিরভাগই, আবার হেরেছেনও কেউ কেউ। স্রেফ তৃণমূল নয়, এবারের লোকসভা ভোটে রাজ্যে অনেকে কেন্দ্রেই দলের বিধায়কদের প্রার্থী করেছিল বিজেপিও। নিময় অনুয়ায়ী, জয়ী এবং পরাজিত প্রার্থীদের বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন হবে।
এক্সিট পোলের তথ্য মেলেনি। দিল্লিতে এবার আর এককভাবে সরকার করতে পারবে না বিজেপি। চব্বিশের লোকসভা ভোটে যখন সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে NDA জোট, তখন দুশোরও বেশি আসনে জিতেছে বিরোধীদের ইন্ডিয়া জোটও। তাহলে কীসের ভিত্তিতে এই এক্সিট পোল? কারাই-বা করল? এই প্রশ্ন তুলেছিল জি নিউজ। এবার সেই একই কথা শোনা গেল রাহুল গান্ধীর মুখে।
ভবানীপুরে ঘাসফুল শিবিরের প্রার্থী মালা পেয়েছেন ৬২,৪৬১ ভোট, আর গেরুয়াশিবিরের প্রার্থী দেবশ্রী ৫৪,১৬৪। ১৪ হাজার ৬ ভোট গিয়েছে সিপিএম প্রার্থী সায়রা শাহ হালিমের ঝুলিতে। পাশের রাসবিহারী বিধানসভা তৃণমূল ও বিজেপির ভোটের ব্যবধান আরও কম। কত? ১ হাজার ৬৯১।
দিল্লিতে এবার আর এককভাবে সরকার করতে পারবে না বিজেপি। চব্বিশের লোকসভা ভোটে যখন সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে NDA জোট, তখন দুশোরও বেশি আসনে জিতেছে বিরোধীদের ইন্ডিয়া জোটও। এবার রণকৌশল কী হবে? ফলপ্রকাশের দিল্লিতে ফের বৈঠকে বসেছিল কংগ্রেস ও তার সহযোগী দলের নেতারা। বৈঠকে মমতার দূত হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। কবে? আজ, বুধবার।
চব্বিশ লোকসভা ভোটে যখন দুশো পেরিয়ে গেল বিরোধীদের ইন্ডিয়া জোট, তেমনি একক সংখ্য়াগরিষ্ঠতা পেল না বিজেপি। এখন সরকার যদি গঠন করতে হয়, সেক্ষেত্রে NDA শরিকদের সমর্থন প্রয়োজন।
২০১৯-এ যে আসন থেকে জিতেছিলেন বিজেপির বিজেপির তৎকালীন রাজ্য সভাপতি, ২০২৪-এ সেই মেদিনীপুরে প্রার্থী ছিলেন অগ্নিমিত্র পল। বর্ধমান-দুর্গাপুর কেন্দ্র থেকে ভোট লড়েছিলেন দিলীপ, কিন্তু জিততে পারেননি। লোকসভা ভোটের ফল প্রকাশিত। আজ, বুধবার অভ্য়ন্তরীণ বৈঠকে বসেছিল তৃণমূল নেতৃত্ব।