করোনা অতিমারিতে যখন জর্জরিত ভারতীয় ছবির ব্যবসা তখন তেলুগু ছবির দুই মহারথীকে সঙ্গে নিয়ে যুদ্ধে নেমেছিলেন এস এস রাজামৌলি। রামচরণ(Ram Charan), জুনিয়র এনটিআর(Junior NTR), আলিয়া ভাট(Alia Bhatt) অভিনীত রাইস রোর রিভোল্ট অর্থাৎ ট্রিপল আর প্রথম দিন থেকেই বক্স অফিসে ঝড় তোলে।
শুরু হয়ে গেছে কেজিএফ টুয়ের(KGF 2) প্রি বুকিং। ইতিমধ্যেই এই ছবির শুধুমাত্র হিন্দি ভার্সনের ১১ কোটি টাকার টিকিট বিক্রি হয়েছে। যা ট্রিপল আরের(RRR) ডবলেরও বেশি।
সারা বিশ্ব জুড়ে ৩ দিনেই ৫০০ কোটি টাকা ব্যবসা করেছে এই ছবি। যা ছিল বক্স অফিসের নয়া রেকর্ড। এবার সারা বিশ্ব জুড়ে ১০০০ কোটি টাকা অতিক্রম করল ট্রিপল আর(RRR)।
তেলুগু ছবির দুই মহারথীকে সঙ্গে নিয়ে যুদ্ধে নেমেছেন এস এস রাজামৌলি। রামচরণ(Ram Charan), জুনিয়র এনটিআর(Junior NTR), আলিয়া ভাট(Alia Bhatt) অভিনীত রাইস রোর রিভোল্ট অর্থাৎ ট্রিপল আর(RRR) প্রথম দিন থেকেই বক্স অফিসে ঝড় তোলে।
তিনদিনে ৫০০ কোটি টাকা ব্যবসা করেছে আরআরআর। এই ছবি দেখতে হলমুখী হয়েছে হিন্দি ছবির দর্শকও। তার ফলাফল দেখা গেল বক্স অফিসে।
সাফল্যের মাঝেই দানা বেঁধেছে বিতর্ক। ইন্ডাস্ট্রির অন্দরের গুঞ্জন, রাজামৌলির উপর রেগে নাকি তাঁকে আনফলো করেছেন আলিয়া ভাট। ছবিতে তাঁর স্ক্রিন টাইম নাকি বেশ কম, একারণেই রেগে লাল পর্দার সীতা।
তেলুগু স্বাধীনতা সংগ্রামী আল্লুরি সীতারামা রাজু ও কোমারাম ভীমের জীবনকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে RRR
শুক্রবার সারা বিশ্বজুড়ে ২২৩ কোটি টাকা ব্যবসা করেছে RRR।
শুধু তো এই বছরের নয়, ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসের সেরা ব্লকবাস্টার ফিল্মের নাম এখন বাহুবলী ২। এসএস রাজামৌলির বাহুবলী ২ যেভাবে ব্যবসা করে টাকা রোজগার করেছে, তেমনই মানুষের প্রশংসা আদায় করে নিয়েছে। কিন্তু এই বাহুবলী নিয়েই কিছুদিন আগে তৈরি হয়েছিল একটি বিতর্ক। শিবগামীর চরিত্রে অভিনয় করার জন্য শ্রীদেবীকেই নাকি প্রথমে প্রস্তাব দিয়েছিলেন ফিল্মের পরিচালক। কিন্তু শ্রীদেবী রাজি হননি। তার কারণ হিসেবে রাজামৌলি বলেছিলেন, শ্রীদেবীর নাকি অনেক চাহিদা ছিল। সেই জন্যই শেষ পর্যন্ত শিবগামীর চরিত্রে অভিনয় করেন দক্ষিণের রমেয়া। পরে শ্রীদেবী বলেন, রাজামৌলি যেভাবে প্রকাশ্যে এই ধরনের কথা বলেছেন, তাতে তিনি বিরক্ত তো বটেই, পেয়েছেন কষ্টও।
এইমুহূর্তে শ্রীদেবী ব্যস্ত রয়েছেন তাঁর আপকামিং ফিল্ম মমের প্রচারে। ফিল্মের ট্রেলার ইতিমধ্যেই সাড়া ফেলে দিয়েছে দর্শকের মধ্যে। আর এখন শ্রীদেবী যেখানেই যাচ্ছেন, তাঁকে একটা কমন প্রশ্নের সামনে পড়তে হচ্ছে। তা হলো - কেন আপনি এসএস রাজামৌলির বাহুবলীতে শিবগামীর চরিত্রে অভিনয় করতে অস্বীকার করলেন? সম্প্রতি মিড ডে-কে দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে শ্রীদেবী বলেছেন যে, তিনি রাজামৌলির ব্যবহারে কষ্ট পেয়েছেন। কেন এমন?
ভারতীয় সিনেমায় দীর্ঘদিন দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে বাহুবলী। একের পর এক রেকর্ড গড়ছে আর সেটাই আবার নিজে ভাঙছে বাহুবলী। এসএস রাজামৌলির বাহুবলী ইন্টারেনেটে একের পর এক রেকর্ড তো করেইছে। শুধু সিনেমার পর্দা কিংবা ইন্টারনেটেই বা বাহুবলীর পেশী শক্তি দেখানোর শেষ কোথায়? ছাপার অক্ষরে বই প্রকাশ হয়েছে বাহুবলীর। আপনার যদি এতেই চোখ কপালে ওঠে, তাহলে বলতেই হচ্ছে যে, এখনও অনেক কিছু বাকি।
একদিকে সলমন খানের বজরঙ্গি ভাইজান, অন্যদিকে এসএস রাজামৌলির বাহুবলি। বক্সঅফিসে সমুখ সমরে দুই ছবি। তবে একটা জায়গায় কিন্তু একসূত্রে গাঁথা। দুটি ছবিরই চিত্রনাট্য লিখেছেন কেভি বিজেন্দ্র প্রসাদ।