Saina Nehwal reunits with parupalli kashyap: বিচ্ছেদের ঘোষণা পর ফের এক হওয়ার সিদ্ধান্ত সাইনার। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি পোস্ট করে লিখলেন আবেগঘন ক্য়াপশন।
25 Year Old Youth Dies of Heart Attack While Playing Badminton:মাথা নিচু করে শাটল কক্ তুলে দু-পা হাঁটতে না হাঁটতেই কোর্টের মধ্যেই লুটিয়ে পড়েন বছর ২৫-এর তরতাজা তরুণ।২৫ বছরের গুন্ডলা রাকেশের নিথর দেহে তারপর আর কোনও সাড়া মেলেনি।
Nitesh Kumar Wins Gold medal: সাবাশ নীতেশ কুমার। দেশকে ব্যাডমিন্টন থেকে এনে দিলেন সোনা।
এদিন কিন্তু শুরুটা ভালোই করেছিলেন লক্ষ্য। প্রথম ১১ পয়েন্টের জন্য গতবারের সোনাজয়ী ভিক্টরের সঙ্গে রীতিমতো হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলে। এমনকী, একটা সময় ১৮-১২ এগিয়ে যানও। কিন্তু কোর্ট বদলের পরই ধীরে ধীরে পিছনে পড়েন লক্ষ্য। দ্রুত পয়েন্ট তুলতে শুরু করে ভিক্টর। দু'বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন তিনি। শেষপর্যন্ত বাজিমাত করলেন ডেনমার্কের খেলোয়াড়ই।
Lakshya Sen vs Viktor Axelsen: ভয়ংকর কঠিন লড়াইয়ের সামনে লক্ষ্য সেন। হতে চলেছে ডেভিড বনাম গোলিয়াথ! কারণ প্রতিপক্ষ যে ভয়ংকর হেভিওয়েট।
টোকিও-তে চিনের হে বিং জিয়াও-কে হারিয়ে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন সিন্ধু, শেষ ষোলোয় প্রতিপক্ষ ছিলেন হে বিং জিয়াও-ই। এবার এবার ভারতীয় শাটলারকে স্ট্রেট সেটে হারিয়ে দিলেন তিনি।
বেশ কিছুক্ষণ খেলেন দু'জন। তাঁদের সঙ্গে যোগ দেন পুরসভার চেয়ারম্যান ও পুর পরিষদের এক সদস্যও।
Badminton Nozomi Okuharas nightmare in India: ভারতে এসে দুঃস্বপ্নের রাত কাটল জাপানি ব্য়াডমিন্টন তারকা নোজোমি ওকুহারার। সোশ্যাল মিডিয়ায় নোজোমি ভাগ করে নিলেন ভয়ংকর অভিজ্ঞতা।
ভাঙলেন ১০ বছরের পুরনো রেকর্ড। এতদিন পর্যন্ত মালয়েশিয়ান শাটলার ট্যান বুনের ৪৯৩ কিমি প্রতি ঘণ্টায় মারা শটই সবচেয়ে জোরে ছিল। সেটি ছাপিয়ে গেলেন হায়দরাবাদী তারকা।
ফাইনাল জেতা সহজ ছিল না লক্ষ্যের। নিজের থেকে নয় ধাপ (ক্রমতালিকায় ফেং ১৯, লক্ষ্য ১০) এগিয়ে থাকা ব্যাডমিন্টন তারকার বিরুদ্ধে শুরু থেকেই আগ্রাসী মেজাজে ছিলেন তিনি। ঠিক যে ভাবে সেমিফাইনাল খেলেছিলেন, সে ভাবেই ফাইনাল শুরু করেন তিনি। শুরুতেই ৬-২ এগিয়ে যান লক্ষ্য।
২০১৩ সালের অগাস্টে প্রথমবার ক্রমতালিকায় প্রথম দশের মধ্যে ঢুকেছিলেন তিনি। এরপর থেকে খুব একটা অদল বদল না হলেও শীর্ষ দশে জায়গা ধরে রেখেছিলেন সিন্ধু।
FIR Against Badminton Star Lakshya Sen: বয়স ভাঁড়ানোর অভিযোগ উঠল ভারতের তারকা ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় লক্ষ্য সেনের বিরুদ্ধে। জড়িয়েছে পরিবারের নামও।
PV Sindhu : পিভি সিন্ধুর আগে চোট পেয়েছেন দেশের আরও এক প্রথম সারির তারকা নীরজ চোপড়া। বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নেওয়ার পর নীরজের কাছ থেকেও কমনওয়েলথে সোনা প্রত্যাশা করছিল ভারত। কিন্তু সেই নীরজ কমনওয়েলথ গেমসে চোটের জন্য খেলতেই পারেননি।
Lakshya Sen : ৪৬টি দেশের ৩৬৪ জন শাটলারকে নিয়ে এ বার আয়োজিত হবে ব্যাডমিন্টনের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ। ভারত থেকে এ বার ২৭জন শাটলার অংশ নিচ্ছেন। আগামি ২২ অগস্ট থেকে শুরু হবে এই প্রতিযোগিতা। চলবে ২৮ অগস্ট পর্যন্ত। সেখানেও পিভি সিন্ধু, চিরাগ শেট্টি, স্বাত্ত্বিকসাইরাজ রানকিরেড্ডির সঙ্গে লক্ষ্যের দিকেও নজর থাকবে।
