close

News WrapGet Handpicked Stories from our editors directly to your mailbox

মেক্সিকো প্রাচীর তৈরি না হলে জাতীয় সঙ্কটে পড়বে আমেরিকা, কংগ্রেসে সতর্কবার্তা ট্রাম্পের

 টানা ৩৫ দিন ধরে শাটডাউন চলার পর দেশের আর্থিক এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিষয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প কী আলোকপাত করেন, সেটাই ছিল কংগ্রেসের মূল আকর্ষণ

Updated: Feb 6, 2019, 10:28 AM IST
মেক্সিকো প্রাচীর তৈরি না হলে জাতীয় সঙ্কটে পড়বে আমেরিকা, কংগ্রেসে সতর্কবার্তা ট্রাম্পের
ছবি-টুইটার

নিজস্ব প্রতিবেদন: ‘স্টেট অব দ্য ইউনিউন’-এর ভাষণেও মেক্সিকো প্রাচীর তৈরির উপরই জোর দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ৫৭০ কোটি ডলারে প্রাচীর তৈরির ‘স্বপ্ন’ ভঙ্গ হলে, জাতীয় সঙ্কট তৈরি হতে পারে বলে মঙ্গলবার সতর্ক করলেন ট্রাম্প। কংগ্রেসে এ দিনের মার্কিন প্রেসিডেন্টের ভাষণের দিকে নজর ছিল আমেরিকাবাসীর। টানা ৩৫ দিন ধরে শাটডাউন চলার পর দেশের আর্থিক এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিষয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প কী আলোকপাত করেন, সেটাই ছিল কংগ্রেসের মূল আকর্ষণ।

আরও পড়ুন- ‘নেপাল-ভুটান ভারতেই’, ফের নিজের অজ্ঞতা প্রকাশ করলেন ট্রাম্প

এ দিন বিরোধী ডেমোক্র্যাটদের মন পেতে অনেকটাই নরম সুর শোনা যায় ট্রাম্পের গলায়। তিনি বলেন, “আজ সন্ধে আমি যে এজেন্ডার কথা বলছি, তা রিপাবলিকান বা ডেমোক্র্যাটের জন্য নয়। দেশের জন্য। আমাদের রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, ভিন্ন মত, সংঘাত পেরিয়ে ঐক্যমতে আসতে হবে।” ট্রাম্পের এমন মন্তব্যে স্পিকার ন্যান্সি পেলসি এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স উঠে দাঁড়িয়ে বাহবা দেন। এরপরই অভিবাসন নীতিতে নিয়ে সরব হন ডোলান্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, বিশ্বের কাছে দেখানোর সময় এসেছে অনুপ্রবেশ, মাদক পাচার, নারী ও শিশু পাচারে কঠোর হাতে দমন করছে আমেরিকা। মেক্সিকো সরকারের সমালোচনা করে ট্রাম্প বলেন, “দক্ষিণ সীমান্তের বিশৃঙ্খল দেশ আমেরিকার অর্থনীতি, নিরাপত্তায় আঘাত হানতে পারে।” তাঁর কথায়, অতীতে অনেকেই এই কংগ্রেসে প্রাচীর তৈরিতে ভোট দিয়েছেন। তা বাস্তবে পরিণত হয়নি। কিন্তু তিনি যে অনড় এ কথা এ দিন স্পষ্ট করে বুঝিয়ে দেন।

আরও পড়়ুন- রফতানি বাণিজ্যে মন ইমরানের! চিনে ৮০,০০০ গাধা পাঠাচ্ছে পাকিস্তান

ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর শাসনকালের খতিয়ান তুলে ধরেন। তিনি বলেন, তেল এবং গ্যাস উত্পাদনে বিশ্বের প্রথম স্থানে আমেরিকা। কূটনৈতিক সম্পর্কে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে, সেখানে নিজের প্রশংসাই তুলে  ধরলেন তিনি। ট্রাম্প দাবি করেন, যদি তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট না হতেন, তাহলে এত দিনে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ বেধে যেত। তিনি বলেন, দুই দেশের সঙ্গে বোঝাপড়ার কাজ অনেকটাই এগিয়েছে। উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং উন সজ্জন ব্যক্তি। ভিয়েতনামে ফেব্রুয়ারিতে দেখা হচ্ছে তাঁর সঙ্গে। উল্লেখ্য, আগামী ২৭ ও ২৮ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় বারের জন্য কিমের সঙ্গে বৈঠক হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের। তাঁর প্রায় ৮২ মিনিটের বক্তৃতায় সিরিয়ার সমস্যা, অবৈধ শরণার্থী প্রবেশ, ডেমোক্র্যাটদের বাধার প্রসঙ্গ বেশি সরব হতে দেখা গেল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে।