)
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: একেই বলে কপাল। বেআইনিভাবে বিস্ফোরক ও আগ্নেয়াস্ত্র মজুত রাখার অভিযোগ ছিল পাথর ব্যবসায়ী মনোজ ঘোষের বিরুদ্ধে। কেন্দ্রীয় সংস্থা এনআইএ-এর হাতে সোমবারই গ্রেফতার হয়েছিলেন এহেন তৃণমূল প্রার্থী। তবে এতে ভোটবাক্সে প্রভাব পড়েনি। মঙ্গলবার ফলপ্রকাশের পর দেখা গেল জিতলেন মনোজ ঘোষ। বীরভূমের লহাটির বানিওর গ্রামপঞ্চায়েতের তৃণমূল প্রার্থী ছিলেন মনোজ ঘোষ। ৩০৯ ভোটে জিতলেন তিনি। সোমবার এনআইএ-এর একটি দল নলহাটি থানায় পৌঁছয়। সেখানে বেশ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠানো হয়। প্রত্যেকেই পাথর ব্যবসায়ী। তালিকায় নাম ছিল মনোজ ঘোষেরও। সেখানেই মনোজকে গ্রেফতার করা হয়। তবে তাঁকে ভোটযুদ্ধে আটকে রাখা গেল না।
কেন্দ্রীয় সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, আদালতের নির্দেশে মনোজবাবুকে থানায় ডেকে পাঠানো হয়। তারপরেই মনোজকে সোমবার নলহাটি থানায় প্রথমে জিজ্ঞাসাবাদ করে এনআইএ-এর আধিকারিকরা। পরবর্তীতে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। এনআইএ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতকে কলকাতায় নিয়ে যাওয়া হবে।
গত ২৮ জুন সকালে আচমকাই নলহাটির বাহাদুরপুরে মনোজ ঘোষের একটি পাথর খাদানে হানা দেয় এনআইএ আধিকারিকরা। দীর্ঘ আট থেকে দশ ঘন্টা সেখানে তল্লাশি চালান আধিকারিকরা। এনআইএ সূত্রে জানা গিয়েছে, অফিসে সেই সময় মনোজ ঘোষের ম্যানেজার পার্থকুমার মণ্ডল উপস্থিত ছিলেন। জিজ্ঞাসাবাদের পরে তাঁকে সঙ্গে নিয়েই খাদানের কাছে একটি পরিত্যক্ত ঘরে তল্লাশি চালানো হয়। সেখান থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজ উদ্ধার হয়।
পাশাপাশি দুটি ব্যাগে জিলেটিন স্টিক ও ডিটোনেটর ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে যায় এনআইএ। তবে কত পরিমাণ ডিটোনেটর উদ্ধার হয়েছিল সেটা জানা যায়নি। কিন্তু ওই দুটি ঘর সিল করে দেওয়া হয়। এনআইএ সূত্রে জানা গিয়েছে, মনোজকে দু’বার নোটিস পাঠানো হয় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য। কিন্তু তিনি হাজির হননি। এরপর আদালতের নির্দেশে তাঁকে ডেকে পাঠানো হয় তাঁকে। তারপরেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। তবে গ্রেফতার হলেও ভোটযুদ্ধে জিতলেন তিনি।