২০১৪ কমনওয়েলথ গেমসে সিঙ্গলসে ব্রোঞ্জ এবং ২০১৮ সালের গোল্ড কোস্ট গেমসে রুপো জিতেছিলেন সিন্ধু। অলিম্পিক্সে দু’টি পদক ছাড়াও সিন্ধুর ঝুলিতে রয়েছে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের সিঙ্গলসে সোনা-সহ পাঁচটি পদক। এত দিন অধরা কমনওয়েলথ গেমসের সিঙ্গলসের সোনাও এ বার জিতে নিলেন তিনি। এ বার তাঁর লক্ষ্য প্যারিস অলিম্পিক্সে সোনা জয়।
বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে দশ নম্বরে থাকা লক্ষ্যের এটা প্রথম কমনওয়েলথ গেমস। এমন প্রতিযোগিতার মেগা ফাইনালে ছিল টানটান উত্তেজনা। তবে চাপ বজায় রেখে পালটা আগ্রাসী মানসিকতার সঙ্গে পারফর্ম করেমালয়েশিয়ার এনজি ইয়ং জে-কে (Ng Tze Yong) হারিয়ে দিলেন লক্ষ্য। প্রথম গেমে হারলেও হাড্ডাহাড্ডি লড়াই জিতেই কোর্ট ছাড়লেন তিনি। খেলার ফলাফল ১৯-২১, ২১-৯, ২১-১৬।
প্রথম গেমে সিন্ধুকে কড়া টক্কর দিচ্ছিলেন মিশেল লি। প্রতিটি পয়েন্ট নিয়ে দুজনের মধ্যে চলছিল জোর লড়াই। কেউ কাউকে এক ইঞ্চি জমি ছাড়ছিল না। ফাইনালে মেগা লড়াইয়ে জমে উঠেছিল স্ম্যাশ ও র্যালির পালা। শুরুতে ধীর গতিতে শুরু করলেও, কিছুটা সুময় এগোতেই ম্যাচে ফিরতে শুরু করেন ভারতীয় শাটলার।
অভিজ্ঞতার পুরস্কার পেলেন তিনি। মালয়েশিয়ার গো সিন্ধুর শট আটকাতে বেশ কয়েকবার মাটিতে আছাড় খেলেন। আরো একটা পদক নিশ্চিত করলেন সিন্ধু। তবে এবার স্বর্ণপদক জয় তার একমাত্র লক্ষ্য। যে ছন্দে আছেন তাতে একটু ভাগ্যের সহায়তা পেলে স্বর্ণপদক জয় সম্ভব সিন্ধুর। ম্যাচ শেষে দেখা গেল কোচ পার্ক এসে জড়িয়ে ধরছেন সিন্ধুকে। বোঝাই গেল এ বারের গেমসে সবচেয়ে কঠিন লড়াই পার করে হাঁফ ছেড়ে বেঁচেছেন সিন্ধু। কিন্তু কেরিয়াররে প্রথম কমনওয়েলথ সোনা পাওয়ার জন্য আরো দুটি কঠিন ম্যাচ অপেক্ষা করছে তাঁর জন্য।
হায়দারাবাদের তরুণ এই মুহূর্তে দেশের পুরুষ ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড়দের মধ্যে নিঃসন্দেহে সেরা। শ্রীকান্তের পক্ষে খেলার ফলাফল ২১-৯, ২১-১২। এই জয়ের ফলে কোয়ার্টার ফাইনালে নিজের আত্মবিশ্বাস অনেকটা বাড়িয়ে নিতে পারবেন তিনি। ঘন্টাখানেক পর দ্বিতীয় ম্যাচে পিভি সিন্ধু উগান্ডার হুসিনা কোবুগাবেকে উড়িয়ে দিয়ে শেষ আটে জায়গা নিশ্চিত করলেন। একপেশে লড়াই চলল মাত্র ২৯ মিনিট। দেখে মনে হচ্ছিল অনুশীলন ম্যাচ খেলতে নেমেছেন ভারতের ব্যাডমিন্টন কুইন।
প্রথম ম্যাচেই জিতলেন বজরঙ্গ। পুরুষদের ৬৫ কেজি ফ্রি স্টাইল বিভাগের প্রি কোয়ার্টার ফাইনালে মাত্র দুই মিনিটে বিপক্ষকে হারিয়ে দিলেন তিনি। নাওরাওয়ের লো বিংহামকে নিয়ে হেলাফেলা করলেন এই কুস্তিগীর। গতবারও চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন বজরঙ্গ। প্রথম এক মিনিট প্রতিপক্ষকে জরিপ করেন। তারপরই তাঁকে প্যাঁচে ম্যাটে ফেল দেন। পরের রাউন্ডে অবশ্য কঠিন লড়াই অপেক্ষা করে রয়েছে বজরঙ্গের জন্য। কোয়ার্টার ফাইনালে তাঁর প্রতিপক্ষ অলিম্পিকের ব্রোঞ্জজয়ী মরিশাসের জঁ গাইলিয়ানে।
ভারতীয় ব্যাডমিন্টন দল প্রতি ম্যাচের আগে নিজেদের তাতানোর জন্য বিশেষ মন্ত্রোচ্চারণ করে। 'হাউজ দ্য জোশ'-এর সঙ্গেই 'জয় হিন্দ' বলে নিজেদের তাতান সিন্ধু-লক্ষ্যরা। এই ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর সেই ভিডিয়ো শেয়ার করেছন।
ভারতীয় ক্রিকেটের 'ফ্যাব ফাইভ'-এর মধ্যে অন্যতম সেরা তিনজন এই মুহূর্তে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। রাহুল দ্রাবিড়ের টিম ইন্ডিয়ার সঙ্গে ভিভিএস লক্ষ্মণের এনসিএ-এর সঠিক সেতু গড়ে তোলাই বোর্ড প্রধান সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের উদ্দেশ্য। সেটাই নিঃশব্দে করে যাচ্ছেন তিনি।