Dead Lizard In Midday Meal:ফের স্কুলের মিড ডে মিলল টিকটিকি। তড়িঘড়ি ৩০ পড়ুয়াকে কাছের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ঘটনাটি ঘটে, মুম্বইয়ের ধারাভিতে অবস্থিত কমরাজ মেমোরিয়াল ইংলিশ হাই অ্যান্ড জুনিয়র কলেজে।
সাহাপুরের মাঠে এদিন সাড়ে ৩ থেকে ৪ লাখ চাষির জন্য মধ্যাহ্ন ভোজনের আয়োজন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব।
সেখানেই হল রাজের জন্মদিনের সেলিব্রেশন। হল জমিয়ে খাওয়াদাওয়া।
শ্রদ্ধা কাপুর যখন মুম্বই ছেড়ে হায়দরাবাদে যান তখন তাঁকেও নতুন অতিথির মতোই আপ্যায়ন করেন প্রভাস।
ফ্রুট স্যালাড , চিকেন স্যালাড বা ঘরোয়া স্যালাড । বাড়ির খাবার থেকে রেস্টুরেন্ট । বাঙালির এখন হট ফেভারিট স্যালাড । কেউ খাচ্ছেন ওজন কমাতে। কেউ খাচ্ছেন পেট ভরাতে। কিন্তু স্যালাড মানেই হেলদি নয়। স্যালাড খেতে হবে সাবধানে।
উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে একের পর এক চমকে দেওয়ার মতো কাজ করছেন যোগী আদিত্যনাথ। কসাইখানা বন্ধ, অ্যাসিড সন্ত্রাস বন্ধ প্রভৃতি কাজের পর এবার আরও একটি এমন কাজের পরিকল্পনা করেছেন তিনি, যা সাধারণ মানুষের খুব উপকারে লাগবে।
কেন্দ্রের ডাকে সাড়া দিয়ে আগামী ৭ এপ্রিল দিল্লি যাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সম্মানে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া মধ্যাহ্ণভোজে উপস্থিত থাকবেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর দফরের পক্ষ থেকে এমনটাই জানা গেছে।
বাড়ির খাবারের থেকে দোকানের কেনা খাবার এগকটু বেশিই সুস্বাদু। মুখে অনেকেই এই কথা স্বীকার করেন না। কিন্তু মনে মনে এটাই মানেন। তার উপর যদি সেই খাবার বার্গার, পিত্জা কিংবা চিপস হয়, তাহলে তো কথাই নেই। অনেকেরই বার্গার, চিপস এসবের নামেই জিভে জল এসে যায়। তাই স্বাস্থ্যের কথা মাথায় না রেখেই লাঞ্চ কিংবা ডিনারে বার্গার-চিপস খেয়ে থাকেন। কিন্তু গবেষকরা এই প্রসঙ্গে কী জানাচ্ছেন জানেন?
নিজের খাবার টিফিন কৌটোতে ভরে নিয়ে এসে মাঠে বসে খাচ্ছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। না, না, কোনও পিকনিক নয়। একেবারেই একটি রাজনৈতিক কর্মীসভা। উত্তর প্রদেশে ভোট আসন্ন, তাই গতকাল (বৃহস্পতিবার) বারাণসীতে বিজেপির কর্মীসভার আয়োজন করা হয়েছিল। আর সেই সভাতেই সকলকে তাদের টিফিন নিয়ে আসতে বলা হয়েছিল দলের পক্ষ থেকে। অন্যান্য শীর্ষস্থানীয় নেতাদের মতো, দলের একজন 'কার্যকর্তা' মোদীও নিজের খাবার নিয়ে এসেছিলেন বাড়ির থেকে। আর এতেই বোঝা যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রী কতটা 'সাম্যবাদী' আদর্শে অটল বলে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার করা হয়েছে বিজেপির তরফ থেকে। আপলোড করা হয়েছে সেই মুহূর্তের ছবিও।
ভবিষ্যত্ সুন্দর করার জন্য অর্থ সঞ্চয় করাটা খুবই জরুরি। যাতে ভবিষ্যতে কোনও কারণে অর্থের সমস্যা হলে, সঞ্চয় করা সেই অর্থ দিয়ে অসুবিধা দূর করা যায়। কিন্তু আমরা অনেকেই বুঝতে পারি না, কীভাবে টাকা জমাবো। হাতে টাকা এলেই খরচ করে ফেলা আমাদের অনেকেরই অভ্যাস। আপনারও যদি তেমন অভ্যাস হয়ে থাকে, তাহলে সঞ্চয়ের কয়েকটা উপায় জেনে নিন। আর ভবিষ্যত্ সুন্দর করুন।
ব্রেকফাস্ট, লাঞ্চ, ডিনার, সবেরই একটা নির্দিষ্ট করে সময় রয়েছে। কিন্তু আজকের এই ব্যস্ততার দিনে কতজনই বা আর একেবারে ঘড়ি ধরে খাবার খায় বলুন। বেশিরভাগ সময়েই নির্দিষ্ট সময়ের থেকে বেশ খানিকটা দেরিতেই খাওয়া হয়। যেমন ধরুন না, যিনি অফিস থেকে রাত সাড়ে এগারোটা কিংবা তারও পরে বাড়ি ফেরেন, তাঁর পক্ষে কীভাবে সন্ধের ৭টার আগে ডিনার শেষ করা সম্ভব? অথচ, ডিনারের সঠিক সময় সন্ধে ৭টা। তাই অবধারিত দেরি। আমরা তো কাজের দোহাই দিয়ে দেরিতে খাওয়া দাওয়া করছি। কিন্তু জানেন কি, এতে আমাদের শরীরের কী কী এবং কত ক্ষতি হচ্ছে?
হঠাত্ করেই সাজ সাজ রব। বেশ সুস্বাদু খাবারের গন্ধও বেরচ্ছে। ব্যাপারটা কী? গতকাল সংসদে এই অবস্থায় পড়ে ঠিক এই প্রশ্নগুটাই করছিলেন দেশের সাংসদেরা। সংস্কৃত শ্লোক অনুসারে "ঘ্রাণেন অর্ধ ভোজয়েত"। কিন্তু খিদের মুখে এই রকম লোভনীয় খাবারের গন্ধ পেলে তো খিদেটা পাঁচগুন বেড়ে যায়। কিন্তু সাংসদরা কিছুতেই বুঝতে পারছিলেন না গন্ধটা কোন দিক থেকে আসছে। তবে খানিক পরে, বোঝা গেল। গন্ধের অভিমুখ দেশের অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলির ঘর।
প্রতিদিন দুপুরেই সংসদের ক্যান্টিনে পাওয়া যায় লাঞ্চ। রোজ দুপুরে সেখানেই খান সংসদ কর্মীরা। আজ হঠাত্ই সকলকে চমকে দিয়ে খেতে এলেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
মুলায়মের পর এবার মায়াবতী। সংসদের শীতকালীন অধিবেশনের আগে আজ বিএসপি নেত্রীকে মধ্যাহ্নভোজে ডাকেন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। সাত নম্বর রেসকোর্স রোডে মায়াবতী উপস্থিত হলে সংসদের দুই কক্ষে সরকারের পাশে থাকার জন্য তাঁকে অনুরোধ করেন প্রধানমন্ত্রী। সূত্রের খবর প্রধানমন্ত্রীর আবেদন রাখার কথা গুরত্ব দিয়ে ভাববেন বলে মায়াবতী আশ্বাস দিয়েছেন।