আম আদমি পার্টির কর্মসূচিকে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ দিয়েই দেখছে জেলা রাজনৈতিক মহল।
২০০৬ সালেসিধুর হাতে ছিল সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা আর মঞ্চে নিজেকে প্রমাণ করছিলেন ভগবন্ত(Bhagwant Mann) আর এবার মুখ্যমন্ত্রী চেয়ারে বসবেন ভগবন্ত মান, তাঁর হাতে থাকবে ক্ষমতা আর নিজেকে প্রমাণ করতে ফের ময়দানে নামবেন সিধু(Sidhu)।
কোন রাজনৈতিক দলে যোগদান করবেন সোনু?
আজ নিজের বাড়িতে নব নির্বাচিতদের নিয়ে বৈঠকে বসবেন কেজরিওয়াল
“দেশের উন্নয়নে কোনও ভূমিকাই নেয়নি বিরোধীরা”...
আভিযোগ, বিদেশ থেকে আপ যে টাকা তুলেছিল তার কোনও উল্লেখই নেই আয়কর রিটার্নে
কলার ধরে কুর্সি থেকে টেনে নামিয়ে জেলে ঢোকাবেন কেজরিওয়ালকে। হুমকি দিয়েই অজ্ঞান হয়ে গেলেন বহিষ্কৃত আপ মন্ত্রী কপিল মিশ্র। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে বোমা ফাটিয়েই চলেছেন কপিল। মুখে খুলে প্রাণনাশের হুমকি পাচ্ছেন বলে অভিযোগ।কেজরিওয়ালকে খোলাখুলি চ্যালেঞ্জ জানালেন কপিল মিশ্র। ইস্তফা না দিলে কলার ধরে জেলে ঢোকানোর হুমকি।রাজধানীতে জমে উঠেছে নাটক। আপের ঘরোয়া যুদ্ধে টানটান নাটক। কপিল VS কেজরি।একজন বহিষ্কৃত মন্ত্রী। অন্যজন মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সি থেকে কেজরিকে নামাতে বদ্ধপরিকর কপিল। কেজরির দুর্নীতির বিরুদ্ধে হাতে ১০০০ পাতার তথ্যপ্রমাণ।
নোট ইস্যুর মাঝেই ভোটের কাঠি বাজিয়ে দিলেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। পঞ্জাব বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি-শিরোমণি অকালি দলের মুখের বিরুদ্ধে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে দিলেন আম আদামি পার্টির প্রধান। তাঁর দলের কমেডি কিং হিসেবে পরিচিত ভগবন্ত সিংকেই আপ-এর হাতিয়ার হিসেবে তুলে ধরলেন কেজরি।
তাঁর দলের তহবিল নিয়ে কম প্রশ্ন ওঠেনি। বেআইনিভাবে টাকা তুলে দলের তহবিল বাড়ানোর গোপন ভিডিওতে ধরাও পড়েছিলেন এক আপ নেত্রী। সে সব দিন কেটেছে। আম আদমি পার্টি এখন দিল্লি ছাড়িয়েছে পঞ্জাব, গোয়া দখলের স্বপ্ন দেখছে। কিন্তু কেজরিওয়াল বলছেন, ''দিল্লিতে আমরা সরকার চালাচ্ছি ঠিকই, কিন্তু আম আদমি পার্টির ভোটে লড়ার মত অর্থবল নেই।''
দলের বিধায়ক ও মন্ত্রী নারী নির্যাতনের অভিযোগে অভিযুক্ত। দিল্লি মহিলা কমিশনের তরফ থেকে সমনও পাঠানো হয়েছে আম আদমি পার্টির বিধায়ক মনোজ কুমারকে। প্রাক্তন মন্ত্রী তথা বহিষ্কৃত আপ নেতা সোমনাথ ভারতীর বিরুদ্ধেও ছিল একই অভিযোগ। এবার খবরের শিরোনামে আম আদমি পার্টির এক কর্মী। যৌন হেনস্থা হয়েছে, আর নিজের সম্মানহানির পর আত্মহত্যাই করেলন আম আদমি পার্টির এক কর্মী। আর ওই কর্মীকে যৌন হেনস্থায় অভিযুক্ত দলেরই নেতা! এই ঘটনা সামনে আসতেই কড়া পদক্ষেপ গ্রহন করে আম আদমি পার্টি।
দলের ভাবমূর্তি নিয়ে জেরবার অবস্থার মধ্যেই নতুন সমস্যায় আম আদমি পার্টি। দলের সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং আরও ২০ জন বিধায়কের বিরুদ্ধে ২৫টি অভিযোগে চার্জশিট পেশ করতে চলেছে দিল্লি পুলিস। সূত্রের খবর অনুযায়ী, অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে ৬টি অভিযোগে চার্জশিট দিচ্ছে দিল্লি পুলিস। যার সবকটিই রাজনৈতিক অভিযোগ। তবে বাকি বিধায়কদের বিরুদ্ধে রয়েছে মারাত্মক সব অভিযোগ।
জোড়া বিতর্কে নাজেহাল দিল্লির আম আদমি পার্টি। তোমর বিতর্কের মধ্যেই এবার দিল্লির প্রাক্তন আইনমন্ত্রী সোমনাথ ভারতীকে নিয়ে অস্বস্তিতে আপ নেতৃত্ব। স্ত্রীকে নিগ্রহের অভিযোগে ইতিমধ্যে তাঁকে নোটিস ধরিয়েছে মহিলা কমিশন। আঠাশে জুনের মধ্যে সোমনাথকে জবাব দিতে বলা হয়েছে। তোমর এবং সোমনাথ ইস্যুতে আপকে নিশানা করে পথে নেমেছে কংগ্রেস-বিজেপি দুদলই। আজ অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সঙ্গে দেখা করতে যান সোমনাথ। এরপর দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে বিক্ষোভ দেখান, কংগ্রেস এবং বিজেপি-র কর্মীসমর্থকরা।
