সম্পাদকীয়র বদলে

আসিস যাস
দেখতে কি পাস
মানুষ খাচ্ছে ঘাসের বিচি
খরা ছাড়াই বন্যা ছাড়াই

কানে কি তোর যায় না
শিশুর মরা হাড়ের অভিশাপ-
ছিঃ কেমন দেশে জন্মেছিলাম!

দেবাতাত্মা ভারতবর্ষের এই চেহারা
ঢাক বাজিয়ে মুছবে কারা?

আসিস যাস
তোর কি কোনও লজ্জাও নেই!

শারদীয়: বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

editorial

শেষ দিকে সুনীলের শরীরটা বেশ খারাপ হয়ে গেলেও আমার কথা বলা আর শোনার সঙ্গী ছিল সুনীলই। আমার বন্ধু। সেই বন্ধুকেই এখন মনে পড়ে খুব।


সুনীলহারা আকাশে স্মৃতিচারণায় স্বাতী গাঙ্গুলি ও বেলাল চৌধুরী

pujo-interview '২০১২-র নবমী। চলে গেলেন সুনীল গাঙ্গুলি। একবছর। সত্যিই কি তিনি নেই? তাঁর না থাকাটাও যে বড় বেশি করে থাকা। সেটাই যেন উঠে এল তাঁর দুই কাছের মানুষের কথায়। অন্তরঙ্গ আলাপচারিতায় স্বাতী গাঙ্গুলি ও বেলাল চৌধুরী। বিস্তারিত পড়ুন

পুজো পরিক্রমা-সেকাল থেকে একাল

সেকাল, একাল দু'কাল জুড়ে পুজোকে বাঁধলেন দীপ মুখোপাধ্যায়

pujo-interview মার্কণ্ডেয় চণ্ডী, দেবী দুর্গাকে তিন রূপে বর্ণনা করছে। অষ্টাদশ ভুজা উগ্রচণ্ডা, ভদ্রকালী ও দশভুজা দুর্গা। তবে এই পুজোর বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ পাওয়া গেল অনেক কাল অতিক্রম করে। খৃস্টীয় পঞ্চদশ শতকের প্রথমপাদে রাজা দনুজমর্দনের তাম্রশাসনে উল্লেখ পাই অষ্টভুজা দুর্গামূর্তি এবং আরাধনার কথা। সম্রাট আকবরের আমলে যেমন এই পুজোর সংবাদ মেলে তেমনই বাংলায় স্মার্ত রঘুনন্দনের তিথিতত্ত্ব গ্রন্থের দুর্গোৎসব তত্ত্ব প্রমাণ করে, সেই সময়ে দুর্গাপুজোর প্রচলন হয়ে গেছে। আকবরের চোপদার বাংলার দেওয়ান রাজা কংসনারায়ণের এক মহাযজ্ঞ করার বাসনা হয়।
বিস্তারিত পড়ুন
ek-chader-tolay-golpo

স্বর্গ বিসর্গ।। শারদ সংখ্যা

দেবী দুর্গা মর্তে আসেন, আর বাঙালির সাহিত্য চুলকুনি হয়। চুলকুনি সংক্রামক। কৈলাশেও সংক্রমিত হ'ল। মহাদেব হঠাত্ লিখে ফেল্লেন, 'গঙ্গা' তোকে কে আটকেছে ফরাক্কায়? আধখানা বাঁধ গুঁড়িয়ে দেব বেমক্কা। তারপর মহাদেব আরও কয়েকটি কাব্যরচনা করলেন। পার্বতীর প্রতি প্রেমের কবিতাও ছিল। মহাদেবের দেখাদেখি ওঁর চ্যালা চামুন্ডা ভূতপ্রেতরাও কবিতা লিখতে লাগল। তখন সরস্বতী ম্যাডাম নারদকে নির্দেশ দিলেন কৈলাস থেকেও একটি সাহিত্য পত্রিকা বের কর ভাই। বাহ্য চেপে রাখা খারাপ। কবিতাও। নির্গমনের উপায় বের কর। নারদ আজ্ঞা পালন করলেন। বের হতে লাগল লিট্ল ম্যাগাজিন। নাম 'স্বর্গ-বিসর্গ।' এবছরে পুজো সংখ্যাটা সংগ্রহ করেছেন-স্বপ্নময় চক্রবর্তী
বিস্তারিত পড়ুন


