Karnataka: ৬৬ বছর বয়সে প্রয়াত কর্ণাটকের পরিকল্পনা ও পরিসংখ্যান মন্ত্রী। ফুসফুসের সংক্রমণে আক্রান্ত হয়ে গত দুই মাস ধরে তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন। রবিবার ভোরে একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর জীবনাবসান ঘটে।
Karnataka Crime: ধামাচাপা দিতে মালিক তিন দিন ইন্টারনেট বন্ধ করে নির্যাতিতাকে আটকে রাখে। পরে ওই তরুণী পালিয়ে মার্কিন দূতাবাসে অভিযোগ জানালে পুলিস দ্রুত ব্যবস্থা নেয়। বর্তমানে অভিযুক্তরা জেল হেফাজতে রয়েছে এবং তদন্ত চলছে।
Karnataka Horror: পুলিসের প্রাথমিক ধারণা, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড এবং তথ্যপ্রমাণ লোপাটের জন্য খুনের পর দেহটি গাড়ি-সহ পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ফরেনসিক দল ও পুলিসের বিশেষ বাহিনী এই রহস্যজনক মৃত্যুর তদন্তে নেমেছে এবং অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে।
Karnataka: তিন ফুটফুটে ছেলেমেয়েকে গলা টিপে খুন করল জন্মদাত্রী মা। তারপর নিজে ডিজেল খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। বর্তমানে তার অবস্থা গুরুতর।
Karnataka:কর্ণাটক পুলিসের শীর্ষ কর্মকর্তা ভিডিয়ো স্ক্যান্ডালে তুলকালাম! DGP ক. রামচন্দ্র রাওকে সাসপেন্ড। ভিডিয়োতে মহিলাদের সঙ্গে সন্দেহজনক অবস্থায় ধরা পড়েছেন।
Kartanaka Killing: নিহতের বাবা-সহ ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিস।ওই তরুণীর উপর পাইপ ও চাষের সরঞ্জাম নিয়ে হামলা চালানো হয় বলে খবর।
Blackbucks Kills In Karnataka: কর্নাটকের কিট্টুর রানি চেন্নাম্মা চিড়িয়াখানায় ৪ দিনে ঘটে ৩১ কৃষ্ণসার মৃত্যু এবং এই নিয়ে কর্ণাটক সরকার নিয়েছে করা পদক্ষেপ।
Karnataka IPS Officer Dowry Harrasment: আইপিএস অফিসার স্বামীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ স্ত্রীর। পণ, গার্হস্থ্য হিংসা, একাধিক অভিযোগ তুলে পুলিস অফিসারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের। পুলিস জানিয়েছে, 'তদন্ত চলছে এবং অভিযোগকারী ও অভিযুক্তদের বয়ান শীঘ্রই নেওয়া হবে।'
Karnataka Picnic Incident: নওয়াজ় নামে এক জনকে উদ্ধার করা হয়। তাঁকে আদিচুঞ্চনগিরি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। দীর্ঘ তল্লাশি চালিয়ে আরও দু’টি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিস।
Karnataka Woman's horror experience: অভিযোগ অনুযায়ী, বাগদানের প্রায় দুই মাস পর, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে সৈয়দ ইনামুল হকের সঙ্গে ওই মহিলার বিয়ে হয়। বিয়ের সময় ৩৪০ গ্রাম ওজনের সোনার গয়না এবং একটি ইয়ামাহা বাইক দেওয়া হয়েছিল।
Oil Kumar: ভাত-রুটির পাট নেই তাঁর জীবনে, বেঁচে আছেন গাড়ির মতোই! খাবার বলতে প্রৌঢ় বোঝেন লিটার-লিটার ইঞ্জিনের তেল! অলৌকিক বললেও কম বলা হবে...
