Bhaichung Bhutia vs AIFF:'আমরা গণতান্ত্রিক দেশে বাস করি। প্রত্যেক নাগরিকের মতামত প্রকাশের সাংবিধানিক অধিকার আছে। AIFF-ক এক্সিকিউটিভ কমিটির সদস্য হিসেবে বাইচুং-ও নিজের মতামত জানাতে পারেন। ভারতীয় ফুটবলের উন্নতির জন্য গঠনমূলক পরামর্শ দিতে পারেন'।
Baichung wants to improve the ranking of the Indian team
Bhaichung Bhutia A new equation before the next assembly elections Pawan Champings party changed to Baichung
India's Richest Football Player: ভারতের সবচেয়ে ধনী ফুটবলার কে? এই প্রশ্ন করলে অনেকেই হয়তো একবাক্যে উত্তর দিতে পারেবন না। তাঁর নামটাও কিন্তু চমকে দেওয়ার মতো।
Bhaichung Bhutia :গত ২ সেপ্টেম্বর ফেডারেশনের সভাপতি নির্বাচনে কল্যাণ চৌবের বিরুদ্ধে লড়েন বাইচুং। ১-৩৩ ব্যবধানে হেরে যান। বাইচুংকে সমর্থন করার পরেও সরে আসে রাজস্থান ফুটবল সংস্থা।
'ফেডারেশনের নির্বাচন দেখে আমি চমকে গিয়েছি। আমি ভাবতেও পারিনি যে, নির্বাচনে এরকম উচ্চ পর্যায়ের রাজনীতি হবে। আমি ভেবেছিলাম যে, এটা ফুটবল সভাপতি হওয়ার নির্বাচন। আমি আন্তরিকতার সঙ্গে নিজের অবদান রাখতে চেয়েছিলাম।'
Exclusive, Kalyan Chaubey : বাইচুং ঘনিষ্ঠদের অভিযোগ, কেন্দ্রীয় সরকারের পরোক্ষ সহযোগিতাতেই নির্বাচনে জয়ী কল্যাণ। যদিও ভারতের প্রাক্তন গোলকিপার যে বেশি ভোট পেয়ে মসনদে বসবেন সেই ইঙ্গিত আগেই পাওয়া গিয়েছিল।
AIFF Election :শেষ বেলায় এসে নির্বাচন জমিয়ে দিতে চেয়েছিলেন ভারতীয় ফুটবলের আইকন। যদিও লাভ হয়নি। ৩৩-১ ব্যবধানে স্ট্রাইকারকে উড়িয়ে দিলেন গোলকিপার কল্যাণ।
AIFF Election:শেষ বেলায় মনোনয়ন জমা করে নির্বাচনের উত্তেজনা বাড়িয়ে দিয়েছিলেন ভারতীয় ফুটবলের আইকন। কিন্তু লাভ হল না। কল্যাণ মাত্র ৩৩টি ভোট পেয়েছেন। সেখানে বাইচুংয়ের ঝুলিতে এসেছে মাত্র ১টি ভোট!
