RG Kar Case| Supreme Court: কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে যখন আরজি কাণ্ডের তদন্ত করছে সিবিআই, তখন স্বতঃপ্রণোদিতভাবে মামলাটি গ্রহণ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালতের নজরদারিতে তদন্ত চলছে। আরজি মামলায় এখনও পর্যন্ত ৬ দফা শুনানি হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। মঙ্গলবারের পর বুধবারও পিছিয়ে গেল সপ্তম দফায় শুনানি।
RG Kar Case| Supreme Court:আজ, মঙ্গলবার দুপুর ৩টে সুপ্রিম কোর্টের আরজি কর মামলার শুনানি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অন্যন্য মামলার শুনানিতে দীর্ঘ সময় চলে যায়। বিকেলে রাষ্ট্রভবনে এক অনুষ্ঠানে যাবেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি জি ওয়াই চন্দ্রচূড়। সেকারণেই স্থগিত আরজি কর মামলার শুনানি।
রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎপ্রার্থী মৌসুমী, টুম্পারা।
তখন মানিকপুত্রের জামিনের আবেদনের শুনানি চলছে।অনলাইনে এজলাসে হাজির ছিলেন অজানা ব্যক্তি!আদালতে কম্পিউটার স্ক্রিনে RX বলে একটি নাম দেখা যাচ্ছিল।
সিউড়ি জেলা আদালত বিচারক সুদেষ্ণা দে চট্টোপাধ্যায় এই দিন অনুপস্থিত ছিলেন। জানা গিয়েছে, এদিন দুপুর ২টোয় শুনানির কথা ছিল। সেশন জজ উপস্থিত না থাকায় ভারপ্রাপ্ত চতুর্থ জেলা জজ স্মরজিৎ মজুমদারের এজলাসে অমর্ত্য সেনের জমি মামলার শুনানি হওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
যৌথ মঞ্চের অভিযোগ, তাদের বেতন থেকে প্রতি মাসে স্বাস্থ বরাদ্দ খাতে একটা নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা কেটে নেওয়া হয়। বিনিময়ে তাদের স্বাস্থ্যসাথী কার্ড প্রদান করা হয়। কিন্তু বাকি রাজ্যবাসীকে সেই একই কার্ড বিনামূল্যে প্রদান করা হয়।রাজ্য সরকারি কর্মীদের মধ্যে ৬০ শতাংশ মানুষ যে সুবিধা পান, সেই একই সুবিধা টাকা না দিয়ে রাজ্যের আরও প্রায় সাড়ে পাঁচ কোটি মানুষ পান।
সুপ্রিম কোর্টে যেভাবে একের পর এক শুনানির দিন পিছিয়ে যাচ্ছে, তাতে হতাশ মঞ্চ। ভাস্কর ঘোষের ধারনা, বিশেষত অবসরপ্রাপ্ত রাজ্য সরকারি কর্মীরা ডিএ ধরে পেনশন না পেলে তাদের মাসের শেষে ওষুধের খরচ টানতে ভিক্ষা করার মতো পরিস্থিতি দাঁড়ায়।
আইনজীবীদের সমস্যার কারণে আজও মামলার শুনানি হল না সুপ্রিম কোর্টে। কপিল সিববল ব্যক্তিগত সমস্যার কারনে মঙ্গলবার থাকতে পারবেন না বলে জানান। অভিষেক মনু সিংভি বলেন, এই মামলা শুনানিতে যথেষ্ট সময় লাগবে।
১৪ দিন আগে যখন শেষবার শুনানি হয় তখন আদালত নির্দেশ দেয় যাতে পরের দিন পার্থ চট্টোপাধ্যায় সহ বাকি সকল অভিযুক্তকে সশরীরে আদালতে হাজির করা হয়।শুক্রবার সকাল থেকেই এই শুনানি নিয়ে শুরু হয় জটিলতা।বিচারপতির পাশাপাশি এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ অভিযুক্তদের আইনজীবীরা।
'মূল মামলায় হস্তক্ষেপ করেনি ডিভিশন বেঞ্চ', জানালেন বিচারপতি।
সোমবার পরবর্তী শুনানি।
একসঙ্গে সবকটি মামলার শুনানি।
রাজ্য-সহ সংশ্লিষ্ট সবপক্ষকে হলফনামা দেওয়ার নির্দেশ আদালতের।
দেশে ফেরার জন্য শর্ত দিয়েছেন কয়লা ও গরুপাচারে মূল অভিযুক্ত।
পরবর্তী শুনানি মঙ্গলবার।
বৃহত্তর বেঞ্চে নারদ মামলা অন্য রাজ্যে স্থানান্তরের আর্জি CBI-র।
নারদ-কাণ্ডে প্রভাবশালী তত্ত্ব কতটা যুক্তিযুক্ত তা বিচার করবে হাই কোর্টের ৫ বিচারপতির বৃহত্তর বেঞ্চ।
বৃহস্পতিবার ফের শুনানি।
৪১ বছর বয়সী একজন স্বেচ্ছাসেবক মাদ্রাস হাইকোর্টে এই মামলা করেছিলেন। পয়লা অক্টোবর তিনি ভ্যাকসিন নিয়েছিলেন। তিনি দাবি করেছেন, এই ভ্যাকসিন নেওয়ার পর থেকেই তাঁর শরীরের গুরুতর সমস্যা দেখা দেয়।
কিছুদিন আগে দিল্লিতে একটি মামলার আবেদন জমা পড়েছিল। ইংরেজিতেও দেশের নাম ভারত রাখার আর্জি জানিয়ে একজন সেই মামলা করেছিলেন।
সংবিধানের ধারা অনুচ্ছেদের উল্লেখ করে আবেদন করা হয়েছে, দুটি নামের জায়গায় একটি হলে জাতীয়তাবোধ বাড়বে।