গোল শোধ করতে খুব বেশি সময় নেয়নি সেনেগাল। ২২ মিনিটে নিজেদের ভুলেই গোল হজম করে ব্রাজিল। বক্সের মধ্যে বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে বিপক্ষের হাবিব বল পেয়ে গিয়েছিলেন, তিনি তা থেকে বল জালে রাখেন।
চলতি বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যাওয়ার পরের দিন ইনস্টাগ্রামে এক আবেগি পোস্ট করেছিলেন। কিন্তু এবার যে কান্ড ঘটালেন, সেইজন্য তাঁকে কতবড় বিতর্কের সম্মুখীন হতে হবে, সেটা একমাত্র নেইমারই জানেন।
দক্ষিণ কোরিয়ার মতো ক্রোয়েশিয়া ভুল করবে সেটা কোনও ফুটবল বিশেষজ্ঞ বুকে হাত দিয়েও বলতে পারবেন না। ক্রোয়েটরা খুব ছক কষেই মাঠে নেমেছিল।নিজেদের মধ্যে বেশি পাস খেলেছেন নেইমার-ভিনিসিয়াসরা। কিন্তু লাভ হয়নি।
গ্রুপ পর্বে সুইজারল্যান্ডের বিরুদ্ধে পেশিতে চোট পান সান্দ্রো। ৮৬ মিনিটে তাঁকে মাঠ থেকে তুলেও নেওয়া হয়। ক্রোয়েশিয়ার বিরুদ্ধেও তাঁর খেলা নিয়ে জটিলতা দেখা দিয়েছে। ফলে সান্দ্রোর পজিশনে বিকল্প নিয়েই সমস্যায় পড়েছে সেলেকাওরা।
৯ ডিসেম্বর ভারতীয় সময় রাত ৮:৩০ মিনিটে লুকা মদ্রিচ-ইভান পেরিসিচদের বিরুদ্ধে নামছে চলতি কাতার বিশ্বকাপের হট ফেভারিট দল। ভেন্যু এডুকেশন সিটি স্টেডিয়াম। এর আগে দেখে নেওয়া যাক, গত চার বিশ্বকাপে ব্রাজিলের পারফরম্যান্স কেমন ছিল।
এশিয়ার 'রেড ড্রাগন'-দের প্রথমার্ধেই চার গোল তুলে নিয়েছিল ব্রাজিল। প্রতিটি গোলেই নেচেছেন নেইমার-রিচার্লিসন–ভিনিসিয়াস জুনিয়র। তবে কিংবদন্তি রয় কিন সোজাসাপ্টা বলেছিলেন, নেইমারদের নাচ প্রতিপক্ষের জন্য অসম্মানজনক!
কোয়ার্টার ফাইনালে নেইমারদের প্রতিপক্ষ লুকা মদ্রিচের ক্রোয়েশিয়া। ৯ ডিসেম্বর ভারতীয় সময় রাত ৮:৩০ মিনিটে মুখোমুখি হবে দুই দল। একেক গোলের পর একেক ধরণের নাচ। এই রকম দশ রকমের নাচ নিয়ে নাকি সেলেকাওরা তৈরি হয়ে এসেছে। আমরা সাম্বা দেখেছি। কাতারে কার্নিভাল ব্রাজিল কোন পর্যায়ে নিয়ে যান সেটা দেখার অপেক্ষায় রয়েছে ফুটবল দুনিয়া।
মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছেন পেলে! বারবার এমন জল্পনা ছড়িয়েছে। শোনা যাচ্ছে, চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন না তিনি। যদিও একাধিকবার হাসপাতাল থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় বার্তা দিয়ে ভক্তদের আশ্বস্ত করছেন তিনবারের বিশ্বকাপ জয়ী ব্রাজিলের কিংবদন্তি।
লিগ পর্বের শেষ ম্যাচে পর্তুগালের বিরুদ্ধে ২-১ গোলে দক্ষিণ কোরিয়ার জয়, এবং ক্যামেরুনের অখ্যাত আবুবাকারের হানায় তিতে-র ব্রাজিলের ১-০ গোলে লজ্জার পরাজয়। সঙ্গে তো চোট-আঘাতের জন্য দলের অবস্থা 'মিনি হাসপাতাল' হয়ে যাওয়া আছেই। সবমিলিয়ে ব্রাজিল শিবিরে দুটি ব্যক্তি ব্যাপক চাপে ছিলেন।
ব্রাজিলের হলুদ আর সুইসদের লাল জার্সি। এরসঙ্গে যোগ হয়েছে মখমলের মতো সবুজ মাঠ। সুইসরা কিন্তু সার্বিয়ার মতো রাফ অ্যান্ড টাফ ফুটবল খেলল না। বরং নিজের ডিফেন্স আগলে সুপরিকল্পিতভাবে খেলে গেল। পৃথিবীর অন্যতম সুন্দর দেশটি ফুটবল মাঠে ব্রাজিলের বরাবরের গাঁট।
রবিবার আল আরাবি স্টেডিয়ামে অনুশীলন করেছে ব্রাজিল। তবে এই অনুশীলনে সংবাদমাধ্যমকে থাকতে দেওয়া হয়নি। যদিও সংবাদসংস্থা রয়টার্স অবশ্য বিশেষ সূত্রের মাধ্যমে জানিয়েছে, অনুশীলনে পাকুয়েতা ছিলেন না।