হিমালয়, বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম তুষার ভান্ডার। দ্য স্টেট অফ ইন্ডিয়া এনভায়রনমেন্ট ২০২৪-এর রিপোর্টে প্রকাশ করেছে যে, হিমালয় ২০১৩ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ভারতের প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ৪৪ শতাংশ ক্ষতি হয়েছে।
Chandrayaan-3: চাঁদের কক্ষপথে চন্দ্রযান-৩ একা নয়, আরও একাধিক কার্যকলাপ চলছে সেখানে। প্রায় ছ'টি লুনার অরবিটরস কাজ করছে সেখানে৷ ফলে ট্রাফিক জ্যামে আটকে গিয়েছে চন্দ্রযান-৩।
Russia first moon lander Luna-25: চন্দ্রযান-৩ এর যেদিন চন্দ্রপৃষ্ঠ ছোঁয়ার কথা সেই একই দিনে রাশিয়ার লুনাও চাঁদের বুকে অবতরণ করবে এমনটাই জানা গিয়েছে। চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে হাঁটাচলা করার কথা রয়েছে রাশিয়ার পাঠানো এই নভোযানের।
কোনও শব্দ তো দূরস্ত, সিগন্যালও পাওয়া যাচ্ছিল না। ফলে প্রমাদ গুনছিলেন মহাকাশবিজ্ঞানীরা। কিন্তু স্বস্তি দিয়ে নিজের 'হার্টবিট' শুনিয়ে দিল ভয়েজার-২।সিগনাল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সমস্যা পড়েছিল নাসা। মনে করা হয়েছিল হয়তো সৌরজগতেই হারিয়ে যাবে এই মহাকাশযানটি।
আইআইএসসি এর সেন্টার ফর আর্থ সায়েন্সের গবেষক প্রকাশ চন্দ্র আর্য বলেন, এই জলের মধ্যে ক্যালসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম কার্বোনেট প্রচুর পরিমাণে রয়েছে। মনে করা হচ্ছে ৭০০ থেকে ৫০০ মিলিয়ন বছর আগে 'গ্লেশিয়েশন' হয়েছে। এটিকে স্নো-বল আর্থ গ্লেশিয়েশনও বলা হচ্ছে। সেই সময়ই হিমালয়ের মধ্যকার সমুদ্রও হারিয়ে যায়।
পৃথিবীর ম্যাধাকর্ষণ টান কাটিয়ে চাঁদের পথে যেতে বেশ কিছুটা শক্তি সঞ্চয় করতে হবে চন্দ্রযানকে। সার্কুলার মোশনের মাধ্যমে সেই কাজ করে চলেছে সে। মোট পাঁচ বার কক্ষপথ পরিবর্তন করে পৃথিবীর টান কাটিয়ে তবেই মাধ্যাকর্ষণের আওতায় বাইরে বেরতে পারবে চন্দ্রযান।
ভারত মহাসাগরে পাওয়া গিয়েছে এমন এক 'গহ্বর' যা চরিত্রগত ভাবে বিস্ময়কর।ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স জানিয়েছে ভারতীয় মহাসাগরে একটি বিশালাকার 'গ্র্যাভিটি হোল' (মাধ্যাকর্ষীয় গহ্বর) এর সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। এটির ভৌগলিক নাম- Indian Ocean Geoid Low (IOGL)।
পাঁচজন পর্যটকদের নিয়ে যাওয়া সাবমেরিনটির খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। রবিবার সকালেই ৫ সদস্যদের নিয়ে টাইটানিকের দর্শনে নামে ওই যান। জানা যায়, ১ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট পর এটির সঙ্গে আর যোগাযোগ করা যায়নি।
মহাকাশেই এবার ফুটল প্রাণ। ফুটল ফুল। যে ছবি নাসা প্রকাশ করেছে, সেখানের ব্যাকগ্রাউন্ডে অন্ধকার মহাকাশ আর একফালি পৃথিবী। মহাকাশে এভাবে প্রাণ 'ফুটিয়ে' তোলা নি:সন্দেহে গবেষণাক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। সম্প্রতি মুন এবং মার্স মিশনে মানুষ পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বেশ কয়েকটি স্পেস রিসার্চ এজেন্সি।
এই ঘটনাই অবাক করছে বিজ্ঞানীদের৷ কোনও স্থানে বুদবুদ তৈরি হয় ভ্যাকুয়াম থেকে। সেই ভ্যাকুয়ামের যে চাপ পারিপার্শ্বে তৈরি হয় তা থেকেই করোনাল মাস ইজেকশনের গতি বৃদ্ধি পায় অনেকটাই। তার জেরে সৌরঝড়ের সৃষ্টি যা সৌরমণ্ডলে সৃষ্টি ভূচৌম্বকীয় ঝড়৷
