সুন্দরবন

Update: February 7, 2013 17:24 IST

প্রেমটা যদিও একেবারে নতুন নয়, তবুও দু`জনের চরম ব্যস্ততা জীবন থেকে ভালবাসার সময়টুকু নির্মম ভাবে কেড়ে নিয়েছে। হাতের কাছে যখন হঠাৎ পাওয়া ছুটিটাকে এবার আর বৃথা যেতে দেবেন না। সময়ের প্রতিটা মুহূর্তকে আরও গভীর করে তোলার জন্য সুন্দরবন হতেই পারে পারফেক্ট ডেসটিনেশন।

সুন্দরবনঃ পৃথিবীর বৃহত্তম ব-দ্বীপ, ম্যানগ্রোভ অরণ্যের সুন্দরী সুন্দরবন। কলকাতার খুব কাছে ভারতের মাত্র দুটি বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভের অন্যতম সুন্দরবনে `বাঘে-মানুষে`-এর মিলিত অবস্থান। স্থলে বাঘ আর জলে কুমীর নিয়ে সুন্দরী, গরান, গেঁওয়া, হিজলের বনের গর্বিত অবস্থান। সঙ্গে রয়েছে হরিণ, কাঁকড়া, মাড স্কিপারের ঝাঁক। ছোট্ট দ্বীপ গুলোর মাঝের ছোট্ট ছোট্ট সংকীর্ণ খাঁড়ি গুলো নদীর সঙ্গে এই জঙ্গলের গোপন প্রেমের হদিশ দিয়ে যায়। প্রেমের ছুটির ফাঁকে নিজেদের মধ্যে ঘুমিয়ে থাকা জংলী প্রেমকে নতুন করে আবিষ্কার করার জন্য সুন্দরবনের থেকে সুন্দর ডেস্টিনেশন আর কিছু হতেই পারে না। অরণ্যের নিঝুম রাত্রির নিস্তব্ধতা ভেদ করা কোন `না-মানুষী` চিৎকার সমস্ত জাগতিক প্রেমকেই এক বিন্দুতে নিয়ে আসে।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।