Puri Stampede:পুরীর রথযাত্রায় পদপিষ্টে মৃত ৩। অভিযোগ ওঠে,পুলিসের ভিড় নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা যথেষ্ট ছিল না। তাই মুখ্যমন্ত্রী বৃহৎ প্রশাসনিক রদবদলের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
জেলাশাসক অপহরণ কাণ্ডে মাওবাদীদের কোর্টেই বল ঠেললেন মুখ্যমন্ত্রী রমন সিং। আর ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জেলাশাসককে মুক্তি দিতে বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর আশ্বাস জেলাশাসক ফেরার এক ঘণ্টার মধ্যে মাওবাদীদের দাবিগুলি খতিয়ে দেখতে গঠিত কমিটি তার কাজ শুরু করবে। জেলাশাসকের মুক্তি নিয়ে সরকার ও মধ্যস্থতাকারীদের মধ্যে আজ এক সমঝোতা স্বাক্ষরিত হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন তিনি সমঝোতা রক্ষা করবেন।
ছত্তিসগড়ে সুকমার অপহৃত জেলাশাসকের মুক্তির সম্ভাবনা এখনও ক্ষীণ। জানা গিয়েছে, জেলাশাসকের মুক্তির শর্ত হিসেবে মাওবাদীদের তরফে আরও বেশ কয়েকজন মাওবাদী-বন্দির নাম দেওয়া হয়েছে। মাওবাদীদের মধ্যস্থতাকারী বিডি শর্মাকে একটি পেন-ড্রাইভ দিয়েছে মাওবাদীরা।
ছত্তিসগড়ে জেলাশাসকের অপহরণ কাণ্ড নিয়ে জট এখনও কাটেনি। এদিকে মাওবাদী ডেরা থেকে ফেরার পর রায়পুরে সরকার নিযুক্ত দুই মধ্যস্থতাকারী নির্মলা বুচ ও এসকে মিশ্রের সঙ্গে আলোচনা করলেন মাওবাদীদের নির্বাচিত দুই মধ্যস্থতাকারী বিডি শর্মা ও হরগোপাল।
সুকমার জেলাশাসক অ্যালেক্স পল মেননের বিনিময়ে সাজাপ্রাপ্ত মাওবাদীদের ছাড়তে নারাজ ছত্তিসগড় সরকার। একই সঙ্গে পণবন্দি জেলাশাসকের মুক্তি নিয়ে ছত্তিসগড় সরকার ও মাওবাদীদের মধ্যেশুরু হয়েছেকেন্দুপাতার অর্থনীতি নিয়ে নতুন স্নায়ুযুদ্ধ।
অপহরণের পর সাতদিন হয়ে গেলেও সুকমা জেলাশাসক অপহরণ কাণ্ডের জট খুলল না। উপরন্তু একটি ই-মেল বার্তায় ছত্তিসগড় সরকারের ওপর চাপ বাড়িয়েছে মাওবাদীরা। ওই বার্তায় মাওবাদীরা জানিয়েছে, তাদের দাবির প্রেক্ষিতে রাজ্য সরকার কী অবস্থান নিচ্ছে তা স্পষ্ট করুক রমন সিং সরকার। রাজ্য সরকারকে দেওয়া সময়সীমা বাড়ানো তাদের পক্ষে সম্ভব নয় বলেও বার্তায় জানিয়েছে মাওবাদীরা।
সুকমার জেলাশাসকের অপহরণ কাণ্ডে রায়পুরে মধ্যস্থতাকারীদের মধ্যে বৈঠক শেষ হয়েছে। বৈঠকে ছিলেন মাওবাদীদের প্রস্তাবিত দুই মধ্যস্থতাকারী হরগোপাল ও বিডি শর্মা। ছিলেন সরকার প্রস্তাবিত মধ্যস্থতাকারী নির্মলা বুচ ও এসকে মিশ্র। মধ্যস্থতাকারীদের মধ্যে বৈঠক হয় রায়পুরে।
ছত্তিসগড়ে জেলাশাসকের মুক্তি নিয়ে আলোচনার জন্য মাওবাদীদের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা বুধবারই শেষ হচ্ছে। মঙ্গলবারই সময় বাড়ানোর সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছে মাওবাদীরা। অন্যদিকে, অপহৃত জেলাশাসকের মুক্তি আলোচনার জন্য আরও এক মধ্যস্থতাকারীর নাম প্রস্তাব করেছে তারা।
মাওবাদীদের দেওয়া সময়সীমা যত এগোচ্ছে, জেলাশাসকের মুক্তি নিয়ে ততই চাপ বাড়ছে ছত্তিসগড় সরকারের ওপর। জেলাশাসকের মুক্তির বিষয়টি খতিয়ে দেখতে মুখ্যমন্ত্রী রমন সিংয়ের নেতৃত্বে একটি কমিটি তৈরি হয়েছে। তবে মাওবাদীদের শর্তগুলি ছত্তিসগড় সরকার মানতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।
উন্নয়নের কথা বলতেই মাঝিপাড়ায় গেছিলেন জেলাশাসক অ্যালেক্স পল মেনন। সেখান থেকেই অপহৃত হন তরুণ, বেপরোয়া এই আইএএস অফিসার। অপহরণের পিছনে রবিবার নিজেদের দায় স্বীকার করেছে মাওবাদীরা। কিন্তু কীভাবে ঘটল অপহরণকাণ্ড?