মঙ্গলের থারসিস এলাকার উত্তরে যে তিনটি আগ্নেয়গিরি রয়েছে তার মধ্যে এটি সর্ববৃহৎ। উচ্চতার পাশাপাশি আয়তনে ৪৮০ কিলোমিটার জুড়ে রয়েছে।আর এই বিশালাকায় পর্বত সমান আগ্নেয়গিরির খোঁজ পেয়ে তাই মহাকাশবিজ্ঞানী মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
সূর্যের চরিত্র বদল ঘটেছে বেশ কিছু বছর থেকে। মাঝে মধ্যেই ক্ষোভের আগুন প্লাজমা পরিধি ছেড়ে সৌরমণ্ডলে এসে পড়ছে। কিন্তু এবার যেন ফুঁসছেই নক্ষত্রমণ্ডলের অধিপতি। বিজ্ঞানীরা বলছে এই ঝড়ে সাথে বিপুল পরিমান সৌর কণা প্রতি সেকেন্ডে ১৬০০ কিলোমিটার বেগে পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসে। জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা কয়েক মাস আগেই পূর্বাভাস দিয়েছিলেন, এক শক্তিশালী সৌর ঝড় আছড়ে পড়তে চলেছে পৃথিবীর উপর। তাঁরা বুঝতে পারছিলেন, নিয়মমাফিক সূর্য ততক্ষণে বেশ চঞ্চল হয়ে উঠেছে।
শনিকে বেষ্টন করে যে বলয় রয়েছে তা শনিকে গ্রহমণ্ডলে এক নিজস্বতা দিয়ে রেখেছে। দূর থেকে আদতে যা দেখতে বলয় মনে হয় তা কিন্তু ক্ষুদ্র থেকে বৃহৎ খণ্ড খণ্ড পাথরের ঘূর্ণন অবস্থা।শনির মাধ্যাকর্ষণে বলয় আকারে কোটি কোটি পাথরখণ্ড ঘুরে চলেছে অবিরাম যা এমন বলয়ের মতো দেখায়।
স্পেস এক্সের তৈরি এই স্টারশিপ রকেটের ভাঙা অংশ নিয়েই এখন মাথাব্যথা বিশ্বের।পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের ঊর্ধ্বে চুরমার হলে এতটা চিন্তার বিষয় ছিল না। কিন্তু ট্রপোস্ফিয়ার সংলগ্ন এলাকায় ভেঙে পড়ায় চিন্তা বেড়েছে।দক্ষিণ টেক্সাসের আকাশে পুঞ্জীভূত মেঘ দেখা যাচ্ছে যা আদতে স্টারশিপ রকেটের ভাঙা অংশ নিয়েই তৈরি হয়েছে
চাঁদের মাটিতে একাধিক কাজ হলেও চন্দ্রপৃষ্ঠে ল্যান্ড করার সময় একাধিক বিপদ ওৎ পেতে থাকে। সাম্প্রতিক নিদর্শন ভারতেরই।সামান্য ভুলের ক্ষমা নেই সেখানে। মুহূর্তে ছাই হয় প্রাণ কিংবা যান। অথচ অজানার চেষ্টাও তো দমিয়ে রাখা যায় না। তাই চেষ্টাই চলতেই থাকে।
দুই ভিন্ন প্রজাতির পাখি খুঁজে পাওয়া গিয়েছে যারা ভয়ঙ্কর এবং প্রাণঘাতী। এই দুই পাখিই তাদের ডানার নিচে লুকিয়ে রাখে নিউরোটক্সিন জাতীয় বিষ।এই সব পাখিরা কোনও ক্ষতিকর খাবার খেলে যেমন হজম করতে পারে।
এবার সূর্যের দক্ষিণ গোলার্ধের এই অঞ্চল থেকেই শক্তিশালী সৌরশিখার জন্ম হল। বিপদ শুধু এখানেই। এই শিখার রেশ পড়তে চলেছে পৃথিবীতেও। বায়ুমন্ডলে যে আয়ন রয়েছে, সেখানে পড়বে প্রভাব। যার জেরে রেডিও ব্ল্যাকআউটও হতে পারে পৃথিবীতে।
বিজ্ঞানীরা মঙ্গলবার বলেছেন যে ২০১৯ এ রিয়াগুতে দুটি সাইট থেকে জাপানি স্পেস এজেন্সির হায়াবুসা-২ মহাকাশযান গ্রহাণু থেকে ইউরাসিল এবং নিয়াসিন শনাক্ত করেছে। এই দুই উপাদান RNA-এর কাঠামোর মূল উপাদান। প্রাণের সঞ্চারের সম্ভাবনার ইঙ্গিত রয়েছে এখানেই। অন্যদিকে, নিয়াসিন, যাকে ভিটামিন বি 3 বা নিকোটিনিক অ্যাসিডও বলা হয়, এটি শরীরে বিপাকীয় ক্রিয়ায় সাহায্য করে।
এবারের যে রকেটটিকে পাঠিয়েছিল চিন, সেটিতে ছিল স্পেস স্টেশন তৈরির বৈজ্ঞানিক কিছু সামগ্রী। কিন্তু চিনের সাম্প্রতিক রেকর্ড বলছে, কাজটি করার পর পৃথিবীতে ফেরার সময়ই বায়ুমন্ডলের সংস্পর্শে এসে জ্বলে ওঠে রকেট৷ প্রবল তাপে ভেঙে চুরমার হয়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে পৃথিবীতে৷
কোভিড-19 পরীক্ষার এই নতুন পদ্ধতিতে মাত্র এক ঘণ্টায় করোনা ভাইরাস শনাক্ত করবে।
National Oceanic and Atmospheric Administration এর বার্ষিক রিপোর্টে দেখা গিয়েছে বিশ্বের বাতাসে মিথেন গ্যাসের বাড়বাড়ন্ত রেকর্ডহারে। গ্রিন হাউস গ্যাসগুলির মধ্যে এই মিথেন অন্যতম।
দেখা গিয়েছে আমেরিকায় কিন্তু কোভিড গ্রাফ ফের ঊর্ধ্বমুখী।