close

News WrapGet Handpicked Stories from our editors directly to your mailbox

মোদীর প্রত্যাবর্তনের আভাস পেয়ে কর্ণাটকে জোট থেকে 'এক্সিট' করছেন কুমারস্বামী?

দিল্লিতে বিরোধী জোটের বৈঠক এড়ালেন কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী। 

Updated: May 21, 2019, 03:37 PM IST
মোদীর প্রত্যাবর্তনের আভাস পেয়ে কর্ণাটকে জোট থেকে 'এক্সিট' করছেন কুমারস্বামী?

নিজস্ব প্রতিবেদন: বুথফেরত সমীক্ষার ফলে মোদী সরকারের প্রত্যাবর্তনের ইঙ্গিতের পর বিরোধী জোটে ভাঙন? মঙ্গলবার দিল্লিতে বিরোধী দলগুলির বৈঠকে গরহাজির থাকলেন কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী এইচডি কুমারস্বামী। মুখ্যমন্ত্রীর দফতর থেকে জানানো হয়েছে, বৈঠকে অনুপস্থিত থাকবেন কুমারস্বামী। 

জেডিএস-কংগ্রেস জোট বাঁধলেও কর্ণাটকে মোদী ঝড় থামানো যাচ্ছে না বলে ইঙ্গিত দিয়েছে সবকটি সমীক্ষক সংস্থা। এই অবস্থায় কুমারস্বামীর অনুপস্থিতিতে তৈরি হয়েছে জল্পনা। কর্ণাটকে দ্বিতীয় বৃহত্তম দল হলেও বিজেপিকে ঠেকাতে কুমারস্বামীকে মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছেড়ে দিয়েছে কংগ্রেস। জোটের শুরু থেকেই দুই দলের মধ্যে চলছে মতানৈক্য। এমনকি প্রকাশ্যে কেঁদেও ফেলেছেন কুমারস্বামী। 

এর মধ্যে আবার রোশন বেগ দলের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে বসেছেন। তাঁর কথায়,''কেসি বেণুগোপাল একটা ভাঁড়। রাহুল গান্ধী জন্য খারাপ লাগছে। বেণুগোপালের মতো ভাঁড়, সিদ্দারামাইয়ার ঔদ্ধত্য ও গুন্ডু রাওয়ের ফ্লপ শোয়ের ফল ভোগ করতে হচ্ছে কংগ্রেসকে''। বেগের দাবি, রাজ্যে মন্ত্রক বিক্রি করা হয়েছে। এর সঙ্গে কুমারস্বামীর কোনও যোগ নেই। তাঁকে কাজ করতেই দেওয়া হচ্ছে না। প্রথম দিন থেকে মুখ্যমন্ত্রী পদের জন্য গোঁ ধরে রয়েছেন সিদ্দারামাইয়া। সরকার পতনের জন্য সিদ্দাকেই কাঠগড়ায় তোলা উচিত বলে মনে করেন বেগ। 

বলে রাখি, কর্ণাটকে মাসখানেক আগেও সরকার গঠনের চেষ্টা করেছিল বিজেপি। রাজনৈতিক মহলের মতে, লোকসভা ভোটের আগে সরকার ফেলে দিলে বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে, এমন আশঙ্কার বেশি দূর এগোয়নি গেরুয়া শিবির। কিন্তু ২৩ মে বুথ ফেরত সমীক্ষার আভাস মিলে গেলে কর্ণাটকে ঝাঁপিয়ে পড়বে বিজেপি। এমনিতেই দক্ষিণের এই রাজ্যে কংগ্রেস-জেডিএস জোটের অবস্থা ভঙ্গুর। সেই সুযোগে ফায়দা তুলতে পারেন মোদী-শাহ। এদিকে আবার মধ্যপ্রদেশেও কংগ্রেস সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে নেমে পড়েছেন শিবরাজ সিং চৌহান। সে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা গোপাল ভর্গভ রাজ্যপাল আনন্দিবেন প্যাটেলকে চিঠি দিয়ে জানান, বিভিন্ন ইস্যুকে খাঁড়া করে রাজ্যপালের কাছে বিশেষ অধিবেশনের দাবি জানানো হয়েছে। ঘোড়া কেনাবেচায় বিশ্বাস করি না। কিন্তু এ সরকারের ক্ষমতায় থাকার দিন ফুরিয়েছে। তাঁর বিস্ফোরক অভিযোগ, কমল নাথ সরকারের কাজকর্মে অখুশি একাংশ কংগ্রেস বিধায়ক। তাঁরা দল ছাড়ারও হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ গোপাল ভর্গভের।

আরও পড়ুন- গতবার মোদী ঝড়ের ইঙ্গিত অক্ষরে অক্ষরে মিলিয়ে এবার সুনামির আভাস টুডেজ চাণক্যর