Karnataka:বর দেওয়ার পরেও নাকি বাঘ ধরতে উপযুক্ত পদক্ষেপ করছে না বন দফতর!আর তাতেই রীতিমতো ক্ষুদ্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা।
Karnataka: স্কুলের বাথরুমে পুত্র সন্তানের জন্ম দিল ক্লাস নাইনের ছাত্রী। পড়ুয়া অন্তঃসত্ত্বা জেনেও কেন আগাম কোনও পদক্ষেপ নেয়নি স্কুল কর্তৃপক্ষ। শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশনের কড়া পদক্ষেপ।
Karnataka Incident:পুলিস সূত্রের খবর, মৃতের নাম রক্ষিতা। তিনিবিবাহিত। স্বামীর পেশায় দিনমজুর। সম্পর্কে আত্মীয় সিদ্দারাজুর সঙ্গে বিবাহ-বর্হিভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন। পরিণতি হল মর্মান্তিক।
Karnataka: 'আমরা মাংসের বিষ মিশিয়ে প্রায় ২৮০০ কুকুরকে খাওয়াই। তারপর তাদের নারকেল গাছের নিচে কবর দিই। শিশুদের নিরাপত্তার জন্য দরকার হলে জেলেও যাব।'
Karnataka:মাসের বেতন ১৫ হাজার টাকা, অথচ সেই সরকারি ক্লার্কের সম্পত্তি ৩০ কোটির। তদন্তে গিয়ে অভিযুক্ত ক্লার্কের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়-২৪টি বাড়ি, ৪টি প্লট, এবং ৪০ একর কৃষিজমি,৪টি গাড়ি, ৩৫০ গ্রাম সোনা, ১.৫ কেজি রূপো।
Dharmasthala skeletons recovery horror story:সাফাইকর্মী এখন একজন সাক্ষী এবং তিনি তদন্তকারীদের কবর স্থানগুলোতে নিয়ে যেতে রাজি হয়েছেন। খবরে আরও বলা হয়েছে যে একটি তদন্তে দেখা গেছে, ওই কর্মী ১৯৯৫ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে কবর দেওয়া কঙ্কালের দেহাবশেষ তুলেছিলেন।
Russian woman in Karnataka Cave: এলাকার বিপদের কথা বুঝিয়ে নিনা ও তার দুই মেয়েকে নীচে নামিয়ে আনে পুলিস। তার পর ওই মহিলার অনুরোধে তাদের রাখা হয় যোগরত্ন সরস্বতীর আশ্রমে রাখা হয়
Karnataka:অবহেলায় মাঠে চড়ছিল গবাদি পশু।র হঠাত্ তিন সন্তান-সহ নিখোঁজ হয়ে যান ওই মহিলা। এরপরপুকুরে তিনজনের দেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এরপর খবর দেওয়া হয় থানায়।
Sergei Baba's last rites: গোকর্ণে হিন্দু রীতিতে শেষকৃত্য করা হল রুশ সৈনিকের। বিদেশ থেকে অনলাইনে গোকর্ণের আচার অনুষ্ঠানে যোগ দিলেন পরিবার। মন্দিরের পুরোহিত করেন নারায়ণাবলী, পিন্ড দান।
Students death:মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরের ছাত্রী আশা উইকেও তাঁর জীবন শেষ করার আগে জীবনের ইঁদুর দৌড়ের চাপের কথা লিখে গেছেন। 'এভাবে আইএএস হতে পারে না কেউ... ঘুম থেকে ওঠ আর পড়তে বসো...' আত্মহত্যা করার আগে ২০ পাতার নোট রেখে গেলেন ইউপিএসসি প্রার্থী আশা।
Class 10 Exam Result: কর্ণাটকের বাগলকোটে বাসবেশ্বর ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের ছাত্র অভিষেক চোলাচাগুদ্দা তার দশম শ্রেনীর বোর্ড পরীক্ষায় ৬০০ নম্বরের মধ্যে পেয়েছে মাত্র ২০০। ফেল করার পরেই বন্ধুদের উপহাসের শিকার হয় সেই ছাত্র। পাশে দাঁড়াল বাবা-মা। অপমান না করে, বকাঝকা না করে কেক কেটে উদযাপন করলেন তাঁরা।