বৃহস্পতিবার সকালে লিচুতলায় কয়েকজন বাসিন্দা অটো করে স্টেশনে যাচ্ছিলেন।
এক প্রতিবেশীর কথায়, ওই মহিলাকে ভূতে ধরার সন্দেহ করতো বাড়ির লোকজন। এক বছরের মধ্যে অসুস্থ হয়ে গ্রামের দুই যুবকের মৃত্যু হয়। তাদেরই আত্মা নাকি ওই গৃহবধূর উপর ভর চড়ে বসেছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে কালনার মালোতিপুর ঘাট থেকে সৌভিকের সাইকেল,জামা ও মোবাইল উদ্ধার হয়।
বাপের বাড়ি থেকে নগদ ৩০ হাজার, ৩ ভরি সোনা ও ১টি মোটরবাইক নিয়ে আসতে বলা হয় লিপিকাকে।
রোজ রাতেই নবদম্পতির ঘরে উঁকিঝুঁকি মারত। নবদম্পতির অন্তরঙ্গ মুহূর্ত লুকিয়ে দেখার চেষ্টা করত।
কালনার জিউধারা এলাকার পুরনো বাসিন্দা শেখ সামসুদ্দিন। অভিযোগ, তাঁর বাড়ির পিছনে প্রতিদিনই মদ জুয়ার ঠেক বসত।
নীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কালনার কুজুরিয়া তিনকড়ি বিদ্যালয়ের ছাত্রী সালমা খাতুন সোমবার বিয়েবাড়ি থেকে ফিরছিল
শনাক্তকরণের পর বাপের বাড়ির লোকদের কোনও খবর না দিয়ে, তড়িঘড়ি স্ত্রীর দেহ দাহের বন্দোবস্ত করেন সমীর।
টিঙ্কু-ঘরণী এখন শাঁখা-সিঁদুর, শাড়ি পরছেন। রুটি বেলছেন। চা করছেন। বাংলা বলছেন— ‘খাব’, ‘ভাত’, ‘ধন্যবাদ’।
আত্মীয়দের সঙ্গে পারিবারিক ইস্যু নিয়ে পুরনো বিবাদ ছিল ঠান্ডু শেখের। নিত্যদিনই তাঁদের সঙ্গে ঝগড়া হত। শুক্রবার চাঁদার তোলা নিয়ে আত্মীয়দের মধ্যে ফের ঝগড়া শুরু হয়।
কেলেনই গ্রামে দুই দাদা ও পরিবারের সঙ্গে থাকত বিকাশ সরকার। পেশায় দিনমজুর বিকাশের মদ্যপান করে বাড়িতে ঢুকে অশান্তি করা ছিল নিত্য দিনের ঘটনা।
রবিবার রাতে এভাবে পরপর শব্দবাজি ফাটানোর প্রতিবাদ করেছিলেন বৈশাখী মণ্ডল।
বাসটির সঙ্গে মুখোমুখি ধাক্কা লাগে স্কুটির। তিনজনই স্কুটি থেকে ছিটকে পড়েন। মাথায় গুরুতর চোট লাগে আভার
কালনার দশম শ্রেণির ছাত্র রোহন শেখের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়
পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েক বছর আগে সমুদ্রগড়ের বাসিন্দা বিকাশ চূর্ণকারের সঙ্গে বিয়ে হয় মমতার।
সাপের আতঙ্কে বাড়ি ভেঙে ফেলার পর এখন রাস্তার ধারে ত্রিপল খাটিয়ে পরিবারকে নিয়ে দিন কাটাচ্ছেন দিলদার শাহ।
অত্যুত্সাহী এক ব্যক্তি উঁকি দিতেই দেখেন, এ তো পরিচিত মুখ!
পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে,কুনু কর্মসূত্রে কেরলে থাকতেন। বাড়িতে তাঁর মা সোমবাড়ি সোরেন একাই থাকতেন।
স্থানীয় এক প্রতিবেশী তাঁকে বাড়িতে ডাকতে এসেই বিষয়টি লক্ষ্য করেন।
একটাই কথা বার বার বলছিলেন প্রেমানন্দ-এটাই তাঁর শববাহী খাটিয়া। নিজের মৃত্যুর প্রস্তুতি সারছেন তিনি।
হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার বদলে মোটর সাইকেলে চাপিয়ে ডলি মালিককে নিয়ে ওঝার বাড়িতে হাজির হন আত্মীয়রা।
সানাইয়ের সুরের তাল কাটল এক ব্যক্তির আর্তনাদে। ছুটে যেতেই শিউরে ওঠলেন বরযাত্রী ও কনের বাড়ির লোক।