Who will be next Bihar CM?: নীতীশের পরে কে হবেন বিহারভূমির নতুন মুখ্যমন্ত্রী? বাতাসে ভেসে বেড়াচ্ছিল এই চর্চাটি। একটি নাম শোনাই যাচ্ছিল। তিনি বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী। এবং সেদিকেই যাচ্ছে ঘটনাক্রম। বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রায় চূড়ান্তই তাঁর নাম।
বিজেপি নেতার মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক তুঙ্গে। বিড়ম্বনায় গেরুয়াশিবির।
বক্তিয়ারপুরের একটি অনুষ্ঠানে নীতীশ কুমারের (Bihar Chief Minister Nitish Kumar)উপর অতর্কিতে 'হামলা'
জিতন রাম মাঝিকে স্বাগত জানিয়ে হাঁক পাড়লেন বিজেপি নেতা শাহনওয়াজ হোসেন।
এক মাস আগে এই সেতুর উদ্বোধন করেছিলেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার।
নীতীশ-মোদীকে এক সঙ্গে দেখতে সকাল থেকেই পারদ চড়ছে পাটনায়। বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা সুশীল মোদী দাবি করছেন, প্রায় ১০ লক্ষ মানুষ ভিড় জমাবে গান্ধী ময়দানে
কুশওয়াহার এহেন বক্তব্যে এখনো কোনও মন্তব্য করেনি নীতীশের দল জেডিইউ। তবে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি অনুসারে জেডিইউ ও কুশওয়াহার দল আরএলএসপি ইউপিএর শরিক হলেও দু'দলের সম্পর্ক মোটেও ভাল নয়। সম্প্রতি লোকসভা নির্বাচনের জন্য আসন সমঝোতা করেছে জেডিইউ ও বিজেপি। তাতে দুদলই সমান সংখ্যক আসনে লড়বে বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে।
বছর একচল্লিশের প্রশান্ত গত সপ্তাহেই আভাস দিয়েছিলেন, রাজনীতিতে আসছেন তিনি। হায়দরাবাদের ইন্ডিয়ান স্কুল অব বিজনেসের একটি অনুষ্ঠানে তিনি বলেন,“নিজের জন্য প্রচার শেষ, এখন রাজনীতির জন্য আমি প্রস্তুত।”
লালু পুত্র তেজস্বী টুইটে জানান, গত সাত দিন ধরে অসুস্থ বিহারের মুখ্যমন্ত্রী। সমস্ত কর্মসূচি বাতিল করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার খবর জানানোর দাবি জানাচ্ছি। পাশাপাশি মেডিকেল রিপোর্ট প্রকাশ্যে নিয়ে আসার দাবি তোলেন তেজস্বী
তবে কি কর্ণাটকের ছোঁয়া লাগতে চলেছে বিহারেও। লোকসভা নির্বাচনের আগে কি ফের বিরোধী শিবিরে ফিরতে চলেছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার? প্রশ্ন উঠছে নীতীশেরই এক বক্তব্যে। রবিবার বিহারের মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন তোলেন, 'নোট বাতিলের ফলে কার কী সুবিধা হয়েছে?' বলে রাখি, নোট বাতিলকে সমর্থন করেই লালুর হাত ছেড়ে ক্রমশ মোদীর কাছাকাছি এসেছিলেন নীতীশ।
লালু বলেন, নীতীশ কুমারের খেল খতম। গোটা বিহার জ্বলছে। বিজেপি গোটা বিহারে আগুন জ্বালিয়েছে। গোটা রাজ্যে হিংসা ছড়িয়েছে।
তেজপ্রতাপের ঘনিষ্ঠ মহলের মতে, ভূতের কারণেই বাড়ি ছেড়েছেন বিহারের প্রাক্তন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। সংবাদমাধ্যমের সামনে তেজপ্রতাপ নিজে বলেছেন, "নীতীশ কুমার ও সুশীল মোদী বাংলোর মধ্যে ভূত ছেড়ে দেওয়ায় আমি ওই বাড়িটি ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমাকে সেখানে রীতিমত ভূতের উপদ্রব সহ্য করতে হয়েছে"।
মোদীর সঙ্গে হাত মেলানোর পর ধর্মনিরপেক্ষতা ভুলে গিয়েছেন নীতীশ কুমার, অভিযোগ আরজেডি-র।