Sikkim Heavy Rain: এর মধ্যেই বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে তিস্তা। লাল সঙ্কেত জারি হয়েছে সিকিমে। যার জেরে জনমানসের মধ্যে তৈরি হয়েছে আতঙ্ক। জানা গিয়েছে, নদী সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দারা নিরাপদ এলাকায় পালাতে শুরু করেছেন।
Gangtok Car Accident: স্থানীয়রা এবং পুলিস তাদের উদ্ধার করে দ্রুত রাম্বি হাসপাতালে (Rambi Hospital) ভর্তি করেন। হাসপাতালের চিকিৎসকদের মতে, তাদের অবস্থা স্থিতিশীল হলেও মানসিক এবং শারীরিকভাবে তারা অত্যন্ত ট্রমার মধ্যে রয়েছেন।
Teesta Sikkim Alert:ফুঁসছে তিস্তা। লাল সতর্কতা বহাল। বুধবার সকাল ৮ টায় জলপাইগুড়ি গজলডোবা তিস্তা ব্যারেজ থেকে ১৭৬২.৫৩ কিউমেটক জল ছাড়া হয়েছে। এদিকে দার্জিলিং, কালিম্পং, সিকিমে বৃষ্টি অব্যাহত।
Deadly Landslide and Heavy Rain: বৃষ্টির জেরে ভয়ংকর পরিস্থিতি দার্জিলিংয়ে। সিংতাম-গ্যাংটক মেন রোডে ফাটল। ফলে, একই সঙ্গে সাধারণ গাড়ি এবং ট্যুরিস্ট ভেহিকল পরপর দাঁড়িয়ে। রাস্তায় তীব্র যানজট। গ্যাংটকে ঢোকা বন্ধ!
Coronation Bridge Collapse: অনেকেই সত্য মিথ্যা যাচাই করতে শুরু করে। খোঁজ নিতে শুরু করেন বিভিন্ন মাধ্যমে
তবে পুলিস সূত্রে আরও জানা যায় স্বামী- স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক সম্পর্কের টানাপোড়েনের জেরেও এ ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে বলে অনুমান। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। যদিও এদিন ঘটনা প্রসঙ্গে ময়নাগুড়ির বিডিও প্রসেনজিৎ কুন্ডু টেলিফোনে জানান, বিডিও অফিস থেকে টিম পাঠানো হয়েছে, পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
India-Bangladesh: তার জন্য দ্রুত সংস্কারের কাজ থেকে শুরু অন্যান্য কাজ করতে হবে। যাওয়ার পথে গাজীপুরের কালিয়াকৈর, টাঙ্গাইল বাইপাস মোড়, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া, গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ ও পলাশবাড়িতে পথসভা অনুষ্ঠিত হয়।
Sand Smuggling: জলপাইগুড়ি তিস্তা নদী থেকে বেআইনিভাবে অবাধে চলছে বালি উত্তোলন। বৃহস্পতিবার সাতসকালে পুলিসের নাকের ডগায় জলপাইগুড়ি পাহাড়পুর মোড় দিয়ে বেআইনি একাধিক বালি বোঝাই ট্রাক্টর প্রবেশ করছে শহরে। সেই দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করতেই সাংবাদিককে হুমকি বালি মাফিয়ার।
Bangladesh Flood: তিস্তা, ঘাঘট, যমুনেশ্বরী, করতোয়া, ধরলা, দুধকুমার ও ব্রহ্মপুত্র-সহ অসংখ্য নদনদীবিধৌত রংপুর অঞ্চলের পাঁচ জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে শুরু করেছে। কোথাও কোথাও তিস্তার জল বিপদসীমা পেরিয়ে নদীতীরবর্তী চরাঞ্চলে ঢুকে পড়েছে।
Teesta River Water: তিস্তা নদীর দোমহনি এবং এনএইচ ৩১ জলঢাকা সংরক্ষিত এলাকায় জারি হলুদ সর্তকতা। জলপাইগুড়ি গজলডোবা তিস্তা ব্যারেজ থেকে আজ, রবিবার ভোর তিনটেয় ৪৬১১.৯২ কিউমেক জল ছাড়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
Teesta River Water: তিস্তায় জল বাড়ায় জেলা প্রশাসনের তরফে তিস্তা নদী-সংলগ্ন এলাকায় রাতেই সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে মাইকিং করে প্রচার হল জেলা জুড়ে। নদীপাড়ের বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরে আসার আবেদনও করা হল।
