)
পিয়ালি মিত্র: বুধবার নিউটাউনে উদ্ধার করা হয় নিখোঁজ বাংলাদেশি সাংসদের মরদেহ। কলকাতাতেই খুন হন তিনি বাংলাদেশি সাংসদ। বাংলাদেশে ধরা পড়া তিনজনই খুন করে সাংসদকে আনোয়ারুল আজিমকে। দেহ লোপাটের দায়িত্ব ছিল অন্যদের। তারাও বাংলাদেশি বলে জানতে পেরেছে তদন্তকারীরা।
বাংলাদেশে ধরা পড়া তিনজন ৩০ এপ্রিল নাগাদ কলকাতায় আসে। এক দালালের মাধ্যমে রেন্টালে ভাড়া করা ছিল গাড়ি। ৩০ এপ্রিল থেকে ভাড়ার ওই গাড়ি ব্যবহার করা শুরু করে বাংলাদেশি তিন আততায়ী। গাড়ির চালকের জেরায় মিলেছে এই তথ্য। খুনের কযেকদিন আগে ওই গাড়িতে করে শহরের বিভিন্ন শপিংমল, রিটেল স্টোর সহ একাধিক জায়গায় ঘোরেন তাঁরা।
১৩ তারিখ ওই গাড়িতে করে সাংসদকে বরানগর থেকে নিউটাউনের ফ্ল্যাটে নিয়ে যায়
পরে ১৪ তারিখ আলাদা আলাদা টাইমে ওই ফ্ল্যাটে থেকে বেরিয়ে গাডিতে করে যায় তিনজন । তারপরই সম্ভবত বাংলাদেশে ফেরে ওই ত্রয়ী।
১৩ তারিখ নিউটাউন এর ওই ফ্ল্যাটে প্রথমে শ্বাস রোধ করে খুন করা হয়। এর পর সেই বডি টুকরো টুকরো করা হয়। তিন দিন ধরে সেই বডি পার্ট সারানো হয়।প্রথমে ১৪ তারিখ,১৫ তারিখ ও ১৮ তারিখ। ওই ফ্ল্যাটের ফ্রিজে রাখা হয়েছিল বডি পার্ট।তবে এই বডি পার্ট সারানোর দায়িত্ব যাদের ছিল তাঁদের এখনো কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি বলে পুলিস সূত্রে খবর। সূত্রের খবর তারাই জানে বডি কোথায় ফেলেছে তারা। ওই ফ্লাট থেকে পুলিশ বেশ কিছু প্লাস্টিক ব্যাগ উদ্ধার করে।
আরও পড়ুন:Bangladesh MP Murder: নৃশংস! শ্বাসরোধ করে খুন, টুকরো টুকরো করে পাচার দেহ, বাংলাদেশের MP খুনে চাঞ্চল্যকর তথ্য...
১৩ তারিখ যে তিনজনের সঙ্গে ফ্ল্যাটে ঢুকেছিলেন সাংসদ, তাদের মধ্যে দুজনকে ১৪ মে সকালে একটি ট্রলি ব্যাগ নিয়ে বেরোতে দেখা যায়। ওই দিন বিকেলের দিকে বেরিয়ে যান আরো একজন, সিসিটিভিতে ধরা পড়েছে সেই ছবি। কিন্তু ফ্ল্যাটে ঢুকতে দেখা গেলেও সাংসদকে বেরোতে দেখা যায়নি। পারিপার্শ্বিক এই তথ্য প্রমাণ থেকেই পুলিস খুনের বিষয়টি নিশ্চিত হচ্ছে।
কোথায় ফেলা হয়েছে দেহ? যাঁরা দেহ লোপাট করে তাঁরাও কী ওই গাড়ি ব্যবহার করে? এমন বহু প্রশ্নেই মুখে কুলুপ গাড়ি চালকের। রাতভর তাঁকে দফায় দফায় জেরা করেন সিআইডির গোয়েন্দারা।
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের App, Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)