  • সেই কলকাতা, এই পুজো

    দুর্গাপুজো মানে ঠাকুর দেখা, মেলা, জলসা আরও কত কিছু। সঙ্গে স্মৃতির ঠেকে গা এলিয়ে পুরনো কথা ভাবা। সেই সফরেই নিয়ে চললেন কিন্নর রায়


  • পূজার বিলাপ

    নাট্যজগতের নাকি সমূহ উন্নতি ঘটেছে। বাস্তব কী বলছে? অন্তরমহলের কথা লিখলেন বিভাস চক্রবর্তী


  • আসল থিম, আসল ভাবনা চাই

    থিমে না থেমে কলকাতার পুজোয় আসুক নতুন ভাবনা। আসল থিম মানে কী! তারই একটা উত্তর খুঁজলেনপ্রচেত গুপ্ত


  • নাকের বদলে নরুন

    ঈশ্বরের বিকল্প আরও উন্নততর ঈশ্বর। আত্মহত্যা একটি মানুষের স্বাধীনতার চূড়ান্ত অধিকার। এমন সব কথাই গুছিয়ে বলার চেষ্টা করলেন চিরঞ্জীব বসু

ek-chader-tolay-golpo

কবিতার নিন্দামন্দ

কবিতা লেখা এখন খুব কঠিন হয়ে পড়ছে। আমাদের দিক থেকে এটুকু বলতে পারি প্রকৃত কবিদের দুনিয়ার বাজার গরম করা বা গা করম করা পদ্য লেখার যুগ গেছে। দুষ্টুমিষ্টি এতোলবেতোল পদ্য লেখার যুগও গেছে। তবে কি বলতে হবে উত্তরাধিকার হিসেবে আমাদের ভাঁড়ারে রয়েছে শুধু রবীন্দ্রনাথের মৃত্যুচেতনা, আন্তর্জাতিকভাবে পাংক্তেও তিরিশের কবিতার মহত্ উপাদানগুলো ও তারপরের সময়ের বামমার্গী ও উন্মার্গী হুজুগের জোয়ার সত্ত্বেও কবিবিশেষের বিক্ষিপ্ত অবদান? প্রায় তাই।
আরও বিস্তারিত ভাবনা পড়ুন লেখক তুষার চৌধুরীর অগ্রন্থিত গদ্যে বিস্তারিত পড়ুন

ek-chader-tolay-golpo

একটি প্রাসাদ, একটি ছবি এবং একটি গল্প

রবীন্দ্রনাথ আমেদাবাদ গেলেন ১৮৭৮-এ ১৭ বছর বয়সে। ক্ষুধিত পাষাণ লেখা হল জোড়াসাঁকোর বাড়িতে ১৮৯৫-এ। বাংলার ১৩০২ সালের শ্রাবণ মাসে। অর্থাত্ 'প্রথম আভাস'-এর ১৭ বছর পর লেখা হয়েছিল ক্ষুধিত পাষাণ

---লিখলেন সুচিক্কণ দাস বিস্তারিত পড়ুন

  • আপন হতে বাহির হয়ে

    সংশয় হয় যখন দেখলাম বাসের মধ্যে তরুণীকে গণধর্ষণ করে রাস্তায় ছুড়ে ফেলে দেওয়ার পৈশাচিক উল্লাস। এই সংশয়, এই দ্বিধাও জড়ো হয় বুকের ভিতর
    ---লিখলেন সোমশুভ্র মুখার্জি

  • মুম্বই একদিন কল্লোলিনী তিলোত্তমা হবে

    গত বছরই প্রথম রানির বাড়ির পুজো হয়েছে টিউলিপ স্টার হোটেলে। তার আগের বছর পর্যন্ত সান্তাক্রুজের স্কুলের মাঠই ছিল স্থায়ী ঠিকানা
    ---লিখলেন শর্মিলা মাইতি

  • না মেলা অঙ্ক

    এগিয়ে আসে সন্ধ্যামাসি। চ্যাঙড়া ওর কাছে পুত্রসম। দেখতে পেলেই সন্তানস্নেহ উথলে পড়ে। ঝাড়ুকে মৃদু ধমক দিয়ে বলে—তুই কেমন মাগি ঝাড়ু, একটা ভাল ছেলেকে এভাবে খিস্তি করছিস!
    ---লিখলেন সৌম্য সিংহ

