ওয়ানডের 'সাপলুডোর' র‌্যাঙ্কিংয়ের লড়াইয়ে শীর্ষস্থানে ভারত

Update: January 21, 2013 12:46 IST

দুর্দিনের মাঝেই হঠাত্‍ ফিরল সুদিন। একের পর এক হারের ধাক্কার মাঝে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে জোড়া ম্যাচ জয়টা আইসিসি ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ে এক নম্বরে উঠে এল মহেন্দ্র সিং ধোনির দল। সেই সঙ্গে পার্লে দক্ষিণ আফ্রিকা নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে হারায় ধোনিদের এক নম্বরে ওঠার রাস্তাটা সুগম করে দেয়।

রাঁচি ওয়ানডেতে বিরুদ্ধে জয়ের সুবাদে আইসিসির র‌্যাঙ্কিং পদ্ধতিতে ইংল্যান্ডকে টপকে শীর্ষাসন দখল করে মহেন্দ্র সিং ধোনির দল। তবে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে মোহালিতে সিরিজের চতুর্থ ওয়ানডে তে হারলেই ইংল্যান্ড আবার ভারতকে টপকে শীর্ষ উঠে যাবে।
ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ে এক নম্বরে থাকা ভারতের পয়েন্ট ১১৯। দুই নম্বরে থাকা ইংল্যান্ডের পয়েন্ট ১১৮। তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে আছে যথাক্রমে দক্ষিণ আফ্রিকা ও শ্রীলঙ্কা। ২০০৯ শ্রীলঙ্কায় ত্রিদেশীয় সিরিজ চলাকালীন ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ে খুব কম সময়ের জন্য এক নম্বরে উঠেছিল ভারত।

এর আগে ২০০৯, ডিসেম্বরে মহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বে টেস্ট র‌্যাঙ্কিংয়ে এক নম্বরে উঠেছিল ভারত।







Post Your Comment

Total Comments:3

I am very happr.

i dont know why dhoni likes to take those players,who r from chenai superkings for playing 11......he is very intelegent....he is doing his job from behind...where lote of good player are there..like pujara,manoj tewari...who r better than jadeja..who performe 3 bad...after that 1 good...

best of luck ... we r always with our team...

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।