আম আদমির দিল্লিতে অর্ধেকের বেশি বিধায়কই কোটিপতি। বিধায়কদের গড় সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় সাড়ে ছ'কোটি। এই তথ্য উঠে এসেছে অ্যাসোসিয়েশন অব ডেমক্রেটিক রাইটসের রিপোর্টে। সেখানে দেখা যাচ্ছে এবারে দিল্লি থেকে নির্বাচিত বিধায়কদের কারোর বিরুদ্ধে খুন ধর্ষণের মতো গুরুতর অভিযোগ নেই। তবে এক-তৃতীয়াংশ বিধায়কই বিভিন্ন ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত।
রাজধানীর মসনদে বসলেও নিজের হাতে কোনও মন্ত্রক রাখেননি মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। উপমুখ্যমন্ত্রী মনীশ সিসোদিয়া জানান, "উনি(কেজরিওয়াল) শুধু সব মন্ত্রকের ওপর নজর রাখবেন ও মানুষের সঙ্গে যুক্ত থাকবেন।"
দিল্লির মানুষকে ধন্যবাদ জানিয়ে শপথ গ্রহণ শেষ করলেন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুতেই আশ্বাস ৫ বছরে দুর্নীতিমুক্ত দিল্লি গড়ে তোলার। ইউপিএ সরকারের দুর্নীতির বিরুদ্ধেই আন্দোলন শুরু করেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। আর দেখতে দেখতে আজ দিল্লির মসনদে তিনিই। তবে তার মতে দিল্লির প্রত্যেক মানুষ আজ মুখ্যমন্ত্রী।
আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে আম আদমি পার্টিকে ভোট দেওয়ার আবেদন জানালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দেশের বৃহত্তর স্বার্থে এবং দিল্লির উন্নয়নের স্বার্থে অরবিন্দ কেদরিওয়ালের দলকে সমর্থনের কথা টুইটারে পোস্ট করলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। এর আগে বামফ্রন্টও দিল্লিতে আম আদমি পার্টিকে সমর্থনের কথা জানিয়েছিল।
কোনও পার্টিরই সরকার গড়ার সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই। তাই নতুন করে নির্বাচন হতে পারে দিল্লি বিধানসভার। সোমবার বিজেপি, কংগ্রেস ও আপ নেতারা দিল্লির লিউটেন্যান্ট গভর্নর নজিব জঙ্গকে জানায় এখনও তাদের সরকার গড়ার মতো সংখ্যা নেই।
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পাঁচ মাস পর সরকারি ফ্ল্যাট ছেড়ে দিলেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। খবর অনুযায়ী গাজিয়াবাদের কাছে কৌসম্বি এলাকায় চলে গেছেন তিনি।
আম আদমি পার্টির সমর্থকদের হাঙ্গামায় রেল স্টেশন ক্ষতিগ্রস্থ হল। একেবারে আম আদমির মতোই মুম্বই সফর করছেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। অটোয় চেপে বিমানবন্দর থেকে গেলেন আন্ধেরি স্টেশনে। উঠে পড়লেন ভিড়ে ঠাসা লোকাল ট্রেনে। সহযাত্রীদের সঙ্গে গল্প করতে করতে পৌছে গেলেন চার্চগেট স্টেশনে। মুম্বইয়ে দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর হাতে অনেক কাজ।
বিপদ বাড়ল অরবিন্দ কেজরিওয়ালের। রাজধানীতে আম আদমি পার্টির সরকারের উপর থেকে নির্দল বিধায়ক রামবীর সোকিন সমর্থন প্রত্যাহার করে নিলেন। আজই লেফটেনেন্ট গর্ভনর নাজীব জঙের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সরকারের উপর থেকে সমর্থন প্রত্যাহারের কথা জানিয়ে দেবেন সোকিনর এর ফলে ৭০ সদস্যের বিধানসভায় কেজরিওয়ালের সরকারের সমর্থন সংখ্যা নেমে দাঁড়াল ৩৫। সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য চাই ৩৬ জন বিধায়কের।
কংগ্রেস আর আপের গোপন আঁতাঁত নিয়ে বোমাটা ফাটিয়েছিলেন শনিবার। আর আজ বললেন, শিগগিরিই ফাঁস করে দেবেন কোথায়, কী সমঝোতা হয়েছে। নীতীন গড়করির ইটের উত্তরে পাটকেল ছুঁড়তে সময় নেয়নি আপ আর কংগ্রেসও। ডিলের ভাষাই বোঝেন নীতীন গড়করি। একই সুরে তোপ দেগেছেন কংগ্রেস আর আপ নেতারা।