'দেখুন কল্যাণ খুবই ভাল ছেলে, কলকাতার মাঠে খেলেছে। তবে আমি চাই এই নির্বাচনে যেন কোনও রাজনীতি না থাকে। অতীতে এই রাজনীতির জন্যই কিন্তু ফুটবল নষ্ট হয়েছে। অতীতে এই রাজনীতির জন্যই কিন্তু ফুটবল নষ্ট হয়েছে।'
FIFA Lifts suspension :অবশেষে ফিফার নির্বাসনমুক্ত হয়ে গেল ভারতীয় ফুটবল। শুক্রবার রাতের দিকে এই খবর মেইল করে জানিয়ে দেয় বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা। তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপের কারণে গত ১৬ অগস্ট ফেডারেশনকে নির্বাসনে পাঠিয়েছিল ফিফা।
Bhaichung Bhutia, AIFF Election : বাইচুং জানেন যে কল্যাণের বিরুদ্ধে তাঁর জেতার সম্ভাবনা কম। তার মূল কারণ, কল্যাণের পিছনে অনেক রাজ্য সংস্থার সমর্থন রয়েছে। ভারতের প্রাক্তন অধিনায়কের মতে, কল্যাণকে হয়তো ভুল বোঝানো হচ্ছে।
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর নতুন করে মনোনয়নের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। প্রথম দিনেই নিজের মনোনয়ন জমা দিলেন বাইচুং। অন্ধ্রপ্রদেশ ফুটবল সংস্থার প্রতিনিধি হিসাবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন তিনি। বাইচুংকে সমর্থন করেছে রাজস্থান ফুটবল সংস্থা।
Bhaichung Bhutia, AIFF Election : ১৬ অগস্ট ভোর ২:০৮ মিনিট নাগাদ ই-মেইল করে সর্ব ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনকে নির্বাসনে পাঠিয়ে বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা। ফলে ভারতের মাটিতে অনূর্ধ্ব-১৭ মহিলা বিশ্বকাপ আয়োজিত না হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
প্রাক্তন ভারতীয় ফুটবল অধিনায়ক বাইচুং ভুটিয়া (Bhaichung Bhutia) আচমকাই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন। তিনি একটি পিটিশন দাখিল করেছেন। দেশের সর্বোচ্চ আদালত নিযুক্ত কমিটি অফ অ্যাডমিনিস্ট্রেটর্সকে সরিয়ে দেওয়ার আর্জি জানিয়েছে কেন্দ্র।
Bhaichung Bhutia, FIFA ban AIFF : ফিফা ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনকে নির্বাসিত করলেও সিওএ-র প্রস্তাবিত নির্বাচনী বিধি কিন্তু সরকারিভাবে এখনও বাতিল হয়নি। তাই কোনও কারণে সিওএ প্রস্তাবিত নির্বাচনী বিধি শেষ পর্যন্ত থেকে গেলে, যাতে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে কোনও সমস্যা না হয়, তারজন্যই সভাপতি, কোষাধ্যক্ষ এবং কার্যকরী কমিটি পদে বিভিন্ন ব্যক্তির নাম দিয়ে রাখা হচ্ছে। সেই যুদ্ধে নেমে পড়েছেন বাইচুং। সব মিলিয়ে ফেডারেশন নির্বাচন ঘিরে তেতে উঠেছে দিল্লি।
মঙ্গলের ভোররাতে ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা মেইল মারফত জানিয়ে দিল যে, তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপের জন্য ফেডারেশনকে নির্বাসিত করল তারা। স্বয়ংশাসিত ক্রীড়া সংস্থায় কোনও রকমের হস্তক্ষেপ বরদাস্ত করবে না ফিফা।
১৯৩৬ সালের ৩ জুলাই কেমব্রিজে চলছিল ভারত বনাম এমসিসি-র ম্যাচ। বল করছিলেন ভারতের জাহাঙ্গীর খান। তাঁর বলের লাইনে চলে আসে একটি উড়ন্ত চড়াই পাখি। যা পাখিটিকে পিষ্ট করে দেয়।
হারের জন্য অনেকে অমল দত্তকে দায়ী করেন। কারণ ডার্বি যুদ্ধে আবহ আরও গরম করে দেওয়ার জন্য বাইচুং-কে 'চুং চুং'। ওমেলোকে 'ওমলেট' বলে কটাক্ষ করেছিলেন সবুজ-মেরুনের প্রাক্তন কোচ।
বেক তেরো সাসানাকে হারিয়ে আশিয়ান কাপ জিতেছিল ইস্টবেঙ্গল। বাকিটা তো ইতিহাস।
দুবার জাতীয় লিগ জয় থেকে শুরু করে ঐতিহ্যের আশিয়ান কাপ। অনেকটা সময় একসঙ্গে লাল-হলুদ সংসারে ওঁরা কাটিয়েছেন।
"ইউরো ২০২০ এখনও পর্যন্ত খুবই শকিং টুর্নামেন্ট।"