স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পে রোগীভর্তিতে অনীহার অভিযোগ ওঠে বেসরকারি হাসপাতালগুলির বিরুদ্ধে।রাজ্য বকেয়া না দেওয়াতেই রোগীভর্তিতে অনীহা বলে দাবি করে কর্তৃপক্ষ।
কেন্দ্রীয় সরকারের আয়ুষ্মান ভারত যোজনার ধাঁচে এ রাজ্যে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্প চালু করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।বছরে ৫ লক্ষ টাকার চিকিৎসার সুযোগ মেলে এই প্রকল্পে।
নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, তাদের সি ক্যাটেগরির নার্সিংহোম। ইএনটি চিকিৎসা এই নার্সিংহোমে হয় না।
হাসপাতালে স্বাস্থ্যসাথী (Swasthya Sathi) 'হেল্প ডেস্ক' আছে ঠিকই। কিন্তু তার নিয়ন্ত্রণ হাসপাতালের হাতেই!
রোগীর পরিবারকে নগদ ৩০ হাজার কাউন্টারে জমা করতে বলে নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষ। অভিযোগ, সেইসময় রোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের কথা জানানো হলে নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষ তা নিতে অস্বীকার করে।
কেন এমন হয়রানি? মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপের দাবি রোগীর পরিবারের।
প্যাকেজ কম হওয়ার যুক্তিকে কোনওভাবেই মান্যতা দিতে নারাজ কমিশন।
৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে এই "দুয়ারে সরকার" অভিযান। প্রথম ধাপ চলবে ১ ডিসেম্বর থেকে ১১ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
বছরে ৫ লক্ষ টাকা চিকিৎসার সুযোগ মেলে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পে।
মনে রাখবেন, "রাজ্যের থেকে লাইসেন্স নিয়ে কিন্তু আপনারা হাসপাতাল চালান।"
রাজ্যের নিজস্ব বিমা প্রকল্প স্বাস্থ্যসাথীর কাজ ঠিকমতো হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন। একইসঙ্গে সরকারের দিকে আঙুল তুলে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় মন্তব্য করেন, চিকিত্সা নিয়ে রাজনীতি করা ঠিক নয়।