গুজরাটে ১৫-২০ জন বিধায়ক কংগ্রেস ছাড়তে প্রস্তুত, দাবি অল্পেশ ঠাকোরের

তাঁর দাবি, এই পরিস্থিতিতে কংগ্রেসের অর্ধেক বিধায়ক হতাশ। তাঁদের কথা দলের শীর্ষ নেতৃত্ব ভাবছে না।

Updated By: May 28, 2019, 02:06 PM IST
গুজরাটে ১৫-২০ জন বিধায়ক কংগ্রেস ছাড়তে প্রস্তুত, দাবি অল্পেশ ঠাকোরের

নিজস্ব প্রতিবেদন: লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের চরম ধাক্কা খাওয়ার পর এখনও এক সপ্তাহ কাটেনি। তারই মধ্যে ফের বড়সড় বিপদের মুখে রাহুল গান্ধীর দল। এবার নরেন্দ্র মোদীর রাজ্যেই সঙ্কটে পড়তে পারে কংগ্রেস।

আর সেই সঙ্কটের কথা সোমবার জানিয়েছেন অল্পেশ ঠাকোর। ২০১৭ সালে যিনি কংগ্রেসের টিকিটে ভোটে জিতে বিধায়ক হয়েছিলেন। লোকসভা নির্বাচন ঘোষণার কয়েকদিন আগেই অল্পেশ তোপ দেগেছিলেন রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে। আরও দুই বিধায়ককে সঙ্গে নিয়ে দল ছাড়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন।

আরও পড়ুন: গরিব ও পিছিয়ে পড়া শ্রেণির ভোটেই লোকসভায় মোদীর মহাবিজয়

এবার অল্পেশের দাবি, গুজরাটে আরও ১৫-২০ জন কংগ্রেস বিধায়ক দল ছাড়ার জন্য প্রস্তুত। শীঘ্রই তারা কংগ্রেস ছাড়বেন। কেন এই বিধায়করা দল ছাড়তে চাইছেন, সেই ব্যাখ্যাও দিয়েছেন অল্পেশ। তাঁর বক্তব্য, কংগ্রেস নেতার অভাবে ভুগছে। এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে কংগ্রেস আগামী দশ বছরেও ক্ষমতায় ফিরতে পারবে না।

২০১৭ সালের লোকসভা নির্বাচনে গুজরাটে ভালো লড়াই করেছিল কংগ্রেস। কোনওরকমে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছিল বিজেপি। কিন্তু সাম্প্রতিক লোকসভা নির্বাচনে ফের বিজেপির হাওয়া জোরদার হয়েছে। গুজরাটের ২৬টি লোকসভা আসনেই বিজেপি জিতেছে। কংগ্রেসের ঝুলি থেকেছে শূন্য।

অল্পেশের দাবি, এই পরিস্থিতিতে কংগ্রেসের অর্ধেক বিধায়ক হতাশ। তাঁদের কথা দলের শীর্ষ নেতৃত্ব ভাবছে না। ফলে তাঁরা চাইলেও সাধারণ মানুষের জন্য সঠিক ভাবে কাজ করতে পারছেন না। তাই সকলেই চাইছেন সরকারি সহায়তা নিয়ে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতে।

আরও পড়ুন: ২০২০ সালের নভেম্বরের মধ্যেই রাজ্যসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠ হবে মোদী সরকার

সোমবার সংবাদসংস্থা এএনআই-এর কাছে গুজরাটের এই বিধায়ক দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রীর পদে বসার অপেক্ষায় থাকা নরেন্দ্র মোদী ও কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীকে নিয়েও মুখ খুলেছেন। তাঁর কথায়, তিনি মোদীকে শ্রদ্ধা করেন। রাহুলের সঙ্গেও তাঁর সম্পর্ক ভালো। কিন্তু নেতৃত্বের প্রশ্নে মোদী রাহুলের থেকে অনেক এগিয়ে। দু’জনের মধ্যে কোনও তুলনাই চলে না।

প্রসঙ্গত, সোমবারই গুজরাটের উপমুখ্যমন্ত্রী নিতিন প্যাটেলের সঙ্গে দেখা করেন অল্পেশের। গান্ধীনগরে নিতিনের অফিসে বৈঠক হয়। প্রায় আধঘণ্টা ধরে চলে বৈঠক। সেখানে অল্পেশ ঘনিষ্ঠ আরও একজন বিধায়কও উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: ৩০ মে সন্ধ্যায় ৭টায় দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রিত্বের শপথ নরেন্দ্র মোদীর

তার পর থেকে অল্পেশের বিজেপিতে যোগদানের জল্পনা আরও বেড়েছে। কংগ্রেসের বিধায়কদের দল ছাড়ার সম্ভাবনার কথা বলে সেই জল্পনাতেই ইন্ধন দিলেন অল্পেশ। কিন্তু বিজেপিতে যোগদানের বিষয়টি সোমবারও অস্বীকার করেছেন অল্পেশ। তাঁর কথায়, তিনি একজন বিধায়ক। এলাকার উন্নয়নের জন্য সরকারি সাহায্যের প্রয়োজন। সেই কারণেই তিনি বিজেপির নেতাদের সঙ্গে সংযোগরক্ষা করে চলেন।

.