এর আগে ওই কেন্দ্রগুলির ৯৮ শতাংশ বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছিল নির্বাচন কমিশন।
কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে মন্তব্য করে ফের বিতর্কে অনুব্রত মন্ডল। তাঁর হুমকি, বাহিনী ভুল করলে দেখে নেওয়া হবে।
রাজ্যের তিন কেন্দ্রের ভোটগ্রহণের জন্য বাহিনীর সংখ্যা গিয়ে দাঁড়াচ্ছে ১৯৪ কোম্পানি
আলিপুরদুয়ারের ১০২০ বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকছে না। ধলপলের বুথটি তার মধ্যেই একটি বলে অনুমান।
রাজ্য সরকার চিঠি দিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে জানায় মাওবাদীরা রাজ্যে ঢুকে আইনশৃঙ্খলায় ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। ভোটের মুখে তাই বাহিনী সরানো চলবে না
কলকাতা-সহ রাজ্যে বেশ কয়েকটি এলাকায় ইতিমধ্যে বাহিনী টহল দিয়েছে।
কেন্দ্রীয় বাহিনী মানুষকে ভয় দেখাচ্ছে বলে দাবি করেছিলেন ফিরহাদ হাকিম।
কয়েক দিন আগেই বীরভূমে ঝাড়খণ্ড সীমানায় রুটমার্চ শুরু করেছে তারা। রবিবার থেকে তা শুরু হয়েছে কলকাতায়
রাজ্যে রুট মার্চ কেন্দ্রীয় বাহিনীর
পশ্চিমবঙ্গের কোন কোন বুথ এলাকা স্পর্শকাতর, সেখানে কীভাবে বাহিনী মোতায়েন করা হবে
বাহিনী। শনিবার থেকে জেলায় জেলায় টহল শুরু করবে বাহিনী
কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা, কার্যক্রমের যাবতীয় তথ্য কমিশন নিজেদের ওয়েবসাইটে তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে।
হেভিওয়েট পঞ্চায়েত মামলার রায় ঘোষণা করেছে হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ। পঞ্চায়েত ভোটের নতুন নির্ঘণ্ট ঘোষণা করতে কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি সুব্রত তালুকদার। একইসঙ্গে ইচ্ছুক প্রতিনিধিদের প্রত্যেকে যাতে ভোটে লড়ার সুযোগ পায়, তা নিশ্চিত করতে মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময়সীমা বাড়াতেও নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
পঞ্চায়েত ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীতে অনড় রাজ্য নির্বাচন কমিশন। কমিশনের দাবি, সুষ্ঠুভাবে পঞ্চায়েত ভোট পরিচালনা করতে গত পঞ্চায়েত নির্বাচনের মতো-ই সমসংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রয়োজন। ইতিমধ্যেই এই মর্মে নবান্নকে চিঠি দিয়েছে কমিশন।
রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রয়োজন রয়েছে। রাজ্যকেও এবিষয়ে নির্বাচন কমিশন জানাবে বলে সূত্রে জানা গিয়েছে।
পাহাড় মামলায় বাহিনী নিয়ে কেন্দ্র-রাজ্য তরজা। ক্ষুব্ধ প্রধান বিচারপতি। অনড় মনোভাব ছেড়ে দুপক্ষকে আলোচনায় বসার নির্দেশ। সমাধান সূত্রে পৌছতে সময়সীমা বেঁধে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। কাল আদালতে সব তথ্য তুলে ধরার নির্দেশ প্রধান বিচারপতির।
নোটের হাওয়ায় মরা ভোট। সেই ম্যাড়ম্যাড়ে ভোটেও মুখ্য হয়ে উঠল সন্ত্রাসের অভিযোগ। মন্তেশ্বর উপনির্বাচনে প্রার্থী প্রত্যাহার করল কংগ্রেস। তাদের অভিযোগ, পুলিস প্রশাসনকে ব্যবহার করে বুথে বুথে ভোট লুঠ করেছে তৃণমূল। যদিও এই অভিযোগ মানতে চায়নি শাসকদল।
৭০তম স্বাধীনতা দিবসে জঙ্গিহানা ও নাশকতার আশঙ্কায় নয়াদিল্লি সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কড়া নিরাপত্তা। বিভিন্ন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার প্রধানদের সঙ্গে বিশেষ বৈঠক করেন রাজনাথ সিং। সীমান্ত এলাকায় বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা। কড়া নিরাপত্তা কলকাতাতেও।
ভোটগ্রহণ চলছে ২৫টি কেন্দ্রে। বাকি দফাগুলির মত শেষ দফাতেও সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন করাতে বধ্যপরিকর কমিশন। নির্বাচনে গন্ডগোল, রক্তপাত এড়াতে কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।