Bharat Jodo Yatra: এই ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে, চশমা এবং একটি লম্বা জ্যাকেট পরা মেয়েকে রাহুল গান্ধীর কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করতে দেখা যায়। যাত্রার মধ্যে নিরাপত্তারক্ষিরা তাকে আটকে দেয়।
২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনে ভরাডুরি পর কংগ্রেস সভাপতি পদ ছাড়েন রাহুল গান্ধী।আপাতত দায়িত্ব সামলাচ্ছেন সোনিয়াই।
দিন কয়েক আগে সংসদ চত্বরে কালো পোশাক পরে অভিনব প্রতিবাদ সামিল হন কংগ্রেস নেতারা। নেতৃত্বে ছিলেন রাহুল গান্ধী।
Jharkhand MLA Arrest Case:ঝাড়খণ্ড কংগ্রেসের এক বিধায়ক অভিযোগ করেছেন, সরকার ভাঙার জন্যই ওই টাকার লেনদেন হচ্ছিল। সরকার ভাঙার জন্য তাঁকে ১০ কোটি টাকা টোপ দেওয়া হয়েছিল।
কংগ্রেসকে সমর্থন করে ডিএমকে, সমাজবাদী পার্টি, আরজেডি, শিবসেনা, টিআরএস, আরএলডি। সমর্থন করে সিপিআইএম, সিপিআই এবং আরএসপি-ও। তবে তৃণমূল কংগ্রেস এবং আম আদমি পার্টির মতামত এখনও জানা যায়নি।
নিজের নির্বাচন কেন্দ্রওয়ানাডে হাল্কা মেজাজে কংগ্রেস সাংসদ।
ইতিমধ্য়ে অন্ধ্রপ্রদেশ সরকারের কাছে রিপোর্ট তলব করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। কেন নিরাপত্তারক্ষীরা বিক্ষোভকারীদের থামাল না? কেন তাঁদের একজোট হতে দেওয়া হল? তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।
জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকে (national executive meeting) পেশ হওয়া রাজনৈতিক প্রস্তাবেও, কংগ্রেসকেই মূল শত্রু হিসেবে দেখিয়েছে বিজেপি। সেখানে অভিযোগ করা হয়েছে, কংগ্রেস 'টুকরে টুকরে গ্যাং'-এর সমর্থক, ভারতবিরোধী বিভিন্ন পদক্ষেপকে কংগ্রেস সমর্থন করে, কংগ্রেসের মদতে কিছু এনজিও এবং বিদেশী শক্তি এতকাল গুজরাত দাঙ্গা নিয়ে ভ্রান্ত ধারনা ছড়াত।
শুক্রবার ইসকনের অনুষ্ঠানে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "দ্রৌপদী মুর্মুর জয়ের সম্ভাবনা বেশি। আগে থেকে যদি বিজেপি জানাত যে, একজন তফশিলি, আদিবাসী মহিলাকে তাঁরা প্রার্থী করছে, তাহলে আমরাও চেষ্টা করতাম।"
তপন কান্দু খুনের প্রতিবাদে এবার উপনির্বাচনে কোনও প্রার্থী দেয়নি বামেরা। উপনির্বাচনে বাম ভোটও গিয়েছে কংগ্রেসের মিঠুনের ঝুলিতে!
অভিযোগকারিনীর দাবি, চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাঁকে ধর্ষণ করা হয়েছে।সূত্রের খবর, মহিলাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
টুইটে রাহুল গান্ধী(Rahul Gandhi)লেখেন, "৮ বছরের শাসনকালে 'জয় জওয়ান, জয় কিষাণ' সংকল্পকে অসম্মান করেছেন বিজেপি সরকার। আমি আগেই বলেছিলাম যে, কালো কৃষি আইন প্রত্যাহার করতে বাধ্য হবে সরকার। একই ভাবে ওঁকে দেশের যুবদের কথা শুনতেই হবে এবং অগ্নিপথ প্রকল্প ফেরাতে হবে।"
ন্যাশনাল হেরল্ড মামলায় সোমবার ইডির দফতরে জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হন রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। কংগ্রেস নেতার এই হাজিরাকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই উত্তপ্ত ছিল 'লুটিয়ান্স দিল্লি'। পথে নামেন পি চিদম্বরম, অশোক গেহলট, বেণুগোপাল, হরিশ রাওয়াত, অধীর চৌধুরীর মতো শীর্ষ কংগ্রেস (Congress) নেতারা।
বিবার একযোগে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সংবাদিক সম্মেলন করেন শচিন পাইলট, বিবেক তঙ্খা, দ্বিবিজয় সিং, সঞ্জয় নিরুপম, পবন খেরা, আলকা লাম্বার মতো নেতারা। সকলেই রাহুল গান্ধীকে সমর্থনের বার্তা দেন।
আগেই কংগ্রেস থেকে পদত্য়াগ করেছিলেন। বৃহস্পতিবার গুজরাতের গান্ধীনগরে বিজেপির পতাকা হাতে তুলে নেন তিনি।
রবিবার থেকে তাঁর এই পোস্ট নিয়ে মেতে রয়েছেন নেটিজেনদের একাংশ। কেউ কটাক্ষ করছেন, কেউ যুব তৃণমূল নেতার জন্য দুঃখপ্রকাশ করছেন, কেউ বা প্রশ্ন করছেন, কবে তিনি দলবদল করবেন?
'গো ব্যাক' লেখা প্ল্যাকার্ড নিয়ে হাইকোর্টে চিদম্বরমের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখাল কংগ্রেস(Congress)
নেপাল প্রশাসনের এক কর্তার মেয়ের বিয়ে উপলক্ষে ওই নাইটক্লাবে গিয়েছিলেন কংগ্রেস নেতা।
গায়ের কালো কোর্ট খুলে চিদম্বরমের (P Chidambaram) পিছনে তাড়া করলেন এক মহিলা আইনজীবী।
ভোটকুশলীর সিদ্ধান্ত ঘিরে জোর চর্চা
প্রশান্ত কিশোরের কংগ্রেসে যোগদান নিয়ে জল্পনা বাড়ছে।
CID-র হাত থেকে এই মামলার তদন্তভার CBI-কে দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)।