বিজ্ঞানীদের পরাক্রম ও ১৩০ কোটি দেশবাসীর ইচ্ছাশক্তির প্রকাশ সফল চন্দ্রযান-২-এর উত্ক্ষেপণে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আরও বলেন, চাঁদের কুমেরু প্রান্তে অভিযান নামবে চন্দ্রযান, যা অভিনব। দেশের তরুণ প্রজন্মকে বিজ্ঞান গবেষণায় আরও উদ্বুদ্ধ করবে চন্দ্রযান-২।

Updated By: Jul 22, 2019, 04:11 PM IST
বিজ্ঞানীদের পরাক্রম ও ১৩০ কোটি দেশবাসীর ইচ্ছাশক্তির প্রকাশ সফল চন্দ্রযান-২-এর উত্ক্ষেপণে: প্রধানমন্ত্রী
ছবি-টুইটার

নিজস্ব প্রতিবেদন: শেষমেশ সফল উত্ক্ষেপণ হল চন্দ্রাযান-২ রকেট বাহুবলী। সোমবার দুপুর ২.৪৩ মিনিটে চন্দ্রযান-২ কে নিয়ে উড়ে গেল জিওসিঙ্ক্রোনাস স্যাটেলাইট লঞ্চ ভিহেকল। সফল উত্ক্ষেপণে পর ইসরোর বিজ্ঞানীদের শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। টুইটে তিনি জানান, ঐতিহাসিক মুহূর্ত সাক্ষী রইলাম আমরা। বিজ্ঞানীদের পরাক্রম এবং ১৩০ কোটি দেশবাসীর ইচ্ছাশক্তি প্রকাশ পেল চন্দ্রযান-২-এর উত্ক্ষেপণে। প্রত্যেক নাগরিকের আজ গর্বের দিন।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আরও বলেন, এক সপ্তাহ আগে চন্দ্রযানের যে ত্রুটি দেখা গিয়েছিল, অত্যন্ত দক্ষতা এবং তত্পরতার সঙ্গে সেই ত্রুটি সারিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। এক সপ্তাহ পর উত্ক্ষেপণ হলেও পূর্ব নির্ধারিত সময়েই অবতরণ হবে চন্দ্রযান-২। এর থেকেই আমাদের বিজ্ঞানীদের প্রতিভার প্রমাণ মেলে। নরেন্দ্র মোদী আরও বলেন,  চাঁদের কুমেরু প্রান্তে অভিযানে নামবে চন্দ্রযান, যা অভিনব। পাশাপাশি তাঁর দাবি, দেশের তরুণ প্রজন্মকে বিজ্ঞান গবেষণায় আরও উদ্বুদ্ধ করবে চন্দ্রযান-২।  শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান মহাকাশ কেন্দ্র থেকে চাঁদের পথে পাড়ি জমাল ভারতের দ্বিতীয় চন্দ্রযান। ১৬ মিনিটের উড়ানের শেষে মহাকাশে নির্দিষ্ট কক্ষপথে চন্দ্রযানকে পৌঁছে দেবে রকেট বাহুবলী।

ভারতের সব থেকে শক্তিশালী রকেটে করে চাঁদে পাড়ি দেবে চন্দ্রযান-২ স্যাটেলাইট। জিওসিঙ্ক্রোনাস স্যাটেলাইট লঞ্চ ভিহেকেল(GSLV) মার্ক থ্রি-এর মাধ্যমে চাঁদে পাঠানো হচ্ছে চন্দ্রযান-২। লঞ্চ ভিয়েকেল-এ থাকছে একটি অর্বিটার, বিক্রম নামের একটি ল্যান্ডার এবং রোভার প্রজ্ঞান। সেপ্টেম্বরে পৌঁছনো যাবে চাঁদের বুকে। চন্দ্রযান-২-এর অভিযানে খরচ প্রায় ১,০০০ কোটি টাকা।

আরও পড়ুন- মাত্র ১ দিনেই রকেটের ত্রুটি সারিয়ে ফেলেছিলেন বিজ্ঞানীরা, সফল উৎক্ষেপণের পর জানালেন ইসরো প্রধান

সম্পূ্র্ণ ভারতে বানানো চন্দ্রযান-২-এর ওজন ৩.৮ টন। অর্বিটারটি চন্দ্রপৃষ্ঠের ও চাঁদের খনিজের ছবি তুলবে ও ম্যাপিং করবে। ল্যান্ডার অংশের ওজন  ১,৪৭১ কিলোগ্রাম। চাঁদের ভূমিকম্প ও চাঁদের তাপমাত্রা সংক্রান্ত পর্যবেক্ষণ করবে এটি। পাশাপাশি প্রজ্ঞান নামের ২৭ কিলোগ্রামের ছয় চাকার চলমান যানের মাধ্যমে চাঁদের মাটির পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে। মূলত, চাঁদের দক্ষিণ প্রান্তে পর্যবেক্ষণ চালাবে প্রজ্ঞান। ১৪ দিন ধরে চাঁদের আধ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে সফর করবে এই রোভার।