সিইসি গুজরাট নির্বাচনের জন্য ১৮২ জন দলীয় প্রার্থীর নাম নিয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভাপতিত্বে এই বৈঠকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল, গুজরাট বিজেপি প্রধান সিআর পাটিল, বিজেপির জাতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা সহ অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।প্রাক্তন কংগ্রেস নেতা হার্দিক প্যাটেল, যিনি কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন, তিনি ভিরামগাম আসন থেকে বিজেপি-র হয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
আগেই কংগ্রেস থেকে পদত্য়াগ করেছিলেন। বৃহস্পতিবার গুজরাতের গান্ধীনগরে বিজেপির পতাকা হাতে তুলে নেন তিনি।
Congress-র কার্যনির্বাহী সভাপতি Hardik Patel দলের সমস্ত পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন।বুধবার সকালে টুইট করে এই কথা জানিয়েছে তিনি নিজে।
প্যাটেল ২০১৫ সালে গুজরাটে পাটিদার সম্প্রদায়ের জন্য সংরক্ষণের দাবিতে তাদের আন্দোলনের নেতা হিসাবে রাজনীতিতে আসেন এবং পরে কংগ্রেসে যোগদান করেন
ওই ব্যক্তিকে ধরে ফেলেন কংগ্রেস কর্মীরা। হামলাকারী যুবকের পরিচয় এখনও পাওয়া যায়নি
২০১৭ সালে গুজরাট বিধানসভা ভোটের আগে কংগ্রেসে যোগ দিয়েছিলেন ঠাকোর সেনার অন্যতম মুখ অল্পেশ। বিজেপিকে উত্খাত করতে গুজরাটের ‘ত্রি-শক্তি’ অল্পেশ ঠাকোর, জিগনেশ মেবানি এবং হার্দিক প্যাটেলকে হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করে কংগ্রেস
উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে গুজরাতে পতিদার আন্দোলনের সময় হিংসায় মদত দেওয়ার অভিযোগ ওঠে হার্দিক প্যাটেলের বিরুদ্ধে
২০১৫ সালে মেহসেনার একটি সংঘর্ষের ঘটনায় নিম্ন আদালতে দোষী সাব্যস্ত হন হার্দিক প্যাটেল
মহাজোটের পক্ষে সওয়াল করলেন গুজরাটে পতিদার আন্দোলনের নেতা।
সমর্থকদের অনুরোধেঅহমেদাবাদের সোলা সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হতে রাজি হন হার্দিক পটেল।
হার্দিকের আন্দোলনের প্রতি তাঁর পূর্ন সমর্থনের কথাও জানিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো।
২০১৫ সালে গুজরাটের বিসনগরের বিজেপি বিধায়ক রুশিকেশ প্যাটেলের কার্যালয়ে ভাঙচুর চালায় পতিদার আন্দোলনকারীরা। ওই হামলার সঙ্গে জড়িয়ে গিয়েছিল হার্দিক পটেলের নাম
যেভাবে শ্রীদেবী কিংবা মাধুরী দীক্ষিতকে একজন অভিনেত্রী হিসেবে দেখা হয়, সেই একইভাবে দেখা হোক সানি লিওনকেও। যতদিন না পর্যন্ত সানি লিওনকে পর্নস্টারের পরিবর্তে একজন অভিনেত্রী হিসেবে ভাবতে শিখবেন, ততদিন পর্যন্ত এই দেশের কোনও উন্নতি হবে না। এবার এমনই মন্তব্য করলেন গুজরাটের পাতিদার সম্প্রদায়ের নেতা হার্দিক প্যাটেল।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছবি দিয়ে তামাশার পাত্র হার্দিক প্যাটেল।
রাহুল গান্ধীর হাত ধরে একের পর এক নির্বাচনে ব্যর্থ কংগ্রেস। আর তার জেরেই প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে সক্রিয় রাজনীতিতে যোগ পক্ষে সওয়াল উঠছে।
২৪ ঘণ্টায় এক্সক্লুসিভ ইন্টারভিউয়ে বিরোধীদের একজোট হওয়ার কথা বললেন হার্দিক প্যাটেল।
২০১৯ সালে রাজ্যে তৃণমূলের প্রচারে আসবেন হার্দিক পটেল।
মোদী বিরোধী লড়াইকে আরও শক্তিশালী করতে এবার গুজরাটের তরুণ তুর্কি নেতা হার্দিক প্যাটেল আসছেন পশ্চিমবঙ্গে। আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি রাজ্যে আসছেন হার্দিক। সেদিনই নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠক করবেন পাতিদার আন্দোলেন এই নেতা।
মন্ত্রিসভার শপথগ্রহণের পর অশান্তি গুজরাট বিজেপির অন্দরে। বিদ্রোহ করে নরেন্দ্র মোদী ও অমিত শাহকে চিঠি দিলেন উপ-মুখ্যমন্ত্রী নীতিন পটেল।
ভারুচে উল্টে গেল ইভিএমবাহী ট্রাক। এর পিছনে ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত করলেন পাতিদার আন্দোলনের নেতা হার্দিক প্যাটেল।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা আরও মনে করছেন, রাহুল গান্ধী, হার্দিক প্যাটেল, অল্পেশ ঠাকোর কিংবা জিগ্নেশ মেবানি একসঙ্গে জোট করে নতুন রসায়ন তৈরি করতে ব্যর্থ হয়েছেন।
ভোটগণনার আগে ইভিএম কারচুপির অভিযোগ করলেন হার্দিক প্যাটেল।