২০০০ সালের ১২ জুলাই মেয়র হয়েছিলেন Subrata Mukherjee। ২০০৫-এর ৫ জুলাই পর্যন্ত মেয়র পদে আসীন ছিলেন তিনি।
এই ওয়ার্ডের প্রার্থী নিয়ে যা হল, তা এককথায় চরম নাটকীয়-ই বলা চলে!
"হয়তো আজ এখানে অনেকেই উপস্থিত আছেন, কিন্তু যে মানুষটা সবসময় উপস্থিত থাকতেন...!"
সোমেন মিত্র মারা যাওয়ার পর জি ২৪ ঘন্টা ডিজিটালকে সেই একাকীত্বের কথা শেয়ার করলেন সুব্রত মুখার্জি।
"যেহেতু বিজেপি পুরসভায় প্রার্থী-ই খুঁজে পাচ্ছে না, তাই এই কথা বলছে ।"
"উনি গাড়ি থেকে নামার পর আমি ও স্বরাষ্ট্রসচিব হাত জোড় করে নমস্কার করলাম। কিন্তু উনি কোনও প্রতি নমস্কার করলেন না। কোনও কথাও বললেন না।"
প্রচারের শুরুতে আজ মন্দির, মসজিদ, চার্চ ঘুরে সম্প্রীতির বার্তা দেন সুব্রত মুখোপাধ্যায়। বলেন, "ওরা শুধু রাম মন্দির চায় । আমরা চাই রাম, রহিম আর যীশুর মন্দির। লড়াইটা মানব জাতির লড়াই।"
তবে, একদিকে যখন এক সুব্রতর রাজ্যস্তর থেকে জাতীয় স্তরে উত্তরণ ঘটল, তখন আরেক সুব্রত যেন কিছুটা 'আড়ালে' চলে গেলেন।
রাজ্য মন্ত্রিসভায় বড়সড় রদবদলের সম্ভাবনা। শিল্প দফতর খোয়াতে পারেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। সম্ভাব্য শিল্পমন্ত্রী হতে চলেছেন অমিত মিত্র। সে ক্ষত্রে অর্থ দফতর মনীষ গুপ্তর হাতে আসতে পারে বলে খবর। পার্থ চট্টোপাধ্যায় পেতে পারেন বিদ্যুৎ দফতর।
হাইকোর্টের নির্দেশকে কার্যত বুড়ো আঙুল দেখালেন পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখার্জি। আজ হাইকোর্ট রাজ্য সরকারকে বাইক বাহিনী বন্ধের কড়া নির্দেশ দিলেও কার্যত তা মানার কথাই বললেন পঞ্চায়েত মন্ত্রী।
কেন্দ্রীয় বাহিনী ছাড়াই পঞ্চায়েত ভোট করার দিকেই এগোচ্ছে রাজ্য সরকার। ভোট প্রক্রিয়ায় ইতিমধ্যেই রাজ্যে ৯ জন রাজনৈতিক কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। এ প্রসঙ্গে ২৪ ঘণ্টাকে বিস্ফোরক মন্তব্য দিয়েছেন পঞ্চায়েতমন্ত্রী সুব্রত মুখার্জি। তিনি বলেন, "সব জেয়গাতেই ভোটের আগে এমন হয়।"
আদালতের নির্দেশ মতো বাহিনী নিয়ে রাজ্য সরকারকে চূড়ান্ত চিঠি দিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। মুখ্যসচিবের কাছে ওই চিঠি পৌঁছেছে।
পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে আলোচনার জন্য রাজ্যের পঞ্চায়েতমন্ত্রীকে ডেকে পাঠালেন রাজ্যপাল এম কে নারায়ণন। আজ রাজভবনে পঞ্চায়েতমন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। পঞ্চায়েতে বাহিনী জট নিয়ে আলোচনা হবে বলে জানা গিয়েছে। পঞ্চায়েত ভোট হবে বলেই আশাবাদী রাজ্যপাল।
মহাকরণে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করলেন আইনমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। ছিলেন পঞ্চায়েতমন্ত্রী সুব্রত মুখার্জিও। কিন্তু সেই বৈঠকেও কেন্দ্রীয় বাহিনী চাওয়া নিয়ে তেমন কোনও আলোচনা হয়নি বলেই খবর। তাই সব মিলিয়ে পঞ্চায়েত ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে এখনও দীর্ঘসূত্রিতার রাস্তায় হাঁটতে চাইছে রাজ্য সরকার। এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।
পঞ্চায়েত ভোটের প্রচারে, সভা করার অনুমতি দেওয়ার সময় রাজনৈতিক রং যেন দেখা না হয়। মনোনয়ন পত্র দাখিলের সময় গণ্ডগোলের অভিযোগ পেলেও দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। দক্ষিণবঙ্গের আটটি জেলার প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে এমনই নির্দেশ দিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। সোমবার আইনশৃঙ্খলা নিয়ে রাজ্য সরকারের সঙ্গে বৈঠক হওয়ার কথা কমিশনের।
হাইকোর্টের পর পঞ্চায়েত লড়াই এবার ডিভিশন বেঞ্চে। আগামিকালই হাইকোর্টের রায়ের ওপর স্থগিতাদেশ চেয়ে ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন জানাতে চলেছে রাজ্য সরকার। তার আগে আইনি লড়াইয়ের প্রস্তুতি চূড়ান্ত করতে আইনজীবীদের সঙ্গে আজ দফায় দফায় বৈঠক করল সরকার ও কমিশন দুপক্ষই। পঞ্চায়েত মামলা নিয়ে শুক্রবার হাইকোর্টের রায়ের পরই ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন করার সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেন পঞ্চায়েত মন্ত্রী।