অভিযোগ, ২০১৮-র ২৯ নভেম্বর শরৎ বোস রোডের একটি ফ্ল্যাটে এক মহিলাকে ধর্ষণ করেন ৩ নেতা।
ফের বাংলায় গণধর্ষণের ঘটনা সামনে এল। বিধবা মহিলাকে বিয়ে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণের ভয়ঙ্কর অভিযোগ উঠল পূর্ব বর্ধমানের গলসিতে। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়।
নাবালিকার মা পুলিসকে জানিয়েছেন, অভিযুক্তরা আগেও তাঁদের বাড়িতে প্রবেশ করেছিল এবং তাঁর মেয়েকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেছিল।
Mamat Banerjee demands fair investigation in Hathras gangrape case
High Alert On Yogi's State Uttarpradesh।
Hathras rape victim’s body forcibly taken away for cremation by UP police, alleges family; police deny claim
টুইট করে ফুঁসে ওঠেন কঙ্গনা
ইতিমধ্যেই ২ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিস।
কয়েকদিন আগে মধ্যপ্রদেশে এক মহিলাকে গণধর্ষণ করা হয়েছিল।
বছর একুশের ওই আদিবাসী তরুণীর বাড়ি নতুন বাজার এলাকায়।
ওই মহিলা কয়েক মাসের অন্তঃসত্ত্বা। সেক্ষেত্রে তাদেরকে বাধা দেওয়ার মতো ক্ষমতা ছিল না তাঁর। ঘরের জানলা দরজা সব বন্ধ থাকায়, মহিলার আর্তনাদও কেউ শুনতে পারেননি।
ঘটনার তদন্তে নেমে সিট গঠন করেছে হরিয়ানা পুলিস। সিটের নেতৃত্বে রয়েছেন একজন ডিএসপি পদমর্যাদার অফিসার।
নির্যাতিতার ডাক্তারি পরীক্ষায় ধর্ষণের প্রমাণ মিলেছে।
খালপাড়ে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় নির্যাতিতা কিশোরীকে।
প্রত্যেক বছর ঝাড়খণ্ডের কোচাং, খুন্তি-সহ একাধিক এলাকা থেকে নারী ও শিশু পাচারের মতো ঘটনা ঘটে।
প্রথমে পায়ুসঙ্গম (অ্যানাল সেক্স) এবং পরে কিশোর বাধা দিলে গুহ্যদ্বারে ঢোকানো হয় রড।
২০ জন অভিযুক্তকে আটক করেছে পুলিস।
নয়ডার সেক্টর ৩৭-এ একটি বিপিওতে কাজ করেন নির্যাতিতা।জ ঙ্গলে টেনে নিয়ে গণধর্ষণ করা হয় তাঁকে।
নাবালিকাকে তুলে নিয়ে গিয়ে ৬ যুবকের বিরুদ্ধে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠল ভাঙড়ে। আরও অভিযোগ, ঘটনার কথা কাউকে বললে প্রাণে মারার হুমকিও দেওয়া হয়। নির্যাতিতার অভিযোগের ভিত্তিতে ৩ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি ৩ অভিযুক্ত পলাতক।
১৯ বছরের ওই নির্যাতিতা তাঁর বয়ানে জানিয়েছেন, শনিবার রাতে গুরুগ্রামের শিবচক এলাকা থেকে একটি গাড়ি ভাড়া করে ওঠেন তিনি। ওই গাড়িতে আগে থেকেই তিন জন ছিলেন।
৮ বছরের শিশুকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠল পুনেতে। অভিযোগ ৬ জন মিলে গণধর্ষণ করে ওই শিশুকে। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পুনের মহারাষ্ট্র টাউন এলাকায়। অভিযোগের প্রেক্ষিতে এখনও পর্যন্ত একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিস। বাকিরা পলাতক।
মঙ্গলবার সকালে কৃষ্ণনগর থানায় যান প্রৌঢ়া। অভিযোগ, সব ঘটনা বলা সত্ত্বেও পুলিস গণধর্ষণের অভিযোগ নিতে চায়নি। কেবল মারধর ও ভাঙচুরের অভিযোগ নেয় পুলিস। এই মর্মে প্রৌঢ়াকে দিয়ে একটি সাদা কাগজে লিখিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ। খবর চাউর হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয়রা।