  • তিন মূর্তির তিন অসুর

    কথাগুলো ভাল করে শুনে বুঝলাম বীরেন্দ্র সেওয়াগ কলকাতায় ঠাকুর দেখতে নিয়ে এসেছেন রজার ফেডেরার আর উসেইন বোল্টকে। তারপর...
    ---লিখলেন পার্থ প্রতিম চন্দ্র

ek-chader-tolay-golpo

অবাক কাণ্ড

এই দুনিয়ার আজবকাণ্ড দেখে ছন্দে ছন্দে সুর মেলালেন অনিন্দ্য বোস, তারই সঙ্গে ২৪ঘণ্টা শারদীয়া ফ্রেমবন্দি করল, পড়ুন বিস্তারিত পড়ুন

  • পুজো এলো রে
    আকাশে পুজো পুজো গন্ধ, টুপটাপ করে শব্দের শিশির পড়ছে, গান বাঁধলেন
    সিধু আর সাকী
  • ক্যাকটাস
    রাজা তোর কাপড় কোথায়, উলঙ্গ শিশুর স্পর্ধায় সুর দিলেন সিধু



  • ধ রম সালা ...
    রবীন্দ্রনাথের রোমান্টিকতা ছুঁয়ে আছে এই শহরটাকে...যখন কিশোরীবেলা তখন একবার আসা .. তারপর এই ..
    লিখেছেন মনিমালা রায়
  • বিলয়গ্রাস
    রাজমিস্ত্রির কাজ করে সে। বেশিরভাগ দিন কাজে যেতে চায় না। তবে চোলাই মদের ঠেকের খুব নিয়মিত খদ্দের সে।
    তুষার সরদার
  • তোর জন্য
    এবার পুজোয় তোর জন্য ছড়া বাঁধলেন
    কৌস্তভ বসু
ek-chader-tolay-golpo

পুজোর সময় খাওয়া-দাওয়ার মাঝে ঘুরে বেড়ালেন তিনি। কখনও ফিরে গেলেন শ্যামপুকুরের কৈশোরে, কখনও লস এঞ্জেলসে অপু, দুর্গার মাঝখানে, কখনও প্রেসিডেন্সি কলেজের পাশের গলিতে, কখনও বা মা, পিসিমার আঁচলের হলুদের গন্ধে। তিনি
---রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
বিস্তারিত পড়ুন

ek-chader-tolay-golpo

আমার জীবনে পরম প্রিয় পুরুষ আমার বাবা। পরবর্তীকালে হেমন্তদা। উনি আমাকে খুবই স্নেহ করতেন। এটাও এক ধরনের প্রেম বলতে পারো। একদিনও হেমন্তদাকে না দেখলে আমার মন খারাপ হয়ে যেত। আমি রোজ হেমন্তদার সঙ্গে দেখা করতে যেতাম।
---ফ্লাশব্যাকে হৈমন্তী শুক্লা
বিস্তারিত পড়ুন



ek-chader-tolay-golpo

বেলুড় মঠে প্রথম মাতৃপুজোর ভাবনা

স্বামীজী। এবার মঠে দুর্গোত্‍সব করবার ইচ্ছে হচ্ছে!যদি খরচার সঙ্কুলান হয় তো, মহামায়ার পুজো করব। তাই দুর্গোত্‍সববিধি পড়বার ইচ্ছে হয়েছে। তুই আগামী রবিবারে যখন আসবি, তখন ঐ পুঁথিখানি সংগ্রহ করে নিয়ে আসবি।
শিষ্য। যে আজ্ঞা। বিস্তারিত পড়ুন

ek-chader-tolay-golpo

নেশার নৈনিতালে

অসাধারণ নৈস্বর্গিক নিঃস্তব্ধতায় জেগে থাকে ভীমতাল। ভীমতালের ধার ঘেঁসে কোথায় যেন মিশে যায় দিগন্তের নীল পাহাড় আর সবুজ বন। সঙ্গে নভেম্বরের হিমেল হাওয়া খেয়াল খুশির আঁকিবুকি কাটে বিশাল ভীমতালের জলে।
--- কৌশিক সেন বিস্তারিত পড়ুন