জোট নিয়ে কারাটদের কাটাছেঁড়ায় এবার অসন্তোষ হাত শিবিরে

ভোটে আলাদা, পথে জোট। কংগ্রেস নিয়ে এমনই ধরি মাছ, না ছুঁই পানি অবস্থান সিপিএম পলিটব্যুরোর। কিন্তু, বার বার জোট নিয়ে কারাটদের এমন কাটাছেঁড়ায় এবার অসন্তোষ হাত শিবিরে।

Updated By: Jul 11, 2016, 04:58 PM IST
জোট নিয়ে কারাটদের কাটাছেঁড়ায় এবার অসন্তোষ হাত শিবিরে

ওয়েব ডেস্ক: ভোটে আলাদা, পথে জোট। কংগ্রেস নিয়ে এমনই ধরি মাছ, না ছুঁই পানি অবস্থান সিপিএম পলিটব্যুরোর। কিন্তু, বার বার জোট নিয়ে কারাটদের এমন কাটাছেঁড়ায় এবার অসন্তোষ হাত শিবিরে।

CPM রাজ্য কমিটির বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, ভোটে আলাদা, পথে জোট। অর্থাত্‍ কংগ্রেসের সঙ্গে অদূর ভবিষ্যতে সিপিএম আর আসন সমঝোতায় যাবে কিনা সে প্রশ্ন আপাতত স্থগিত। কিন্তু, হাত শিবিরের সঙ্গে পথে নেমে ইস্যু ভিত্তিক আন্দোলনে আপত্তি নেই সিপিএম কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের। তেমনটাই মত পলিটব্যুরোর। সিপিএমে জোট জট কাটলেও, তৈরি হয়েছে নয়া জটিলতা। কংগ্রেসের সঙ্গ জোট নিয়ে এত কাটাছেঁড়ায় অসন্তোষ তৈরি হয়েছে কংগ্রেসের অন্দরে। রাজ্য স্তরের একাধিক নেতা প্রশ্ন তুলছেন, তাঁরা যদি এতই অচ্ছুত হন, তবে জোটের দরকার কী? শুধু কংগ্রেসের অন্দরে নয়।

আরও পড়ুন টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন ৪ রাজ্য

রবিবার একই প্রশ্ন উঠেছে সিপিএম রাজ্য কমিটির বৈঠকেও। শমীক লাহিড়ি বলেন, কংগ্রেসকে সঙ্গে নিয়ে ভোটে লড়ে এখন কংগ্রেস খারাপ বললে মানুষ কী বলবেন? নেপালদেব ভট্টাচার্যের বক্তব্য ছিল, কংগ্রেসের কাছে বিকিয়ে যেতে হবে না, কিন্তু, কংগ্রেস অচ্ছুত্‍ বললে লোকে কি ভবিষ্যতে আর বিশ্বাস করবে?

শুধু এইদুই নেতাই নন, একইমত আরও অনেকের। সিপিএম নেতাদের একাংশের বক্তব্য, বিধানসভা ভোটে তড়িঘড়ি জোট করে লড়াইয়ে নেমে পড়ার কারণেই বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করতে ব্যর্থ জোট। শেষ পর্যন্ত যখন তা হচ্ছে, তখন এত কাটা ছেঁড়া কেন? সিপিএমের আশঙ্কা

আরও পড়ুন প্রতিবাদে শ্বশুরবাড়ির সামনে মেয়ে কোলে ধরনায় বসেছেন রুশ তরুণী ফিমেনকভ

২০১৮-য় পঞ্চায়েত ভোট। তিনস্তর মিলিয়ে কয়েক লক্ষ প্রার্থী। একক শক্তিতে এত প্রার্থী দেওয়ার ক্ষমতা কি আদৌ আছে সিপিএমের? এরওপর রয়েছে প্রচার। সিপিএম নেতাদের মতে, কংগ্রেসের সঙ্গে হাত মেলানোই একমাত্র পথ। কিন্তু, টানাপোড়েনের জেরে কংগ্রেস বেঁকে বসলে সমস্যা। আশঙ্কা আরও বাড়িয়েছে লোকসভার ভোট। ২০১৯-এর আগে নিজের মতো করে ঘর গুছোতে মাঠে নামবেন সোনিয়া গান্ধীও। বিজেপি বিরোধী জোটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কিন্তু, কংগ্রেস হাইকম্যান্ডের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি নাম।