Malbazar Flood: তিস্তাগর্ভে চলে গিয়েছে ঘরবাড়ি-কৃষিজমি। বিচ্ছিন্ন হয়েছে বিদ্যুৎসংযোগ। দাবি, বহুবার প্রশাসনকে বলেও কোনও লাভ হয়নি। গ্রাম বাঁচাতে গ্রামবাসীরাই বাঁধ তৈরি করছেন।
Jalpaiguri: নদী-ভাঙনের ভয়াবহতা দেখে রাতের ঘুম উড়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের। নদীর জলস্রোতে তলিয়ে গেল একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও একটি শিশুশিক্ষা কেন্দ্র।
NH-10 Closure: ধসকবলিত এলাকার পাশ দিয়ে পাহাড় কেটে নতুন রাস্তা বানানোর চেষ্টা চলছে। তবে সবেতেই বাধ সাধছে পাহাড়ের অতি বৃষ্টি। দিনসাতেক হতে চলল বন্ধ শিলিগুড়ি থেকে সিকিমগামী লাইফ লাইন জাতীয় সড়ক ১০।
NH-10 Closure: ধসকবলিত এলাকার পাশ দিয়ে পাহাড় কেটে নতুন রাস্তা বানানোর চেষ্টা চলছে। তবে সবেতেই বাধ সাধছে পাহাড়ের অতি বৃষ্টি। দিনসাতেক হতে চলল বন্ধ শিলিগুড়ি থেকে সিকিমগামী লাইফ লাইন জাতীয় সড়ক ১০।
North Bengal Heavy Rain: গতকাল সকালে লিস নদীর বাঁধ ভেঙে প্লাবিত হয় মাল ব্লকের বাগরাকোট এলাকা। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় ভাঙা বাঁধ মেরামত করে প্রশাসন। সারারাত ধরে চলে বাঁধ মেরামতির কাজ।
North Bengal Heavy Rain: তিস্তায় জারি লাল সতর্কতা, অবিরাম বৃষ্টিতে ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক জনজীবন। জল বাড়ছে তিস্তা এবং করলা নদী-সহ জলপাইগুড়ি জেলার অন্যান্য নদীতে। একটানা বৃষ্টিতে জলপাইগুড়ি পুরসভার বেশ কয়েকটি ওয়ার্ড জলমগ্ন।
North Bengal Heavy Rain: তিস্তা এলাকায় হলুদ সতর্কতা। রাত থেকে বৃষ্টি ডুয়ার্স জুড়ে। সেই বৃষ্টি এখনও হয়েই চলেছে। অল্প সময়ের জন্য থামলেও ফের হচ্ছে বৃষ্টি।
Jalpaiguri: দুঃসংবাদ পৌঁছেছে বাসুসুবা গ্রামের রুমাবালা রায়ের কানে। ঘরপোড়া গরু সিঁদুরে মেঘ দেখলে ভয় পায়! তাই তিনি আতঙ্কিত। তড়িঘড়ি ধান শুকিয়ে নিরাপদ স্থানে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি। জানালেন, তিস্তার জলের পাশে বসেই গত বছরের সেই আতঙ্কের কথা আজ মনে পড়ছে তাঁর।
Mahananda River : পাশাপাশি বিকল্প পানীয় জলের ব্যাবস্থা নিয়ে মেয়র বলেন, "মহানদা থেকে জলের নমুনা পরীক্ষা করতে পাঠানো হয়েছে। বেশ কয়েকটি পরীক্ষা আরও বাকি রয়েছে৷ রিপোর্ট যদি ঠিক আসে তাহলে সেটাই পরিশোধিত করে পানীয় জল হিসেবে সরবারহ করা হবে।"
Death of Fish in Teesta River: এবার এরই মধ্যে মাছের মড়কের মতো ঘটনা। এতে নতুন করে উদ্বেগ ছড়াল তিস্তা-অঞ্চলে। সাম্প্রতিক ওই বন্যায় যুদ্ধসামগ্রীর পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের কেমিক্যালও নদীতে ভেসে এসেছিল বলে খবর। তা থেকে জল দূষণের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছেন না স্থানীয় পঞ্চায়েত ও এলাকার বাসিন্দারা। মৃত ওই মাছ না খাওয়ার পরামর্শই দেওয়া হয়েছে পঞ্চায়েতের তরফে।
এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার কলকাতা থেকে সকালের বিমানেই বাগডোগরা বিমানবন্দরে এসে নামেন পশ্চিমবঙ্গের সেচ দফতরের মন্ত্রী পার্থ ভৌমিক। বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে তিনি সোজা চলে যান গজলডোবার বন্যা প্লাবিত এলাকায়। সেখানে সেচ বিভাগের একাধিক আধিকারিক ও ইঞ্জিনিয়ারদের সঙ্গে আলোচনা করেন।